শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

লাইফস্টাইল

হরমোন ও স্কিন সমস্যার সম্পর্ক

ব্রেকআপের পর ব্রণ কেন বাড়ে? মানসিক চাপেই কি ত্বকের সমস্যা জেনে নিন

ব্রেকআপের পর ব্রণ কেন বাড়ে? মানসিক চাপেই কি ত্বকের সমস্যা জেনে নিন
ছবি : সংগৃহীত

ব্রেকআপ, মানসিক চাপ বা দীর্ঘদিনের দুশ্চিন্তার পর হঠাৎ মুখে ব্রণ বেড়ে যাওয়া কিংবা একজিমা ও চুলকানির সমস্যা দেখা দেওয়া অনেকেরই পরিচিত অভিজ্ঞতা। অনেকেই এটিকে কাকতালীয় মনে করলেও চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, মানসিক চাপ ও ত্বকের স্বাস্থ্যের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীর ও মস্তিষ্কের বিকাশ একই ধরনের কোষ থেকে শুরু হয়। তাই মানসিক অবস্থার প্রভাব সরাসরি ত্বকের ওপর পড়তে পারে। দীর্ঘস্থায়ী স্ট্রেস ব্রণ, একজিমা, সোরিয়াসিস ও আমবাতের মতো চর্মরোগকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

মানসিক চাপ তৈরি হলে শরীরে কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিন হরমোন বেড়ে যায়। দীর্ঘ সময় এই হরমোন বেশি থাকলে শরীরে প্রদাহ বৃদ্ধি পায়, যা ত্বকের বিভিন্ন সমস্যাকে তীব্র করে তোলে।

চাপের সময় ত্বকের তৈলগ্রন্থি বেশি সক্রিয় হয়ে পড়ে, ফলে অতিরিক্ত সিবাম উৎপন্ন হয়। এটি লোমকূপ বন্ধ করে ব্রণ তৈরির পরিবেশ তৈরি করে। তাই পরীক্ষার চাপ, সম্পর্কের টানাপোড়েন বা মানসিক উদ্বেগের সময় অনেকের মুখে হঠাৎ ব্রণ দেখা যায়।

দীর্ঘস্থায়ী স্ট্রেস ত্বকের প্রাকৃতিক সুরক্ষা স্তর দুর্বল করে দেয়। এতে ত্বক শুষ্ক, সংবেদনশীল ও খসখসে হয়ে যেতে পারে এবং চুলকানি বা জ্বালাপোড়ার সমস্যাও বাড়ে।

এছাড়া মানসিক চাপ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে, ফলে ত্বকে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে এবং আগের সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হয়ে পড়ে। অনেক সময় চুলকানি ও মানসিক চাপ একে অপরকে বাড়িয়ে একটি দুষ্টচক্র তৈরি করে।

ঘুমের ঘাটতিও এই সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ত্বক নিজেকে পুনরুদ্ধার করতে পারে না, ফলে ব্রণ ও প্রদাহ আরও বেড়ে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং মাইন্ডফুলনেস চর্চার মাধ্যমে মানসিক চাপ কমালে ত্বকের অবস্থারও উন্নতি সম্ভব।

#ত্বকেরসমস্যা #মানসিকচাপ #ব্রণসমস্যা

চেকপোস্ট

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬


ব্রেকআপের পর ব্রণ কেন বাড়ে? মানসিক চাপেই কি ত্বকের সমস্যা জেনে নিন

প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬

featured Image

ব্রেকআপ, মানসিক চাপ বা দীর্ঘদিনের দুশ্চিন্তার পর হঠাৎ মুখে ব্রণ বেড়ে যাওয়া কিংবা একজিমা ও চুলকানির সমস্যা দেখা দেওয়া অনেকেরই পরিচিত অভিজ্ঞতা। অনেকেই এটিকে কাকতালীয় মনে করলেও চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, মানসিক চাপ ও ত্বকের স্বাস্থ্যের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীর ও মস্তিষ্কের বিকাশ একই ধরনের কোষ থেকে শুরু হয়। তাই মানসিক অবস্থার প্রভাব সরাসরি ত্বকের ওপর পড়তে পারে। দীর্ঘস্থায়ী স্ট্রেস ব্রণ, একজিমা, সোরিয়াসিস ও আমবাতের মতো চর্মরোগকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

মানসিক চাপ তৈরি হলে শরীরে কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিন হরমোন বেড়ে যায়। দীর্ঘ সময় এই হরমোন বেশি থাকলে শরীরে প্রদাহ বৃদ্ধি পায়, যা ত্বকের বিভিন্ন সমস্যাকে তীব্র করে তোলে।

চাপের সময় ত্বকের তৈলগ্রন্থি বেশি সক্রিয় হয়ে পড়ে, ফলে অতিরিক্ত সিবাম উৎপন্ন হয়। এটি লোমকূপ বন্ধ করে ব্রণ তৈরির পরিবেশ তৈরি করে। তাই পরীক্ষার চাপ, সম্পর্কের টানাপোড়েন বা মানসিক উদ্বেগের সময় অনেকের মুখে হঠাৎ ব্রণ দেখা যায়।

দীর্ঘস্থায়ী স্ট্রেস ত্বকের প্রাকৃতিক সুরক্ষা স্তর দুর্বল করে দেয়। এতে ত্বক শুষ্ক, সংবেদনশীল ও খসখসে হয়ে যেতে পারে এবং চুলকানি বা জ্বালাপোড়ার সমস্যাও বাড়ে।

এছাড়া মানসিক চাপ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে, ফলে ত্বকে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে এবং আগের সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হয়ে পড়ে। অনেক সময় চুলকানি ও মানসিক চাপ একে অপরকে বাড়িয়ে একটি দুষ্টচক্র তৈরি করে।

ঘুমের ঘাটতিও এই সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ত্বক নিজেকে পুনরুদ্ধার করতে পারে না, ফলে ব্রণ ও প্রদাহ আরও বেড়ে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং মাইন্ডফুলনেস চর্চার মাধ্যমে মানসিক চাপ কমালে ত্বকের অবস্থারও উন্নতি সম্ভব।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত