চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় মাদক মামলার ৭ আসামিসহ মোট ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে পুলিশ।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়া ৭ জনের বিরুদ্ধে ৪টি নিয়মিত মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আরও ১৫ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বিশেষ অভিযান চলাকালে সদর থানা এলাকা থেকে ১০০ গ্রাম হেরোইন, শিবগঞ্জ থানা এলাকা থেকে ৭০ বোতল স্কাফ সিরাপ, ভোলাহাট থানা এলাকা থেকে ১৫ লিটার চোলাই মদ এবং জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে জেলার বিভিন্ন থানা ও ডিবি পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন।
পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন, জেলায় মাদকের বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। মাদক নির্মূলে পুলিশের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে কোনো ধরনের কিশোর গ্যাং বা সন্ত্রাসী কার্যক্রম গড়ে উঠতে দেওয়া হবে না। জেলার মানুষের জানমাল ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাবে।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় মাদক মামলার ৭ আসামিসহ মোট ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে পুলিশ।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়া ৭ জনের বিরুদ্ধে ৪টি নিয়মিত মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আরও ১৫ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বিশেষ অভিযান চলাকালে সদর থানা এলাকা থেকে ১০০ গ্রাম হেরোইন, শিবগঞ্জ থানা এলাকা থেকে ৭০ বোতল স্কাফ সিরাপ, ভোলাহাট থানা এলাকা থেকে ১৫ লিটার চোলাই মদ এবং জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে জেলার বিভিন্ন থানা ও ডিবি পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন।
পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন, জেলায় মাদকের বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। মাদক নির্মূলে পুলিশের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে কোনো ধরনের কিশোর গ্যাং বা সন্ত্রাসী কার্যক্রম গড়ে উঠতে দেওয়া হবে না। জেলার মানুষের জানমাল ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাবে।
