মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে প্রেমসংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগের তদন্তে আটক মাহিম নামে এক যুবক পুলিশের গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার পর সাড়ে তিন ঘণ্টা পর পুনরায় আটক হয়েছেন।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার আন্ধারমানিক বাজার ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দা, মাহিমের বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতায় তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
আটক মাহিম উপজেলার আন্ধারমানিক এলাকার দড়িকান্দি গ্রামের স্কুলশিক্ষক আলমাছ মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ছয় মাস আগে মাহিমের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর বিবাহবিচ্ছেদ হয়। সম্প্রতি ওই নারী দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরপর তাঁর নতুন স্বামী বা স্বামীর পরিবারের এক সদস্যের মেসেঞ্জারে কিছু ছবি পাঠানোর অভিযোগ ওঠে মাহিমের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় হরিরামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়।
অভিযোগটি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আফজাল হোসেন এসআই মো. ফারুক শেখকে দায়িত্ব দেন। এর ধারাবাহিকতায় শুক্রবার রাত ৯টার দিকে এসআই ফারুক শেখের নেতৃত্বে পুলিশ আন্ধারমানিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাহিমকে আটক করে।
পরে তাঁকে থানায় নেওয়ার জন্য পুলিশের গাড়িতে তোলা হয়। আন্ধারমানিক বাজার ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে মাহিম গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে যান বলে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এরপর তাঁকে ধরতে হরিরামপুর থানা পুলিশের একাধিক দল বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায়।
একপর্যায়ে রাত সাড়ে ১২টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দা, মাহিমের বন্ধু ও তাঁর বাবা-মায়ের সহযোগিতায় তাঁকে পুনরায় আটক করা হয়। পরে তাঁকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
তবে মাহিম পালানোর সময় তাঁর হাতে হাতকড়া ছিল কি না, এ বিষয়ে পুলিশ ও স্থানীয়দের বক্তব্যে ভিন্নতা রয়েছে। স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, তিনি হাতকড়া পরা অবস্থায় গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে যান। তবে পুলিশের দাবি, পালানোর সময় তাঁর হাতে হাতকড়া ছিল না।
হরিরামপুর থানার এসআই মো. ফারুক শেখ বলেন, মাহিমকে আটক করতে গেলে তিনি পালিয়ে যান। তখন তাঁর হাতে হাতকড়া ছিল না। পরে তাঁকে আটক করে থানায় পাঠানো হয়েছে।
ওসি মুহাম্মদ আফজাল হোসেন জানান, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মাহিমকে থানায় নিয়ে আসার জন্য পুলিশ সদস্যদের পাঠানো হয়েছিল। তিনি পুলিশের হেফাজত থেকে পালিয়ে যান। পরে সাড়ে তিন ঘণ্টা পর তাঁকে পুনরায় আটক করা হয়।
ওসি আরও জানান, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে শনিবার দুপুর ১২টার দিকে মাহিমকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে প্রেমসংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগের তদন্তে আটক মাহিম নামে এক যুবক পুলিশের গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার পর সাড়ে তিন ঘণ্টা পর পুনরায় আটক হয়েছেন।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার আন্ধারমানিক বাজার ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দা, মাহিমের বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতায় তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
আটক মাহিম উপজেলার আন্ধারমানিক এলাকার দড়িকান্দি গ্রামের স্কুলশিক্ষক আলমাছ মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ছয় মাস আগে মাহিমের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর বিবাহবিচ্ছেদ হয়। সম্প্রতি ওই নারী দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরপর তাঁর নতুন স্বামী বা স্বামীর পরিবারের এক সদস্যের মেসেঞ্জারে কিছু ছবি পাঠানোর অভিযোগ ওঠে মাহিমের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় হরিরামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়।
অভিযোগটি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আফজাল হোসেন এসআই মো. ফারুক শেখকে দায়িত্ব দেন। এর ধারাবাহিকতায় শুক্রবার রাত ৯টার দিকে এসআই ফারুক শেখের নেতৃত্বে পুলিশ আন্ধারমানিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাহিমকে আটক করে।
পরে তাঁকে থানায় নেওয়ার জন্য পুলিশের গাড়িতে তোলা হয়। আন্ধারমানিক বাজার ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে মাহিম গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে যান বলে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এরপর তাঁকে ধরতে হরিরামপুর থানা পুলিশের একাধিক দল বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায়।
একপর্যায়ে রাত সাড়ে ১২টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দা, মাহিমের বন্ধু ও তাঁর বাবা-মায়ের সহযোগিতায় তাঁকে পুনরায় আটক করা হয়। পরে তাঁকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
তবে মাহিম পালানোর সময় তাঁর হাতে হাতকড়া ছিল কি না, এ বিষয়ে পুলিশ ও স্থানীয়দের বক্তব্যে ভিন্নতা রয়েছে। স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, তিনি হাতকড়া পরা অবস্থায় গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে যান। তবে পুলিশের দাবি, পালানোর সময় তাঁর হাতে হাতকড়া ছিল না।
হরিরামপুর থানার এসআই মো. ফারুক শেখ বলেন, মাহিমকে আটক করতে গেলে তিনি পালিয়ে যান। তখন তাঁর হাতে হাতকড়া ছিল না। পরে তাঁকে আটক করে থানায় পাঠানো হয়েছে।
ওসি মুহাম্মদ আফজাল হোসেন জানান, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মাহিমকে থানায় নিয়ে আসার জন্য পুলিশ সদস্যদের পাঠানো হয়েছিল। তিনি পুলিশের হেফাজত থেকে পালিয়ে যান। পরে সাড়ে তিন ঘণ্টা পর তাঁকে পুনরায় আটক করা হয়।
ওসি আরও জানান, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে শনিবার দুপুর ১২টার দিকে মাহিমকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
