ভারতের মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রে বিয়ের নামে ভয়াবহ প্রতারণার ঘটনা সামনে এসেছে, যেখানে বিয়ের অনুষ্ঠানে ‘ভাই’ সেজে কন্যাদান করা ব্যক্তি আসলে কনের স্বামী ছিলেন।
ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ভুক্তভোগী রতন শর্মা কর্মজীবী ও পরিবারের পছন্দে একটি পাত্রীর সঙ্গে বিয়েতে সম্মত হন। পরে ধুমধাম করে ৭ মে বিয়ে সম্পন্ন হয়।
বিয়ের পর স্ত্রীর আচরণে সন্দেহ হলে রতন মোবাইল চ্যাট ঘেঁটে জানতে পারেন, অনুষ্ঠানে যিনি ‘ভাই’ সেজে কন্যাদান করেছিলেন, তিনি আসলে কনের স্বামী।
তদন্তে জানা যায়, কনে দীক্ষা মুদগল ও তার আসল স্বামী অজয় চৌহান পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই ভুয়া বিয়ের নাটক সাজিয়ে অর্থ ও গয়না হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী বিয়েতে প্রায় ৭ লাখ টাকা খরচ হয়। পরে তিনি পুলিশের কাছে এফআইআর দায়ের করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, এটি একটি সংঘবদ্ধ প্রতারণা চক্র, যারা একই কৌশলে একাধিকবার অর্থ আত্মসাৎ করেছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। ঘটনায় সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
ভারতের মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রে বিয়ের নামে ভয়াবহ প্রতারণার ঘটনা সামনে এসেছে, যেখানে বিয়ের অনুষ্ঠানে ‘ভাই’ সেজে কন্যাদান করা ব্যক্তি আসলে কনের স্বামী ছিলেন।
ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ভুক্তভোগী রতন শর্মা কর্মজীবী ও পরিবারের পছন্দে একটি পাত্রীর সঙ্গে বিয়েতে সম্মত হন। পরে ধুমধাম করে ৭ মে বিয়ে সম্পন্ন হয়।
বিয়ের পর স্ত্রীর আচরণে সন্দেহ হলে রতন মোবাইল চ্যাট ঘেঁটে জানতে পারেন, অনুষ্ঠানে যিনি ‘ভাই’ সেজে কন্যাদান করেছিলেন, তিনি আসলে কনের স্বামী।
তদন্তে জানা যায়, কনে দীক্ষা মুদগল ও তার আসল স্বামী অজয় চৌহান পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই ভুয়া বিয়ের নাটক সাজিয়ে অর্থ ও গয়না হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী বিয়েতে প্রায় ৭ লাখ টাকা খরচ হয়। পরে তিনি পুলিশের কাছে এফআইআর দায়ের করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, এটি একটি সংঘবদ্ধ প্রতারণা চক্র, যারা একই কৌশলে একাধিকবার অর্থ আত্মসাৎ করেছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। ঘটনায় সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
