হবিগঞ্জের মাধবপুরে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মশতবর্ষের কর্মসূচি একই দিনে পালনের নির্দেশনা নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষকদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
শিক্ষকদের অভিযোগ, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাকিরুল ইসলামের নির্দেশনায় আগামীকাল (২৬ আগস্ট) বিদ্যালয়গুলোতে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালনের পাশাপাশি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের শতবর্ষ উপলক্ষে কর্মসূচি আয়োজনের কথা বলা হয়েছে।
একই দিনে দুটি কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা নিয়ে শিক্ষক সমাজের মধ্যে সিদ্ধান্তহীনতা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে মিলাদুন্নবী (সা.) পালনকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভিন্নমত ও নানা কর্মসূচির প্রেক্ষাপটে শিক্ষকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
শিক্ষকদের ভাষ্য, বিদ্যালয়ে দুটি কর্মসূচি কীভাবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় আয়োজন করা হবে, তা নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা প্রয়োজন। একই দিনে দুটি পৃথক কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে এর দায়ভার নিয়েও তারা উদ্বিগ্ন।
তাদের দাবি, শিক্ষকদের জন্য কর্মসূচির ধরন, সময়সূচি ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিষয়গুলো স্পষ্ট করে জানানো হলে বিভ্রান্তি কমবে এবং বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রমও বজায় রাখা সম্ভব হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
হবিগঞ্জের মাধবপুরে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মশতবর্ষের কর্মসূচি একই দিনে পালনের নির্দেশনা নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষকদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
শিক্ষকদের অভিযোগ, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাকিরুল ইসলামের নির্দেশনায় আগামীকাল (২৬ আগস্ট) বিদ্যালয়গুলোতে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালনের পাশাপাশি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের শতবর্ষ উপলক্ষে কর্মসূচি আয়োজনের কথা বলা হয়েছে।
একই দিনে দুটি কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা নিয়ে শিক্ষক সমাজের মধ্যে সিদ্ধান্তহীনতা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে মিলাদুন্নবী (সা.) পালনকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভিন্নমত ও নানা কর্মসূচির প্রেক্ষাপটে শিক্ষকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
শিক্ষকদের ভাষ্য, বিদ্যালয়ে দুটি কর্মসূচি কীভাবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় আয়োজন করা হবে, তা নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা প্রয়োজন। একই দিনে দুটি পৃথক কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে এর দায়ভার নিয়েও তারা উদ্বিগ্ন।
তাদের দাবি, শিক্ষকদের জন্য কর্মসূচির ধরন, সময়সূচি ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিষয়গুলো স্পষ্ট করে জানানো হলে বিভ্রান্তি কমবে এবং বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রমও বজায় রাখা সম্ভব হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
