সংকট নিরসনে কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে দৌড়ে রয়েছেন আব্বাস আরাঘচি। টানা পাকিস্তান ও ওমান সফরের পর তিনি এখন সেন্ট পিটার্সবার্গ পৌঁছেছেন, যেখানে ভ্লাদিমির পুতিন-এর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের কথা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সফরের মাধ্যমে ইরান শুধু নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতেই নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্র-কে একটি স্পষ্ট কূটনৈতিক বার্তাও দিতে চাইছে।
আল জাজিরা-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য যেকোনো আলোচনার আগে ইরান তাদের দীর্ঘদিনের মিত্র রাশিয়া-এর সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করছে। আরাঘচি জানিয়েছেন, এই বৈঠক যুদ্ধ পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক সংকট মোকাবিলায় তেহরান-মস্কো সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করবে।
সফরের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হরমুজ প্রণালি। এ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি এবং সম্ভাব্য অবরোধের বিরোধিতা করে আসছে ইরান। এ ইস্যুতে রাশিয়াও তেহরানকে সমর্থন দিয়ে আসছে।
হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া ও যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন শর্ত দিয়েছে। এতে প্রথমে যুদ্ধবিরতি ও অবরোধ প্রত্যাহারের প্রস্তাব রাখা হলেও পারমাণবিক আলোচনা আপাতত স্থগিত রাখার কৌশল নেওয়া হয়েছে।
রাশিয়া সফরের আগে আরাঘচি পাকিস্তান-এ সেনাপ্রধান আসিম মুনির-এর সঙ্গে বৈঠক করেন এবং ওমান-এর সুলতান হাইথাম বিন তারিক আল সাইদ-এর সঙ্গে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে আলোচনা করেন।
সব মিলিয়ে, আরাঘচির এই সফরের বার্তা স্পষ্ট ইরান আলোচনায় আগ্রহী হলেও একা নয়। রাশিয়ার মতো শক্তিশালী মিত্রকে পাশে রেখে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান থেকে আলোচনায় বসতে চায়।
বিশ্লেষকদের ধারণা, পুতিন-আরাঘচি বৈঠক মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা এবং সম্ভাব্য শান্তি আলোচনায় নতুন মোড় এনে দিতে পারে।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
সংকট নিরসনে কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে দৌড়ে রয়েছেন আব্বাস আরাঘচি। টানা পাকিস্তান ও ওমান সফরের পর তিনি এখন সেন্ট পিটার্সবার্গ পৌঁছেছেন, যেখানে ভ্লাদিমির পুতিন-এর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের কথা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সফরের মাধ্যমে ইরান শুধু নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতেই নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্র-কে একটি স্পষ্ট কূটনৈতিক বার্তাও দিতে চাইছে।
আল জাজিরা-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য যেকোনো আলোচনার আগে ইরান তাদের দীর্ঘদিনের মিত্র রাশিয়া-এর সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করছে। আরাঘচি জানিয়েছেন, এই বৈঠক যুদ্ধ পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক সংকট মোকাবিলায় তেহরান-মস্কো সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করবে।
সফরের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হরমুজ প্রণালি। এ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি এবং সম্ভাব্য অবরোধের বিরোধিতা করে আসছে ইরান। এ ইস্যুতে রাশিয়াও তেহরানকে সমর্থন দিয়ে আসছে।
হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া ও যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন শর্ত দিয়েছে। এতে প্রথমে যুদ্ধবিরতি ও অবরোধ প্রত্যাহারের প্রস্তাব রাখা হলেও পারমাণবিক আলোচনা আপাতত স্থগিত রাখার কৌশল নেওয়া হয়েছে।
রাশিয়া সফরের আগে আরাঘচি পাকিস্তান-এ সেনাপ্রধান আসিম মুনির-এর সঙ্গে বৈঠক করেন এবং ওমান-এর সুলতান হাইথাম বিন তারিক আল সাইদ-এর সঙ্গে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে আলোচনা করেন।
সব মিলিয়ে, আরাঘচির এই সফরের বার্তা স্পষ্ট ইরান আলোচনায় আগ্রহী হলেও একা নয়। রাশিয়ার মতো শক্তিশালী মিত্রকে পাশে রেখে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান থেকে আলোচনায় বসতে চায়।
বিশ্লেষকদের ধারণা, পুতিন-আরাঘচি বৈঠক মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা এবং সম্ভাব্য শান্তি আলোচনায় নতুন মোড় এনে দিতে পারে।
