খুলনা নগরীর খালিশপুরে গভীর রাতে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর বাহিরে বেরিয়ে দেখাযায় - ট্রান্সফরমারের বিদ্যুৎ সংযোগের তার কেটে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। এতে বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েন আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা। পরে বিদ্যুৎ অফিসে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে এসে সংযোগ সচল করার চেষ্টা করেন বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা। তবে রাত ৩ টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। ঘটনাটি ঘটেছে খুলনা নগরীর খালিশপুর থানার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ১২ নম্বর রোডে, এমদাদিয়া জামে মসজিদের পাশে।
স্থানীয়দের দাবি, গভীর রাতে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় প্রথমে বিষয়টি স্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিভ্রাট মনে হয়। পরে বাহিরে বেরিয়ে তারা দেখতে পান, ট্রান্সফরমারের সংযোগের তার কেটে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বিষয়টি বিদ্যুৎ অফিসে জানানো হলে বিদ্যুৎ অফিসের একটি গাড়ি এসে সংযোগ মেরামতের চেষ্টা করে। তবে রাতে বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়নি। আজ ৩০ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকাল সাড়ে ৫ টায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হয়।
স্থানীয়ওরা জানান কে বা কারা তার চুরির সঙ্গে জড়িত - এবিষয়ে তারা নিশ্চিত নন। তবে খালিশপুরে বিভিন্ন এলাকায় প্রায়ই এমন চুরির ঘটনা ঘটছে প্রতিনিয়ত বলে অভিযোগ করেন তারা। এতে একদিকে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের ভোগান্তি বাড়ছে, অন্যদিকে রাতের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্ধেগ তৈরি হয়েছে। তারা আরো জানান, বেশকিছু দিন ধরে খালিশপুর হাউজিং বাজার এলাকার বেশকিছু দোকানের বিদ্যুতের তার, আবাসিক এলাকার বিদ্যুতের তার, একাধিক বাড়ির ওয়াসার পানির মিটার চুরি হয়েছে। এব্যাপারে চোর শনাক্ত না হওয়ায় থানায় জিডি করা হলেও কোন প্রতিকার হয়নি। তারা আইন শৃংখলা বাহিনীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্ধেগ প্রকাশ করেছে।
নিউজপ্রিন্ট এলাকার শফি সেন্টালের বিপরীতে একটি বাড়িতে গভীর রাতে চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানাগেছে। এধরণের ঘটনা একাধিক বাড়িতে ঘটছে প্রতিনিয়ত। হাউজিং কিউ - ৪৬ বাড়ির পানির মিটার চুরি করে নিয়ে গেছে দুবৃত্তরা। এব্যাপারে অজ্ঞাতনামা পরিচয়ে থানায় জিডি করা হয়েছে। হাউজিং এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, রাত হলেই মাদক সেবিদের বিচরন বাড়ে হাউজিং এলাকায় এবং চুরি- ছিনতাইয়ের আশংকায় আতংকে থাকতে হয় সাধারণ মানুষের।
এক বাসিন্দা বলেন, বাড়িতে থাকার সময় হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে বাহিরে বের হয়ে দেখি বাসার সার্ভিসের তার কেটে নিয়ে গেছে। রাতের বেলায় এভাবে তার তার চুরি হওয়া খুবই আতংকের বিষয়। আরেক বাসিন্দার ভাষ্য, অনেকেই জানেন এসব কাজ কারা করে, কিন্তু ভয়ে কেউ মুখ খুলতে চান না। স্থানীয় আরেক বাসিন্দা বলেন, পরিবার নিয়ে বাহিরে বের হলেও এখন নিরাপত্তা নিয়ে শংকিত। তার ভাষায় এই বুঝি গলার চেইন ছিনতাই হলো, কিংবা হাত থেকে ফোন, নগদ টাকা ছিনিয়ে নিলো, এমন ভয় কাজ করে।
এসব ঘটনায় প্রশাসনের কার্যকর ভুমিকা নিয়ে আমাদের প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে, প্রশাসন আছে নাকি নিস্ক্রিয়। এদিকে খালিশপুর এলাকায় বারবার চুরি - ছিনতাইয়ের অভিযোগ ওঠায় স্থানীয়দের মাঝে উদ্ধেগ বাড়ছে। বিশেষ করে রাতের নিরাপত্তা জোরদার এবং বিদ্যুৎ সেবার গুরুত্বপূর্ণ তার চুরি ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি চান তারা। স্থানীয়দের দাবি শুধু চুরির পর সংযোগ মেরামত নয় - কারা এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং রাতে এলাকায় টহল আরোও কঠোর জোরদার করা জরুরি।
এবিষয়ে খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) মো: শাহাজাহান হোসেনের সঙ্গে এ প্রতিবেদকের কথা হলে তিনি জানান, বিদ্যুতের তার চুরির ঘটনায় এ পর্যন্ত ৫০ জনেরও অধিক চোরকে আটক করে চালান দেওয়া হয়েছে।
গতকালের ১২ নং রোডের ট্রান্সফারমার সংযোগের তার চুরির ব্যাপারে তিনি জানেন না। এব্যাপারে বিদ্যুৎ অফিস থেকে থানায় কোন অভিযোগ দেওয়া হয়নি। খালিশপুর পোর্ট স্কুল সংলগ্ন বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার চুরির বিষয়ে থানায় বিদ্যুৎ অফিস থেকে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন খালিশপুর হাউজিং এলাকায় চুরির ঘটনায় রাতের টহল আরো জোরদার করা হবে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
