প্রায় দুই মাসের সংঘাতের পর শান্তি আলোচনায় বসে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। তবে দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার বৈঠক শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয় পারস্পরিক কঠোর অবস্থানের কারণে।
যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও তা কতদিন স্থায়ী হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। কারণ একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরের ওপর নৌ অবরোধ আরোপ করেছে, অন্যদিকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ দিয়েছে তেহরান।
আলোচনার সম্ভাবনা কিছুটা এগোলেও পরবর্তীতে রাজনৈতিক টানাপোড়েন ও সফর বাতিলের ঘটনায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আলজাজিরা-এর তথ্য অনুযায়ী, মূলত পাঁচটি বড় শর্তে আটকে আছে দুই দেশের শান্তি আলোচনা।
যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করুক এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করুক।
তবে তেহরান বলছে, এটি তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি এবং প্রতিরক্ষার অংশ, তাই স্থায়ীভাবে বন্ধ করা সম্ভব নয়।
ইরানের কাছে প্রায় ৪০০ কেজি উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র চায় এটি তাদের হেফাজতে নিতে।
তবে ইরান তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। একই সঙ্গে রাশিয়া এই ইউরেনিয়াম সংরক্ষণের আগ্রহ দেখিয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরে অবরোধ আরোপ করেছে, যার জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে।
উভয় পক্ষই একে অপরের পদক্ষেপকে যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন বলে অভিযোগ করছে।
ইরান দাবি করছে, বিদেশে আটকে থাকা প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার সম্পদ ফেরত দিতে হবে এবং নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে।
তেহরান দাবি করেছে, সাম্প্রতিক হামলায় ক্ষতির জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে প্রায় ২৭০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই পাঁচটি ইস্যুর কোনোটিতেই কোনো পক্ষ ছাড় না দিলে আলোচনার অগ্রগতি খুবই কঠিন হবে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের এই কূটনৈতিক সংকট এখনো অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়ে গেছে।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রায় দুই মাসের সংঘাতের পর শান্তি আলোচনায় বসে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। তবে দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার বৈঠক শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয় পারস্পরিক কঠোর অবস্থানের কারণে।
যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও তা কতদিন স্থায়ী হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। কারণ একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরের ওপর নৌ অবরোধ আরোপ করেছে, অন্যদিকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ দিয়েছে তেহরান।
আলোচনার সম্ভাবনা কিছুটা এগোলেও পরবর্তীতে রাজনৈতিক টানাপোড়েন ও সফর বাতিলের ঘটনায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আলজাজিরা-এর তথ্য অনুযায়ী, মূলত পাঁচটি বড় শর্তে আটকে আছে দুই দেশের শান্তি আলোচনা।
যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করুক এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করুক।
তবে তেহরান বলছে, এটি তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি এবং প্রতিরক্ষার অংশ, তাই স্থায়ীভাবে বন্ধ করা সম্ভব নয়।
ইরানের কাছে প্রায় ৪০০ কেজি উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র চায় এটি তাদের হেফাজতে নিতে।
তবে ইরান তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। একই সঙ্গে রাশিয়া এই ইউরেনিয়াম সংরক্ষণের আগ্রহ দেখিয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরে অবরোধ আরোপ করেছে, যার জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে।
উভয় পক্ষই একে অপরের পদক্ষেপকে যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন বলে অভিযোগ করছে।
ইরান দাবি করছে, বিদেশে আটকে থাকা প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার সম্পদ ফেরত দিতে হবে এবং নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে।
তেহরান দাবি করেছে, সাম্প্রতিক হামলায় ক্ষতির জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে প্রায় ২৭০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই পাঁচটি ইস্যুর কোনোটিতেই কোনো পক্ষ ছাড় না দিলে আলোচনার অগ্রগতি খুবই কঠিন হবে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের এই কূটনৈতিক সংকট এখনো অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়ে গেছে।
