কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৫৪৬ পিস ভারতীয় কিটক্যাট চকলেট উদ্ধার করেছে পুলিশ। সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে আনা এসব পণ্য জব্দ করা হলেও অভিযানের সময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
শুক্রবার (২৬ জুন) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভুরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন এবং ভুরুঙ্গামারী থানার এসআই জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে উপজেলার একটি সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২৭টি প্যাকেটে থাকা মোট ৫৪৬ পিস ভারতীয় কিটক্যাট চকলেট উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া চকলেটগুলো অবৈধভাবে ভারত থেকে বাংলাদেশে আনা হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দেশের বিভিন্ন এলাকায় বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে এগুলো মজুত করা হয়েছিল। তবে এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ভুরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন বলেন, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে পুলিশের নিয়মিত অভিযান চলছে। উদ্ধার হওয়া চকলেট জব্দ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে কোনো পণ্য দেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না বলেও তিনি জানান।
এদিকে স্থানীয়রা পুলিশের এ অভিযানের প্রশংসা করে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান রোধে এমন অভিযান আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন।

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৫৪৬ পিস ভারতীয় কিটক্যাট চকলেট উদ্ধার করেছে পুলিশ। সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে আনা এসব পণ্য জব্দ করা হলেও অভিযানের সময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
শুক্রবার (২৬ জুন) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভুরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন এবং ভুরুঙ্গামারী থানার এসআই জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে উপজেলার একটি সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২৭টি প্যাকেটে থাকা মোট ৫৪৬ পিস ভারতীয় কিটক্যাট চকলেট উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া চকলেটগুলো অবৈধভাবে ভারত থেকে বাংলাদেশে আনা হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দেশের বিভিন্ন এলাকায় বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে এগুলো মজুত করা হয়েছিল। তবে এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ভুরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন বলেন, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে পুলিশের নিয়মিত অভিযান চলছে। উদ্ধার হওয়া চকলেট জব্দ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে কোনো পণ্য দেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না বলেও তিনি জানান।
এদিকে স্থানীয়রা পুলিশের এ অভিযানের প্রশংসা করে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান রোধে এমন অভিযান আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন।
