বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

অন্তত ৫ বছরের অভিজ্ঞতা

কানাডায় সাংবাদিকদের ফেলোশিপ, মিলবে সাড়ে ৪ লাখ টাকা

কানাডায় সাংবাদিকদের ফেলোশিপ, মিলবে সাড়ে ৪ লাখ টাকা
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় ২০২৫ সালে একটি প্রতিবাদ সমাবেশে ঝুঁকি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করছেন সাংবাদিকরা। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞ সাংবাদিকদের জন্য এক মাসের আবাসিক ফেলোশিপের সুযোগ দিচ্ছে কানাডার টরন্টো মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি (টিএমইউ)। এ কর্মসূচিতে নির্বাচিত সাংবাদিকদের যাতায়াত, থাকা-খাওয়াসহ সংশ্লিষ্ট খরচের জন্য সর্বোচ্চ ৫ হাজার কানাডীয় ডলার দেওয়া হবে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা।

বিশ্ববিদ্যালয়টির গ্লোবাল মাইগ্রেশন ইনস্টিটিউট ও ব্রিজিং ডিভাইডস জার্নালিজম ফেলোশিপের আওতায় কর্মরত ও ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকেরা আবেদন করতে পারবেন। অভিবাসন, সামাজিক সংহতি ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গবেষণার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পাশাপাশি পেশাগত দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ পাবেন নির্বাচিতরা।

কারা আবেদন করতে পারবেন?

ফেলোশিপে আবেদনের জন্য সাংবাদিকদের অভিবাসন, রাজনীতি, সামাজিক সমস্যা, বৈশ্বিক বিষয়াবলি অথবা অর্থনীতি নিয়ে কাজের অন্তত পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

এ কর্মসূচির মাধ্যমে নির্বাচিত সাংবাদিকেরা গবেষকদের সঙ্গে কাজ করা, অভিবাসন-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় অনুসন্ধান এবং গবেষণাভিত্তিক জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি গবেষণালব্ধ তথ্য কীভাবে কার্যকরভাবে সংবাদমাধ্যমে উপস্থাপন করা যায়, সে বিষয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতাও ভাগ করে নিতে পারবেন।

আবেদনকারীদের আন্তর্জাতিক পরিসরের জটিল বিষয় নিয়ে করা কাজের নমুনা জমা দিতে হবে। অভিবাসন বিষয়ে নিজেদের আগ্রহের ক্ষেত্রগুলোও আবেদনে উল্লেখ করতে হবে। তবে ফেলোশিপে অংশ নিতে টরন্টো মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের বাধ্যবাধকতা নেই।

আবেদনের শেষ সময় ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে ১ নভেম্বর বাংলাদেশ সময় রাত ১০টার মধ্যে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের সঙ্গে জমা দিতে হবে:

- সর্বোচ্চ চার পৃষ্ঠার জীবনবৃত্তান্ত (সিভি)।

- সর্বোচ্চ দুই পৃষ্ঠার কভার লেটার।

- প্রাসঙ্গিক কাজের দুই থেকে তিনটি নমুনা।

- রেসিডেন্সিতে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্য ও সম্ভাব্য কার্যক্রমের বিবরণ।

- পছন্দের একাডেমিক হোস্ট বা গবেষকের নাম প্রথম ও দ্বিতীয় পছন্দসহ।

কভার লেটারে ফেলোশিপটি সাংবাদিক হিসেবে আবেদনকারীর কাজকে কীভাবে সমৃদ্ধ করবে, তা ব্যাখ্যা করতে হবে। পাশাপাশি আবেদনকারীর আগ্রহের সঙ্গে গ্লোবাল মাইগ্রেশন ইনস্টিটিউট বা ব্রিজিং ডিভাইডসের গবেষণা ও চলমান প্রকল্পের সম্পর্ক তুলে ধরতে হবে।

