শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

খেলা

লক্ষ্য তাড়া করতে চায় ক্যারিবীয়রা

মিরপুর টেস্টে চাপে বাংলাদেশ, ২০০ রানের লিড চান নাঈম!

মিরপুর টেস্টে চাপে বাংলাদেশ, ২০০ রানের লিড চান নাঈম!
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল। ছবি : সংগৃহীত

মিরপুর টেস্টে তিন দিন শেষে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৭৯ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারিয়েছে স্বাগতিকরা। প্রথম ইনিংসের ২৭ রানের লিডসহ বাংলাদেশের মোট লিড দাঁড়িয়েছে ১০৬ রানে। হাতে রয়েছে মাত্র চার উইকেট। এমন পরিস্থিতিতেও অন্তত ২০০ রানের লিড নেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশের অফ স্পিনার নাঈম হাসান। অন্যদিকে চতুর্থ দিনে দ্রুত বাকি উইকেট তুলে নিয়ে যেকোনো লক্ষ্য তাড়া করে জয়ের প্রত্যয় জানিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে দুই দলের প্রতিনিধিরা নিজেদের পরিকল্পনার কথা জানান। ব্যাটিং বিপর্যয় কাটিয়ে বড় সংগ্রহ গড়তে চায় বাংলাদেশ। বিপরীতে ক্যারিবীয়দের লক্ষ্য দ্রুত ইনিংস শেষ করে জয়ের পথে এগিয়ে যাওয়া।

তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৭৯ রান। আলোকস্বল্পতায় খেলা বন্ধ হওয়ার সময় জাকের আলী ও নাঈম হাসান দুজনই ১৮ রান করে অপরাজিত ছিলেন। সপ্তম উইকেটে তাদের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে এসেছে ২৬ রান।

চতুর্থ দিনের শুরুতে এই জুটিই বাংলাদেশের বড় ভরসা। ২০০ রানের লিড নিতে হলে আরও ৯৪ রান যোগ করতে হবে স্বাগতিকদের। কাজটি কঠিন হলেও আশা ছাড়ছেন না নাঈম।

দিনের খেলা শেষে তিনি বলেন, যত বেশি সম্ভব রান করার চেষ্টা করবেন তারা। জাকের আলীর সঙ্গে দীর্ঘ সময় ব্যাটিং করতে পারলে দলের জন্য ভালো হবে। ২০০ রানের লিড পেলেও সেটি সন্তোষজনক হবে বলে মনে করেন তিনি।

স্পিন সহায়ক উইকেটে রানই মূল লক্ষ্য

মিরপুরের উইকেটে স্পিনাররা বাড়তি সুবিধা পাচ্ছেন। কখনো বল ঘুরছে, আবার কখনো নিচু হয়ে আসছে। এমন উইকেটে শুধু উইকেট বাঁচিয়ে রাখার পরিবর্তে রান তোলার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন নাঈম।

নিজের ব্যাটিং পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি জানান, নির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামেননি। বলের আচরণ বুঝে খেলার চেষ্টা করেছেন। তার মতে, নিয়মিত রান তুলতে পারলে বোলারদের ওপরও চাপ তৈরি করা সম্ভব।

প্রথম ইনিংসে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছিলেন নাঈম। ৩৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২৪৫ রানে অলআউট করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। ফলে প্রথম ইনিংসে ২৭ রানের লিড পায় বাংলাদেশ।

কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে সেই সুবিধা ধরে রাখতে পারেনি স্বাগতিকরা। মাত্র ৩৫ রানের মধ্যে প্রথম পাঁচ ব্যাটারকে হারায় বাংলাদেশ। ৫৩ রানে ষষ্ঠ উইকেটের পতন ঘটে। ক্যারিবীয় অধিনায়ক রোস্টন চেজ ২৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। জোমেল ওয়ারিক্যান শিকার করেন আরও দুটি উইকেট।

নিজেদের ব্যাটিং ব্যর্থতা স্বীকার করে নাঈম বলেন, ফ্লাডলাইটের আলোয় বলের আচরণ কিছুটা পরিবর্তিত হচ্ছিল। কখনো বল সোজা আসছিল, আবার কখনো ঘুরছিল। তবে ওই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের ব্যাটারদের আরও ভালো করা উচিত ছিল বলে মনে করেন তিনি।

ছোট লক্ষ্য পেলেই জয়ের চেষ্টা করবে ক্যারিবীয়রা

বাংলাদেশের ব্যাটিং বিপর্যয়ে আত্মবিশ্বাসী ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে মিরপুরের স্পিন সহায়ক উইকেটে চতুর্থ ইনিংসে ব্যাটিং যে সহজ হবে না, সেটিও ভালোভাবে জানে সফরকারীরা।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং কোচ ফ্লয়েড রেইফার মনে করেন, এমন উইকেটে শুধু রক্ষণাত্মক ব্যাটিং করে টিকে থাকা সম্ভব নয়। ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে রান করার সুযোগ খুঁজতে হবে। কারণ একটি বল ঘুরলেও অন্যটি নিচু হয়ে আসতে পারে।

