পাবনার বেড়া উপজেলার তারাপুর গ্রামে মৃত ব্যক্তির লাশ নিজ গ্রামের কবরস্থানে দাফন করতে না দেওয়ার মতো অমানবিক ঘটনা ঘটেছে, যা এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
জানা যায়, তারাপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক (৭০) গত ৬ মে রাতে নতুন ভারেঙ্গা ইউনিয়নের নেওলাইপাড়া গ্রামে তার শ্বশুরবাড়িতে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুর পর পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে নিজ গ্রামের কবরস্থানে দাফনের উদ্যোগ নেওয়া হলে স্থানীয়দের বাধার মুখে পড়তে হয়।
পূর্বের একটি হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। ২০২৫ সালের ২৫ জুলাই মসজিদকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে দুইজন নিহত হওয়ার ঘটনায় মামলা হলে আসামি পক্ষ এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে তাদের বাড়িতে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটে।
পরিবারের অভিযোগ, বহু অনুরোধ সত্ত্বেও গ্রামের কবরস্থানে দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়নি, বরং লাশ নিয়ে গেলে হুমকি দেওয়া হয়। বাধ্য হয়ে শেষ পর্যন্ত আব্দুর রাজ্জাককে তার শ্বশুরবাড়ির এলাকার কবরস্থানে দাফন করা হয়।
মৃতের বড় ছেলে হাসান কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার বাবা নিজের গ্রামে, নিজের পরিবারের কবরের পাশে শায়িত হতে পারলেন না-এ কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।
এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট মামলার আসামিরাও নিরাপত্তার অভাবে এলাকায় ফিরতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেছেন এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
পাবনার বেড়া উপজেলার তারাপুর গ্রামে মৃত ব্যক্তির লাশ নিজ গ্রামের কবরস্থানে দাফন করতে না দেওয়ার মতো অমানবিক ঘটনা ঘটেছে, যা এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
জানা যায়, তারাপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক (৭০) গত ৬ মে রাতে নতুন ভারেঙ্গা ইউনিয়নের নেওলাইপাড়া গ্রামে তার শ্বশুরবাড়িতে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুর পর পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে নিজ গ্রামের কবরস্থানে দাফনের উদ্যোগ নেওয়া হলে স্থানীয়দের বাধার মুখে পড়তে হয়।
পূর্বের একটি হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। ২০২৫ সালের ২৫ জুলাই মসজিদকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে দুইজন নিহত হওয়ার ঘটনায় মামলা হলে আসামি পক্ষ এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে তাদের বাড়িতে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটে।
পরিবারের অভিযোগ, বহু অনুরোধ সত্ত্বেও গ্রামের কবরস্থানে দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়নি, বরং লাশ নিয়ে গেলে হুমকি দেওয়া হয়। বাধ্য হয়ে শেষ পর্যন্ত আব্দুর রাজ্জাককে তার শ্বশুরবাড়ির এলাকার কবরস্থানে দাফন করা হয়।
মৃতের বড় ছেলে হাসান কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার বাবা নিজের গ্রামে, নিজের পরিবারের কবরের পাশে শায়িত হতে পারলেন না-এ কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।
এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট মামলার আসামিরাও নিরাপত্তার অভাবে এলাকায় ফিরতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেছেন এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