রেসিডেন্সি চলাকালে মাঠপর্যায়ে গবেষণা, গণমাধ্যমবিষয়ক প্রশিক্ষণ, নিজস্ব গবেষণা প্রকল্প নিয়ে কর্মশালা এবং স্থানীয় সংস্থা বা সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে যোগাযোগের পরিকল্পনাও উল্লেখ করা যেতে পারে।

আবেদনকারীরা গ্লোবাল মাইগ্রেশন ইনস্টিটিউট বা ব্রিজিং ডিভাইডসের গবেষক দলের সদস্যদের মধ্য থেকে সম্ভাব্য একাডেমিক হোস্ট নির্বাচন করতে পারবেন। তবে আনা ট্রায়ানডাফিলিডু (Anna Triandafyllidou) এ কর্মসূচিতে একাডেমিক হোস্ট হতে পারবেন না। গবেষকের প্রাপ্যতা ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে চূড়ান্ত হোস্ট নির্ধারণ করা হবে।

কখন হবে ফেলোশিপ?

ফেলোশিপে অংশগ্রহণের সময় নির্ধারণ করতে হবে ২০২৭ সালের ১ মার্চ থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে। জুলাই ও আগস্ট মাস বাদে টানা ২০ থেকে ৩৫ দিনের জন্য এ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া যাবে।

কাজের নমুনা লিখিত হলে পিডিএফ ফরম্যাটে জমা দিতে হবে। অন্য ধরনের ডিজিটাল কনটেন্টের ক্ষেত্রে লিংক দেওয়া যাবে।

আবেদনকারীর কাজ প্রকাশ বা প্রচার করেছে এমন কোনো গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের সুপারভাইজার বা সম্পাদকের কাছ থেকে সুপারিশপত্র জমা দেওয়া যেতে পারে। তবে সুপারিশপত্র বাধ্যতামূলক নয়।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রার্থীদের ফলাফল ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে জানানো হবে।

আবেদনের আগে করণীয়: আবেদনপোর্টালে যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় নথি, অর্থসহায়তার শর্ত ও জমাদানের সময়সীমা যাচাই করে নিন।

#সাংবাদিকতাফেলোশিপ #কানাডায়উচ্চশিক্ষা #বিদেশেফেলোশিপ

চেকপোস্ট

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬


কানাডায় সাংবাদিকদের ফেলোশিপ, মিলবে সাড়ে ৪ লাখ টাকা

প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞ সাংবাদিকদের জন্য এক মাসের আবাসিক ফেলোশিপের সুযোগ দিচ্ছে কানাডার টরন্টো মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি (টিএমইউ)। এ কর্মসূচিতে নির্বাচিত সাংবাদিকদের যাতায়াত, থাকা-খাওয়াসহ সংশ্লিষ্ট খরচের জন্য সর্বোচ্চ ৫ হাজার কানাডীয় ডলার দেওয়া হবে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা।


বিশ্ববিদ্যালয়টির গ্লোবাল মাইগ্রেশন ইনস্টিটিউট ও ব্রিজিং ডিভাইডস জার্নালিজম ফেলোশিপের আওতায় কর্মরত ও ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকেরা আবেদন করতে পারবেন। অভিবাসন, সামাজিক সংহতি ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গবেষণার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পাশাপাশি পেশাগত দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ পাবেন নির্বাচিতরা।

কারা আবেদন করতে পারবেন?

ফেলোশিপে আবেদনের জন্য সাংবাদিকদের অভিবাসন, রাজনীতি, সামাজিক সমস্যা, বৈশ্বিক বিষয়াবলি অথবা অর্থনীতি নিয়ে কাজের অন্তত পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।


এ কর্মসূচির মাধ্যমে নির্বাচিত সাংবাদিকেরা গবেষকদের সঙ্গে কাজ করা, অভিবাসন-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় অনুসন্ধান এবং গবেষণাভিত্তিক জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি গবেষণালব্ধ তথ্য কীভাবে কার্যকরভাবে সংবাদমাধ্যমে উপস্থাপন করা যায়, সে বিষয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতাও ভাগ করে নিতে পারবেন।