বাংলাদেশের স্পিন আক্রমণ মোকাবিলায় নিজেদের প্রস্তুতির কথাও জানিয়েছেন তিনি। রেইফার জানান, বাংলাদেশ সফরের আগে ভারতের চেন্নাইয়ে দুই সপ্তাহের ক্যাম্প করেছেন ক্যারিবীয় ক্রিকেটাররা। সেখানে স্পিন বোলিংয়ের বিপক্ষে দীর্ঘ সময় ব্যাটিং অনুশীলন করেছেন তারা।

তিনি বলেন, চেন্নাইয়ের প্রস্তুতি তাদের ব্যাটারদের স্পিন মোকাবিলায় আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। বাংলাদেশ চতুর্থ ইনিংসে যত রানের লক্ষ্যই দিক, সেটি তাড়া করে জয়ের চেষ্টা করবেন তারা।

তবে তার আগে বাংলাদেশের বাকি চার উইকেট দ্রুত তুলে নেওয়াই ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রধান লক্ষ্য। বিশেষ করে চতুর্থ দিনের প্রথম ঘণ্টাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন রেইফার। জাকের-নাঈমের জুটি ভাঙতে পারলে দ্রুত বাংলাদেশের ইনিংস গুটিয়ে ফেলার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করেন তিনি।

রেইফারের ধারণা, বাংলাদেশের লিড ১২৫ রানের আশপাশে আটকে রাখা গেলে সেই লক্ষ্য তাড়া করে জয় পাওয়া সম্ভব।

চতুর্থ দিনে দুই দলের দুই লক্ষ্য

তিন দিন শেষে মিরপুর টেস্টে কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে স্পিন সহায়ক উইকেটে ম্যাচের ভাগ্য এখনো পুরোপুরি নির্ধারিত হয়নি।

বাংলাদেশের লক্ষ্য জাকের আলী ও নাঈম হাসানের প্রতিরোধের ওপর ভর করে লিড অন্তত ২০০ রানে নিয়ে যাওয়া। অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পরিকল্পনা দ্রুত চার উইকেট তুলে নিয়ে ছোট লক্ষ্য তাড়া করা।

চতুর্থ দিনের প্রথম সেশনই নির্ধারণ করে দিতে পারে ম্যাচের গতিপথ। জাকের-নাঈম বড় জুটি গড়তে পারলে লড়াইয়ে ফিরতে পারে বাংলাদেশ। আর দ্রুত এই জুটি ভাঙতে পারলে জয়ের পথে অনেকটাই এগিয়ে যাবে ক্যারিবীয়রা।

#বাংলাদেশক্রিকেট #মিরপুরটেস্ট #বাংলাদেশবনামওয়েস্টইন্ডিজ

চেকপোস্ট

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬


মিরপুর টেস্টে চাপে বাংলাদেশ, ২০০ রানের লিড চান নাঈম!

প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

মিরপুর টেস্টে তিন দিন শেষে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৭৯ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারিয়েছে স্বাগতিকরা। প্রথম ইনিংসের ২৭ রানের লিডসহ বাংলাদেশের মোট লিড দাঁড়িয়েছে ১০৬ রানে। হাতে রয়েছে মাত্র চার উইকেট। এমন পরিস্থিতিতেও অন্তত ২০০ রানের লিড নেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশের অফ স্পিনার নাঈম হাসান। অন্যদিকে চতুর্থ দিনে দ্রুত বাকি উইকেট তুলে নিয়ে যেকোনো লক্ষ্য তাড়া করে জয়ের প্রত্যয় জানিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।


শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে দুই দলের প্রতিনিধিরা নিজেদের পরিকল্পনার কথা জানান। ব্যাটিং বিপর্যয় কাটিয়ে বড় সংগ্রহ গড়তে চায় বাংলাদেশ। বিপরীতে ক্যারিবীয়দের লক্ষ্য দ্রুত ইনিংস শেষ করে জয়ের পথে এগিয়ে যাওয়া।


তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৭৯ রান। আলোকস্বল্পতায় খেলা বন্ধ হওয়ার সময় জাকের আলী ও নাঈম হাসান দুজনই ১৮ রান করে অপরাজিত ছিলেন। সপ্তম উইকেটে তাদের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে এসেছে ২৬ রান।


চতুর্থ দিনের শুরুতে এই জুটিই বাংলাদেশের বড় ভরসা। ২০০ রানের লিড নিতে হলে আরও ৯৪ রান যোগ করতে হবে স্বাগতিকদের। কাজটি কঠিন হলেও আশা ছাড়ছেন না নাঈম।


দিনের খেলা শেষে তিনি বলেন, যত বেশি সম্ভব রান করার চেষ্টা করবেন তারা। জাকের আলীর সঙ্গে দীর্ঘ সময় ব্যাটিং করতে পারলে দলের জন্য ভালো হবে। ২০০ রানের লিড পেলেও সেটি সন্তোষজনক হবে বলে মনে করেন তিনি।


