ফরিদপুরের মধুখালীতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে মাদকসহ আটক হওয়ার মাত্র পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে এক ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু ঘিরে রহস্য তৈরি হয়েছে।
রোববার (২১ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইশতিয়াক আহম্মেদ প্রান্তের মৃত্যু হয়। তিনি মধুখালী পৌরসভার গোন্দারদিয়া এলাকার বাসিন্দা এবং প্রয়াত এস্কেন্দার হায়দারের সন্তান।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শনিবার দিবাগত রাতে ডিবি পুলিশ তার নিজ বাড়ি থেকে প্রান্তকে আটক করে। পরে সকালে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, তিনি হাসপাতালে মারা গেছেন।
নিহতের পরিবার অভিযোগ করেছে, পুলিশি হেফাজতে অতিরিক্ত নির্যাতনের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছে।
নিহতের চাচা মির্জা ইমরুল কায়েস বলেন, রাতে তাকে সুস্থ অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হলেও সকালে হাসপাতালে মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।
অন্যদিকে, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) সূত্র দাবি করেছে, অভিযান চালিয়ে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ তাকে আটক করা হয়। পরে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল এবং পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়, সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ব্রেন স্ট্রোক বা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্ত রিপোর্টের পরই প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।

রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
ফরিদপুরের মধুখালীতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে মাদকসহ আটক হওয়ার মাত্র পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে এক ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু ঘিরে রহস্য তৈরি হয়েছে।
রোববার (২১ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইশতিয়াক আহম্মেদ প্রান্তের মৃত্যু হয়। তিনি মধুখালী পৌরসভার গোন্দারদিয়া এলাকার বাসিন্দা এবং প্রয়াত এস্কেন্দার হায়দারের সন্তান।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শনিবার দিবাগত রাতে ডিবি পুলিশ তার নিজ বাড়ি থেকে প্রান্তকে আটক করে। পরে সকালে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, তিনি হাসপাতালে মারা গেছেন।
নিহতের পরিবার অভিযোগ করেছে, পুলিশি হেফাজতে অতিরিক্ত নির্যাতনের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছে।
নিহতের চাচা মির্জা ইমরুল কায়েস বলেন, রাতে তাকে সুস্থ অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হলেও সকালে হাসপাতালে মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।
অন্যদিকে, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) সূত্র দাবি করেছে, অভিযান চালিয়ে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ তাকে আটক করা হয়। পরে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল এবং পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়, সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ব্রেন স্ট্রোক বা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্ত রিপোর্টের পরই প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।
