সুন্দরবন-এ বনদস্যুদের কবলে পড়ে মুক্তিপণ দিয়ে অবশেষে বাড়ি ফিরেছেন খুলনার কয়রা উপজেলা-এর ১৩ জন মৌয়াল।
শনিবার তারা বানিয়াখালি ফরেস্ট স্টেশন-এ এসে আশ্রয় নেন। পরে সেখান থেকে নিজ নিজ বাড়িতে ফেরেন।
ভুক্তভোগী মৌয়ালদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৭ মে বন বিভাগের অনুমতি নিয়ে মধু সংগ্রহের জন্য তারা সুন্দরবনে প্রবেশ করেন। একই দিন বিকেলে শিবসা নদীর পূর্ব পাশে কুমড়ুখালী খাল এলাকায় তাদের আটক করে একটি বনদস্যু দল।
অভিযোগ রয়েছে, দুলাভাই বাহিনী’ নামে পরিচিত ওই দস্যু চক্র তাদের জিম্মি করে গভীর বনে নিয়ে যায় এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এ সময় তাদের দুইটি নৌকায় থাকা নগদ ৪২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
পরে পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসে আরও ৩৬ হাজার ৭০০ টাকা আদায় করে শনিবার ভোরে তাদের ছেড়ে দেয় দস্যুরা। এ সময় মৌয়ালদের নৌকার বিভিন্ন সরঞ্জামও লুট করে নেওয়া হয়।
মুক্তি পেয়ে তারা বন থেকে বের হয়ে বানিয়াখালি ফরেস্ট স্টেশনে আশ্রয় নেন।
এ বিষয়ে কয়রা থানা-র ওসি মো. শাহ আলম জানান, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন এবং ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা থানায় এলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের দাবি, সুন্দরবনে বনদস্যুদের দৌরাত্ম্য রোধে আরও কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান প্রয়োজন।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
সুন্দরবন-এ বনদস্যুদের কবলে পড়ে মুক্তিপণ দিয়ে অবশেষে বাড়ি ফিরেছেন খুলনার কয়রা উপজেলা-এর ১৩ জন মৌয়াল।
শনিবার তারা বানিয়াখালি ফরেস্ট স্টেশন-এ এসে আশ্রয় নেন। পরে সেখান থেকে নিজ নিজ বাড়িতে ফেরেন।
ভুক্তভোগী মৌয়ালদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৭ মে বন বিভাগের অনুমতি নিয়ে মধু সংগ্রহের জন্য তারা সুন্দরবনে প্রবেশ করেন। একই দিন বিকেলে শিবসা নদীর পূর্ব পাশে কুমড়ুখালী খাল এলাকায় তাদের আটক করে একটি বনদস্যু দল।
অভিযোগ রয়েছে, দুলাভাই বাহিনী’ নামে পরিচিত ওই দস্যু চক্র তাদের জিম্মি করে গভীর বনে নিয়ে যায় এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এ সময় তাদের দুইটি নৌকায় থাকা নগদ ৪২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
পরে পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসে আরও ৩৬ হাজার ৭০০ টাকা আদায় করে শনিবার ভোরে তাদের ছেড়ে দেয় দস্যুরা। এ সময় মৌয়ালদের নৌকার বিভিন্ন সরঞ্জামও লুট করে নেওয়া হয়।
মুক্তি পেয়ে তারা বন থেকে বের হয়ে বানিয়াখালি ফরেস্ট স্টেশনে আশ্রয় নেন।
এ বিষয়ে কয়রা থানা-র ওসি মো. শাহ আলম জানান, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন এবং ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা থানায় এলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের দাবি, সুন্দরবনে বনদস্যুদের দৌরাত্ম্য রোধে আরও কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান প্রয়োজন।