স্পিন সহায়ক উইকেটে রানই মূল লক্ষ্য


মিরপুরের উইকেটে স্পিনাররা বাড়তি সুবিধা পাচ্ছেন। কখনো বল ঘুরছে, আবার কখনো নিচু হয়ে আসছে। এমন উইকেটে শুধু উইকেট বাঁচিয়ে রাখার পরিবর্তে রান তোলার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন নাঈম।


নিজের ব্যাটিং পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি জানান, নির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামেননি। বলের আচরণ বুঝে খেলার চেষ্টা করেছেন। তার মতে, নিয়মিত রান তুলতে পারলে বোলারদের ওপরও চাপ তৈরি করা সম্ভব।


প্রথম ইনিংসে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছিলেন নাঈম। ৩৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২৪৫ রানে অলআউট করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। ফলে প্রথম ইনিংসে ২৭ রানের লিড পায় বাংলাদেশ।


কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে সেই সুবিধা ধরে রাখতে পারেনি স্বাগতিকরা। মাত্র ৩৫ রানের মধ্যে প্রথম পাঁচ ব্যাটারকে হারায় বাংলাদেশ। ৫৩ রানে ষষ্ঠ উইকেটের পতন ঘটে। ক্যারিবীয় অধিনায়ক রোস্টন চেজ ২৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। জোমেল ওয়ারিক্যান শিকার করেন আরও দুটি উইকেট।


নিজেদের ব্যাটিং ব্যর্থতা স্বীকার করে নাঈম বলেন, ফ্লাডলাইটের আলোয় বলের আচরণ কিছুটা পরিবর্তিত হচ্ছিল। কখনো বল সোজা আসছিল, আবার কখনো ঘুরছিল। তবে ওই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের ব্যাটারদের আরও ভালো করা উচিত ছিল বলে মনে করেন তিনি।


ছোট লক্ষ্য পেলেই জয়ের চেষ্টা করবে ক্যারিবীয়রা


বাংলাদেশের ব্যাটিং বিপর্যয়ে আত্মবিশ্বাসী ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে মিরপুরের স্পিন সহায়ক উইকেটে চতুর্থ ইনিংসে ব্যাটিং যে সহজ হবে না, সেটিও ভালোভাবে জানে সফরকারীরা।


ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং কোচ ফ্লয়েড রেইফার মনে করেন, এমন উইকেটে শুধু রক্ষণাত্মক ব্যাটিং করে টিকে থাকা সম্ভব নয়। ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে রান করার সুযোগ খুঁজতে হবে। কারণ একটি বল ঘুরলেও অন্যটি নিচু হয়ে আসতে পারে।


বাংলাদেশের স্পিন আক্রমণ মোকাবিলায় নিজেদের প্রস্তুতির কথাও জানিয়েছেন তিনি। রেইফার জানান, বাংলাদেশ সফরের আগে ভারতের চেন্নাইয়ে দুই সপ্তাহের ক্যাম্প করেছেন ক্যারিবীয় ক্রিকেটাররা। সেখানে স্পিন বোলিংয়ের বিপক্ষে দীর্ঘ সময় ব্যাটিং অনুশীলন করেছেন তারা।


তিনি বলেন, চেন্নাইয়ের প্রস্তুতি তাদের ব্যাটারদের স্পিন মোকাবিলায় আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। বাংলাদেশ চতুর্থ ইনিংসে যত রানের লক্ষ্যই দিক, সেটি তাড়া করে জয়ের চেষ্টা করবেন তারা।


তবে তার আগে বাংলাদেশের বাকি চার উইকেট দ্রুত তুলে নেওয়াই ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রধান লক্ষ্য। বিশেষ করে চতুর্থ দিনের প্রথম ঘণ্টাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন রেইফার। জাকের-নাঈমের জুটি ভাঙতে পারলে দ্রুত বাংলাদেশের ইনিংস গুটিয়ে ফেলার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করেন তিনি।


রেইফারের ধারণা, বাংলাদেশের লিড ১২৫ রানের আশপাশে আটকে রাখা গেলে সেই লক্ষ্য তাড়া করে জয় পাওয়া সম্ভব।


চতুর্থ দিনে দুই দলের দুই লক্ষ্য


তিন দিন শেষে মিরপুর টেস্টে কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে স্পিন সহায়ক উইকেটে ম্যাচের ভাগ্য এখনো পুরোপুরি নির্ধারিত হয়নি।


বাংলাদেশের লক্ষ্য জাকের আলী ও নাঈম হাসানের প্রতিরোধের ওপর ভর করে লিড অন্তত ২০০ রানে নিয়ে যাওয়া। অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পরিকল্পনা দ্রুত চার উইকেট তুলে নিয়ে ছোট লক্ষ্য তাড়া করা।


চতুর্থ দিনের প্রথম সেশনই নির্ধারণ করে দিতে পারে ম্যাচের গতিপথ। জাকের-নাঈম বড় জুটি গড়তে পারলে লড়াইয়ে ফিরতে পারে বাংলাদেশ। আর দ্রুত এই জুটি ভাঙতে পারলে জয়ের পথে অনেকটাই এগিয়ে যাবে ক্যারিবীয়রা।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত