মাদকের ভয়াল থাবা থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষায় সুনামগঞ্জের দিরাই পৌরশহরের বাগবাড়ি গ্রামবাসীর উদ্যোগে মাদক নির্মূল কমিটি গঠন করা হয়েছে। মোশাহিদ মিয়াকে আহ্বায়ক করে ৫১ সদস্যের এ কমিটি গঠন করা হয়।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বাদ জুমা উপজেলা মডেল মসজিদের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সভায় গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তি, যুবসমাজ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মোশাহিদ মিয়াকে আহ্বায়ক করে ৫১ সদস্যের মাদক নির্মূল কমিটি গঠন করা হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবন ধ্বংস করে না; এটি পরিবার, সমাজ ও দেশের ভবিষ্যতের জন্যও হুমকি তৈরি করে। মাদকের কারণে পারিবারিক অশান্তি, অপরাধপ্রবণতা, শিক্ষার অবনতি ও তরুণদের নৈতিক অবক্ষয় ঘটছে। তাই মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি।
সভা শেষে গ্রামবাসীরা মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
কমিটির আহ্বায়ক মোশাহিদ মিয়া বলেন, কমিটি গঠনের পর প্রথম কাজ হিসেবে গ্রামের প্রতিটি ঘরে মাদকবিরোধী প্রচারণা চালানো হবে।
তিনি গ্রামের কেউ মাদক ব্যবসা বা সেবনের সঙ্গে জড়িত থাকলে তা ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি ভবিষ্যতে কেউ মাদক ব্যবসা বা সেবনের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়ার কথা জানান তিনি।

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মাদকের ভয়াল থাবা থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষায় সুনামগঞ্জের দিরাই পৌরশহরের বাগবাড়ি গ্রামবাসীর উদ্যোগে মাদক নির্মূল কমিটি গঠন করা হয়েছে। মোশাহিদ মিয়াকে আহ্বায়ক করে ৫১ সদস্যের এ কমিটি গঠন করা হয়।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বাদ জুমা উপজেলা মডেল মসজিদের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সভায় গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তি, যুবসমাজ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মোশাহিদ মিয়াকে আহ্বায়ক করে ৫১ সদস্যের মাদক নির্মূল কমিটি গঠন করা হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবন ধ্বংস করে না; এটি পরিবার, সমাজ ও দেশের ভবিষ্যতের জন্যও হুমকি তৈরি করে। মাদকের কারণে পারিবারিক অশান্তি, অপরাধপ্রবণতা, শিক্ষার অবনতি ও তরুণদের নৈতিক অবক্ষয় ঘটছে। তাই মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি।
সভা শেষে গ্রামবাসীরা মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
কমিটির আহ্বায়ক মোশাহিদ মিয়া বলেন, কমিটি গঠনের পর প্রথম কাজ হিসেবে গ্রামের প্রতিটি ঘরে মাদকবিরোধী প্রচারণা চালানো হবে।
তিনি গ্রামের কেউ মাদক ব্যবসা বা সেবনের সঙ্গে জড়িত থাকলে তা ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি ভবিষ্যতে কেউ মাদক ব্যবসা বা সেবনের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়ার কথা জানান তিনি।
