মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

আতঙ্কে হাজারো পরিবার

মানিকগঞ্জে ভয়াবহ নদীভাঙন, হুমকিতে ঘরবাড়ি-ফসলি জমি

মানিকগঞ্জে ভয়াবহ নদীভাঙন, হুমকিতে ঘরবাড়ি-ফসলি জমি
ছবি : চেকপোস্ট

বর্ষা মৌসুমে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি এবং তীব্র স্রোতের কারণে মানিকগঞ্জের শিবালয় ও হরিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে নদীতীরবর্তী বসতভিটা, কৃষিজমি ও স্থানীয় সড়ক হুমকির মুখে পড়েছে। ভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটছে হাজারো মানুষের।

হরিরামপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর, আজিমনগর, কাঞ্চনপুর ও লেছড়াগঞ্জ ইউনিয়নের বিভিন্ন নদীতীরবর্তী এলাকায় ভাঙন সবচেয়ে বেশি দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে শিবালয় উপজেলার মান্ডাখোলা, পাটুরিয়া, তেওতা ও জাফরগঞ্জ এলাকার বিভিন্ন স্থানে নদীর তীব্র স্রোতে প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, নদীভাঙনের কারণে ইতোমধ্যে বহু কৃষিজমি নদীগর্ভে চলে গেছে। ঝুঁকিতে রয়েছে অসংখ্য বসতবাড়ি। অনেক পরিবার ঘরবাড়ি ও প্রয়োজনীয় মালামাল নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

স্থানীয়দের দাবি, নদীতীর রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলা এবং স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণে দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নদীভাঙনের পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এদিকে বর্ষা মৌসুমে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে শিবালয় ও হরিরামপুর উপজেলার আরও বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

Image

#মানিকগঞ্জ #নদীভাঙন #বর্ষা

চেকপোস্ট

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬


মানিকগঞ্জে ভয়াবহ নদীভাঙন, হুমকিতে ঘরবাড়ি-ফসলি জমি

প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬

featured Image

বর্ষা মৌসুমে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি এবং তীব্র স্রোতের কারণে মানিকগঞ্জের শিবালয় ও হরিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে নদীতীরবর্তী বসতভিটা, কৃষিজমি ও স্থানীয় সড়ক হুমকির মুখে পড়েছে। ভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটছে হাজারো মানুষের।

হরিরামপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর, আজিমনগর, কাঞ্চনপুর ও লেছড়াগঞ্জ ইউনিয়নের বিভিন্ন নদীতীরবর্তী এলাকায় ভাঙন সবচেয়ে বেশি দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে শিবালয় উপজেলার মান্ডাখোলা, পাটুরিয়া, তেওতা ও জাফরগঞ্জ এলাকার বিভিন্ন স্থানে নদীর তীব্র স্রোতে প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, নদীভাঙনের কারণে ইতোমধ্যে বহু কৃষিজমি নদীগর্ভে চলে গেছে। ঝুঁকিতে রয়েছে অসংখ্য বসতবাড়ি। অনেক পরিবার ঘরবাড়ি ও প্রয়োজনীয় মালামাল নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

স্থানীয়দের দাবি, নদীতীর রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলা এবং স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণে দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নদীভাঙনের পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এদিকে বর্ষা মৌসুমে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে শিবালয় ও হরিরামপুর উপজেলার আরও বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত