দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) পবিত্র জুমার নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসমৃদ্ধ এই মসজিদের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
পৌর শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের হেলিপ্যাড মাঠসংলগ্ন এলাকায় প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত তিনতলা বিশিষ্ট এই মডেল মসজিদে একসঙ্গে প্রায় ১ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। মসজিদটিতে নারী ও পুরুষের জন্য পৃথক নামাজের স্থান, আধুনিক অজুখানা, পৃথক ওজুর ব্যবস্থা, ইসলামিক রিসোর্স সেন্টার এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনের আবাসনের সুবিধা রাখা হয়েছে।
এছাড়া ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে রয়েছে সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, ইসলামিক বই বিক্রয়কেন্দ্র, হজযাত্রীদের নিবন্ধন ও প্রশিক্ষণ, ইমাম প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, ইসলামী গবেষণা ও দাওয়াহ কার্যক্রম, হেফজখানা, শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম, অতিথিশালা এবং মৃত ব্যক্তির গোসলের পৃথক ব্যবস্থা। ফলে এটি শুধু একটি মসজিদ নয়, বরং ধর্মীয় শিক্ষা, গবেষণা ও সমাজসেবার একটি আধুনিক কেন্দ্র হিসেবে ভূমিকা রাখবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা এই মডেল মসজিদ চালুর অপেক্ষায় ছিলেন। জুমার নামাজের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনে এলাকাজুড়ে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের বিশ্বাস, মসজিদটি ধর্মীয় অনুশীলনের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের নৈতিক শিক্ষা, ইসলামী মূল্যবোধ চর্চা এবং সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৪ নভেম্বর প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়। দীর্ঘ নির্মাণপ্রক্রিয়া শেষে অবশেষে জুমার নামাজের মাধ্যমে এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হলো।

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) পবিত্র জুমার নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসমৃদ্ধ এই মসজিদের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
পৌর শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের হেলিপ্যাড মাঠসংলগ্ন এলাকায় প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত তিনতলা বিশিষ্ট এই মডেল মসজিদে একসঙ্গে প্রায় ১ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। মসজিদটিতে নারী ও পুরুষের জন্য পৃথক নামাজের স্থান, আধুনিক অজুখানা, পৃথক ওজুর ব্যবস্থা, ইসলামিক রিসোর্স সেন্টার এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনের আবাসনের সুবিধা রাখা হয়েছে।
এছাড়া ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে রয়েছে সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, ইসলামিক বই বিক্রয়কেন্দ্র, হজযাত্রীদের নিবন্ধন ও প্রশিক্ষণ, ইমাম প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, ইসলামী গবেষণা ও দাওয়াহ কার্যক্রম, হেফজখানা, শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম, অতিথিশালা এবং মৃত ব্যক্তির গোসলের পৃথক ব্যবস্থা। ফলে এটি শুধু একটি মসজিদ নয়, বরং ধর্মীয় শিক্ষা, গবেষণা ও সমাজসেবার একটি আধুনিক কেন্দ্র হিসেবে ভূমিকা রাখবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা এই মডেল মসজিদ চালুর অপেক্ষায় ছিলেন। জুমার নামাজের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনে এলাকাজুড়ে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের বিশ্বাস, মসজিদটি ধর্মীয় অনুশীলনের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের নৈতিক শিক্ষা, ইসলামী মূল্যবোধ চর্চা এবং সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৪ নভেম্বর প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়। দীর্ঘ নির্মাণপ্রক্রিয়া শেষে অবশেষে জুমার নামাজের মাধ্যমে এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হলো।
