মাগুরায় ৬০ ব্যারেল ভোজ্যতেলবাহী ট্রাক ছিনতাইয়ের ঘটনায় চালককে হত্যা করে বিপুল পরিমাণ মালামাল লুটের অভিযোগে সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মাগুরা জেলা পুলিশ জানায়, নারায়ণগঞ্জ থেকে মাগুরার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া ট্রাকচালক আব্দুর রহমান (৫৮)-কে পথিমধ্যে পরিকল্পিতভাবে অপহরণ করে হত্যা করা হয়। পরে ট্রাকসহ ভোজ্যতেল লুট করে চক্রটি।
পরবর্তীতে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার খেদপাড়া এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় ট্রাকটি উদ্ধার করা হয়। ভেতর থেকে চালকের মরদেহও উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মাগুরা সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল অভিযান চালিয়ে প্রথমে আজাদ হোসেন ওরফে হিটলারকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আরও তিনজনকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন আজাদ হোসেন ওরফে হিটলার, বিকাশ সাহা, আব্দুল কুদ্দুস ও হারুন অর রশিদ। তাদের কাছ থেকে ৪৫ ব্যারেল ভোজ্যতেল, ৭টি খালি ব্যারেল ও নগদ ৩ লাখ ৭ হাজার ৭০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, এটি একটি পরিকল্পিত ও সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের কাজ। বাকি সদস্যদের শনাক্তে অভিযান চলছে।
মাগুরা পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন বলেন, জঘন্য এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
মাগুরায় ৬০ ব্যারেল ভোজ্যতেলবাহী ট্রাক ছিনতাইয়ের ঘটনায় চালককে হত্যা করে বিপুল পরিমাণ মালামাল লুটের অভিযোগে সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মাগুরা জেলা পুলিশ জানায়, নারায়ণগঞ্জ থেকে মাগুরার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া ট্রাকচালক আব্দুর রহমান (৫৮)-কে পথিমধ্যে পরিকল্পিতভাবে অপহরণ করে হত্যা করা হয়। পরে ট্রাকসহ ভোজ্যতেল লুট করে চক্রটি।
পরবর্তীতে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার খেদপাড়া এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় ট্রাকটি উদ্ধার করা হয়। ভেতর থেকে চালকের মরদেহও উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মাগুরা সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল অভিযান চালিয়ে প্রথমে আজাদ হোসেন ওরফে হিটলারকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আরও তিনজনকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন আজাদ হোসেন ওরফে হিটলার, বিকাশ সাহা, আব্দুল কুদ্দুস ও হারুন অর রশিদ। তাদের কাছ থেকে ৪৫ ব্যারেল ভোজ্যতেল, ৭টি খালি ব্যারেল ও নগদ ৩ লাখ ৭ হাজার ৭০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, এটি একটি পরিকল্পিত ও সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের কাজ। বাকি সদস্যদের শনাক্তে অভিযান চলছে।
মাগুরা পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন বলেন, জঘন্য এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