খুলনা নগরীর খালিশপুরে গভীর রাতে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর বাহিরে বেরিয়ে দেখাযায় - ট্রান্সফরমারের বিদ্যুৎ সংযোগের তার কেটে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। এতে বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েন আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা। পরে বিদ্যুৎ অফিসে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে এসে সংযোগ সচল করার চেষ্টা করেন বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা। তবে রাত ৩ টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। ঘটনাটি ঘটেছে খুলনা নগরীর খালিশপুর থানার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ১২ নম্বর রোডে, এমদাদিয়া জামে মসজিদের পাশে।
স্থানীয়দের দাবি, গভীর রাতে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় প্রথমে বিষয়টি স্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিভ্রাট মনে হয়। পরে বাহিরে বেরিয়ে তারা দেখতে পান, ট্রান্সফরমারের সংযোগের তার কেটে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বিষয়টি বিদ্যুৎ অফিসে জানানো হলে বিদ্যুৎ অফিসের একটি গাড়ি এসে সংযোগ মেরামতের চেষ্টা করে। তবে রাতে বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়নি। আজ ৩০ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকাল সাড়ে ৫ টায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হয়।
স্থানীয়ওরা জানান কে বা কারা তার চুরির সঙ্গে জড়িত - এবিষয়ে তারা নিশ্চিত নন। তবে খালিশপুরে বিভিন্ন এলাকায় প্রায়ই এমন চুরির ঘটনা ঘটছে প্রতিনিয়ত বলে অভিযোগ করেন তারা। এতে একদিকে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের ভোগান্তি বাড়ছে, অন্যদিকে রাতের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্ধেগ তৈরি হয়েছে। তারা আরো জানান, বেশকিছু দিন ধরে খালিশপুর হাউজিং বাজার এলাকার বেশকিছু দোকানের বিদ্যুতের তার, আবাসিক এলাকার বিদ্যুতের তার, একাধিক বাড়ির ওয়াসার পানির মিটার চুরি হয়েছে। এব্যাপারে চোর শনাক্ত না হওয়ায় থানায় জিডি করা হলেও কোন প্রতিকার হয়নি। তারা আইন শৃংখলা বাহিনীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্ধেগ প্রকাশ করেছে।
নিউজপ্রিন্ট এলাকার শফি সেন্টালের বিপরীতে একটি বাড়িতে গভীর রাতে চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানাগেছে। এধরণের ঘটনা একাধিক বাড়িতে ঘটছে প্রতিনিয়ত। হাউজিং কিউ - ৪৬ বাড়ির পানির মিটার চুরি করে নিয়ে গেছে দুবৃত্তরা। এব্যাপারে অজ্ঞাতনামা পরিচয়ে থানায় জিডি করা হয়েছে। হাউজিং এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, রাত হলেই মাদক সেবিদের বিচরন বাড়ে হাউজিং এলাকায় এবং চুরি- ছিনতাইয়ের আশংকায় আতংকে থাকতে হয় সাধারণ মানুষের।
এক বাসিন্দা বলেন, বাড়িতে থাকার সময় হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে বাহিরে বের হয়ে দেখি বাসার সার্ভিসের তার কেটে নিয়ে গেছে। রাতের বেলায় এভাবে তার তার চুরি হওয়া খুবই আতংকের বিষয়। আরেক বাসিন্দার ভাষ্য, অনেকেই জানেন এসব কাজ কারা করে, কিন্তু ভয়ে কেউ মুখ খুলতে চান না। স্থানীয় আরেক বাসিন্দা বলেন, পরিবার নিয়ে বাহিরে বের হলেও এখন নিরাপত্তা নিয়ে শংকিত। তার ভাষায় এই বুঝি গলার চেইন ছিনতাই হলো, কিংবা হাত থেকে ফোন, নগদ টাকা ছিনিয়ে নিলো, এমন ভয় কাজ করে।
এসব ঘটনায় প্রশাসনের কার্যকর ভুমিকা নিয়ে আমাদের প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে, প্রশাসন আছে নাকি নিস্ক্রিয়। এদিকে খালিশপুর এলাকায় বারবার চুরি - ছিনতাইয়ের অভিযোগ ওঠায় স্থানীয়দের মাঝে উদ্ধেগ বাড়ছে। বিশেষ করে রাতের নিরাপত্তা জোরদার এবং বিদ্যুৎ সেবার গুরুত্বপূর্ণ তার চুরি ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি চান তারা। স্থানীয়দের দাবি শুধু চুরির পর সংযোগ মেরামত নয় - কারা এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং রাতে এলাকায় টহল আরোও কঠোর জোরদার করা জরুরি।
এবিষয়ে খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) মো: শাহাজাহান হোসেনের সঙ্গে এ প্রতিবেদকের কথা হলে তিনি জানান, বিদ্যুতের তার চুরির ঘটনায় এ পর্যন্ত ৫০ জনেরও অধিক চোরকে আটক করে চালান দেওয়া হয়েছে।
গতকালের ১২ নং রোডের ট্রান্সফারমার সংযোগের তার চুরির ব্যাপারে তিনি জানেন না। এব্যাপারে বিদ্যুৎ অফিস থেকে থানায় কোন অভিযোগ দেওয়া হয়নি। খালিশপুর পোর্ট স্কুল সংলগ্ন বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার চুরির বিষয়ে থানায় বিদ্যুৎ অফিস থেকে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন খালিশপুর হাউজিং এলাকায় চুরির ঘটনায় রাতের টহল আরো জোরদার করা হবে।
