যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছাকৃতভাবে ইরানের অর্থনীতিকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ করেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
তিনি দাবি করেন, ওয়াশিংটন ভুল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, যার ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে এবং এর ক্ষতি সব পক্ষকেই ভোগ করতে হবে।
এক অডিও বার্তায় গালিবাফ বলেন, “শত্রুপক্ষ অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগে অত্যন্ত আশাবাদী। তারা আবারও ভুল তথ্য পেয়েছে এবং সেই ভিত্তিতেই ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। এই ভুলের খেসারত সবাইকে দিতে হবে।”
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে ইরানের অর্থনীতি প্রায় ৬ দশমিক ১ শতাংশ সংকুচিত হতে পারে। একইসঙ্গে দেশটিতে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে খাদ্যপণ্যের দাম বিশেষ করে রুটি, শস্য, তেল ও চর্বিজাতীয় পণ্যের মূল্য, বহুগুণ বেড়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে ইরানের অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে অনিশ্চয়তা তেল রপ্তানি ও আমদানিতে প্রভাব ফেলছে।
গালিবাফ আরও বলেন, এটি সরাসরি সামরিক সংঘাত নয়, বরং ইরানের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীলতা তৈরির একটি পরিকল্পিত কৌশল। তিনি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিভাজনমূলক কর্মকাণ্ড শত্রুর উদ্দেশ্য পূরণে সহায়ক হবে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, স্বাধীনতার স্বার্থে ইরানের জনগণ সব ধরনের চাপ ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবে।
সূত্র: শাফাক নিউজ

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছাকৃতভাবে ইরানের অর্থনীতিকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ করেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
তিনি দাবি করেন, ওয়াশিংটন ভুল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, যার ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে এবং এর ক্ষতি সব পক্ষকেই ভোগ করতে হবে।
এক অডিও বার্তায় গালিবাফ বলেন, “শত্রুপক্ষ অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগে অত্যন্ত আশাবাদী। তারা আবারও ভুল তথ্য পেয়েছে এবং সেই ভিত্তিতেই ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। এই ভুলের খেসারত সবাইকে দিতে হবে।”
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে ইরানের অর্থনীতি প্রায় ৬ দশমিক ১ শতাংশ সংকুচিত হতে পারে। একইসঙ্গে দেশটিতে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে খাদ্যপণ্যের দাম বিশেষ করে রুটি, শস্য, তেল ও চর্বিজাতীয় পণ্যের মূল্য, বহুগুণ বেড়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে ইরানের অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে অনিশ্চয়তা তেল রপ্তানি ও আমদানিতে প্রভাব ফেলছে।
গালিবাফ আরও বলেন, এটি সরাসরি সামরিক সংঘাত নয়, বরং ইরানের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীলতা তৈরির একটি পরিকল্পিত কৌশল। তিনি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিভাজনমূলক কর্মকাণ্ড শত্রুর উদ্দেশ্য পূরণে সহায়ক হবে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, স্বাধীনতার স্বার্থে ইরানের জনগণ সব ধরনের চাপ ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবে।
সূত্র: শাফাক নিউজ