আবেদনকারীদের আন্তর্জাতিক পরিসরের জটিল বিষয় নিয়ে করা কাজের নমুনা জমা দিতে হবে। অভিবাসন বিষয়ে নিজেদের আগ্রহের ক্ষেত্রগুলোও আবেদনে উল্লেখ করতে হবে। তবে ফেলোশিপে অংশ নিতে টরন্টো মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের বাধ্যবাধকতা নেই।

আবেদনের শেষ সময় ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে ১ নভেম্বর বাংলাদেশ সময় রাত ১০টার মধ্যে আবেদন করতে হবে।


আবেদনের সঙ্গে জমা দিতে হবে:

- সর্বোচ্চ চার পৃষ্ঠার জীবনবৃত্তান্ত (সিভি)।

- সর্বোচ্চ দুই পৃষ্ঠার কভার লেটার।

- প্রাসঙ্গিক কাজের দুই থেকে তিনটি নমুনা।

- রেসিডেন্সিতে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্য ও সম্ভাব্য কার্যক্রমের বিবরণ।

- পছন্দের একাডেমিক হোস্ট বা গবেষকের নাম প্রথম ও দ্বিতীয় পছন্দসহ।

কভার লেটারে ফেলোশিপটি সাংবাদিক হিসেবে আবেদনকারীর কাজকে কীভাবে সমৃদ্ধ করবে, তা ব্যাখ্যা করতে হবে। পাশাপাশি আবেদনকারীর আগ্রহের সঙ্গে গ্লোবাল মাইগ্রেশন ইনস্টিটিউট বা ব্রিজিং ডিভাইডসের গবেষণা ও চলমান প্রকল্পের সম্পর্ক তুলে ধরতে হবে।


রেসিডেন্সি চলাকালে মাঠপর্যায়ে গবেষণা, গণমাধ্যমবিষয়ক প্রশিক্ষণ, নিজস্ব গবেষণা প্রকল্প নিয়ে কর্মশালা এবং স্থানীয় সংস্থা বা সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে যোগাযোগের পরিকল্পনাও উল্লেখ করা যেতে পারে।


আবেদনকারীরা গ্লোবাল মাইগ্রেশন ইনস্টিটিউট বা ব্রিজিং ডিভাইডসের গবেষক দলের সদস্যদের মধ্য থেকে সম্ভাব্য একাডেমিক হোস্ট নির্বাচন করতে পারবেন। তবে আনা ট্রায়ানডাফিলিডু (Anna Triandafyllidou) এ কর্মসূচিতে একাডেমিক হোস্ট হতে পারবেন না। গবেষকের প্রাপ্যতা ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে চূড়ান্ত হোস্ট নির্ধারণ করা হবে।

কখন হবে ফেলোশিপ?

ফেলোশিপে অংশগ্রহণের সময় নির্ধারণ করতে হবে ২০২৭ সালের ১ মার্চ থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে। জুলাই ও আগস্ট মাস বাদে টানা ২০ থেকে ৩৫ দিনের জন্য এ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া যাবে।


কাজের নমুনা লিখিত হলে পিডিএফ ফরম্যাটে জমা দিতে হবে। অন্য ধরনের ডিজিটাল কনটেন্টের ক্ষেত্রে লিংক দেওয়া যাবে।


আবেদনকারীর কাজ প্রকাশ বা প্রচার করেছে এমন কোনো গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের সুপারভাইজার বা সম্পাদকের কাছ থেকে সুপারিশপত্র জমা দেওয়া যেতে পারে। তবে সুপারিশপত্র বাধ্যতামূলক নয়।


আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রার্থীদের ফলাফল ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে জানানো হবে।


আবেদনের আগে করণীয়: আবেদনপোর্টালে যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় নথি, অর্থসহায়তার শর্ত ও জমাদানের সময়সীমা যাচাই করে নিন।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত