মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ১৪ বছর বয়সী এক গৃহপরিচারিকাকে অপহরণ করে একটি স্থানে আটকে রেখে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে শ্রীমঙ্গল থানায় মামলা করেছেন। মামলার পর পুলিশ তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানা গেছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন-শ্রীমঙ্গল উপজেলার ইছবপুর এলাকার সাদিক মিয়ার ছেলে দুলাল মিয়া (৩১), শহরের মিশন রোড এলাকার তাউল মিয়ার ছেলে মো. জুয়েল মিয়া ওরফে সোহেল (২৬) এবং সোনার বাংলা রোড এলাকার মমিনুল ইসলামের ছেলে আল আমিন ইসলাম (২০)।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী শ্রীমঙ্গলে গৃহপরিচারিকার কাজ করত। অভিযোগ অনুযায়ী, তাকে অপহরণ করে একটি স্থানে নিয়ে গিয়ে দিনভর আটকে রাখা হয়। সেখানে অভিযুক্তরা তাকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে বিষয়টি জানতে পেরে ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা শ্রীমঙ্গল থানায় যোগাযোগ করেন। এরপর কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।
পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের পর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী কিশোরীর প্রয়োজনীয় আইনগত ও চিকিৎসাসংক্রান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে, মামলায় আনা অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ১৪ বছর বয়সী এক গৃহপরিচারিকাকে অপহরণ করে একটি স্থানে আটকে রেখে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে শ্রীমঙ্গল থানায় মামলা করেছেন। মামলার পর পুলিশ তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানা গেছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন-শ্রীমঙ্গল উপজেলার ইছবপুর এলাকার সাদিক মিয়ার ছেলে দুলাল মিয়া (৩১), শহরের মিশন রোড এলাকার তাউল মিয়ার ছেলে মো. জুয়েল মিয়া ওরফে সোহেল (২৬) এবং সোনার বাংলা রোড এলাকার মমিনুল ইসলামের ছেলে আল আমিন ইসলাম (২০)।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী শ্রীমঙ্গলে গৃহপরিচারিকার কাজ করত। অভিযোগ অনুযায়ী, তাকে অপহরণ করে একটি স্থানে নিয়ে গিয়ে দিনভর আটকে রাখা হয়। সেখানে অভিযুক্তরা তাকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে বিষয়টি জানতে পেরে ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা শ্রীমঙ্গল থানায় যোগাযোগ করেন। এরপর কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।
পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের পর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী কিশোরীর প্রয়োজনীয় আইনগত ও চিকিৎসাসংক্রান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে, মামলায় আনা অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
