বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

গরু পালনেই সফল নাজিম

টুঙ্গিপাড়ায় প্রবাস ফেরত নাজিমের খামার: বছরে ১০ লাখ টাকা লাভের সম্ভাবনা

টুঙ্গিপাড়ায় প্রবাস ফেরত নাজিমের খামার: বছরে ১০ লাখ টাকা লাভের সম্ভাবনা
ছবি: চেকপোস্ট

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় প্রবাস জীবন ছেড়ে দেশে ফিরে গরুর খামার গড়ে তুলে সফলতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন যুবক মোঃ নাজিম মুন্সি। তার প্রতিষ্ঠিত ‘ফাহাদ এম ফার্ম’ এখন এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

২০১৭ সালে জীবিকার সন্ধানে বিদেশে পাড়ি জমান নাজিম। প্রবাসে থাকাকালীন ইউটিউবে বিভিন্ন খামারের ভিডিও দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশে ফিরে কিছু করার সিদ্ধান্ত নেন। সেই ভাবনা থেকেই ২০২৩ সালে মাত্র ৫টি গরু দিয়ে খামারের যাত্রা শুরু করেন তিনি। এক বছরের মধ্যে গরুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১২টিতে, বর্তমানে তার খামারে রয়েছে ১৫টি বড় আকারের গরু।

খামারে থাকা গরুগুলোর উচ্চতা ও ওজন বেশ নজরকাড়া। অধিকাংশ গরুই প্রায় ৭ ফুট লম্বা এবং ৫ ফুট উঁচু। কোনো কোনো গরুর ওজন ১৪-১৫ মণ পর্যন্ত। খামারে শাহীওয়াল, গির এবং ব্রাহামা জাতের গরু রয়েছে। প্রাকৃতিক খাদ্য যেমন ঘাস, খড় ও ভুষি খাইয়ে, কোনো ধরনের ক্ষতিকর হরমোন ছাড়াই গরুগুলো লালন-পালন করা হচ্ছে।

তবে সফলতার মাঝেও ক্ষোভ রয়েছে নাজিমের। তার অভিযোগ, এত বড় খামার গড়ে তুললেও উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে কোনো ধরনের সহযোগিতা বা পরামর্শ পাননি। সরকারি সহায়তা পেলে খামারটি আরও বড় করার পরিকল্পনা রয়েছে তার।

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে গরুগুলো বিক্রির প্রস্তুতি নিয়েছেন তিনি। তার আশা, ভালো দাম পেলে এবার প্রায় ১০ লাখ টাকা লাভ করতে পারবেন।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা প্রকাশ বিশ্বাসের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

#টুঙ্গিপাড়া_খবর #খামার #প্রবাসফেরত

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬


টুঙ্গিপাড়ায় প্রবাস ফেরত নাজিমের খামার: বছরে ১০ লাখ টাকা লাভের সম্ভাবনা

প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬

featured Image

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় প্রবাস জীবন ছেড়ে দেশে ফিরে গরুর খামার গড়ে তুলে সফলতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন যুবক মোঃ নাজিম মুন্সি। তার প্রতিষ্ঠিত ‘ফাহাদ এম ফার্ম’ এখন এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

২০১৭ সালে জীবিকার সন্ধানে বিদেশে পাড়ি জমান নাজিম। প্রবাসে থাকাকালীন ইউটিউবে বিভিন্ন খামারের ভিডিও দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশে ফিরে কিছু করার সিদ্ধান্ত নেন। সেই ভাবনা থেকেই ২০২৩ সালে মাত্র ৫টি গরু দিয়ে খামারের যাত্রা শুরু করেন তিনি। এক বছরের মধ্যে গরুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১২টিতে, বর্তমানে তার খামারে রয়েছে ১৫টি বড় আকারের গরু।

খামারে থাকা গরুগুলোর উচ্চতা ও ওজন বেশ নজরকাড়া। অধিকাংশ গরুই প্রায় ৭ ফুট লম্বা এবং ৫ ফুট উঁচু। কোনো কোনো গরুর ওজন ১৪-১৫ মণ পর্যন্ত। খামারে শাহীওয়াল, গির এবং ব্রাহামা জাতের গরু রয়েছে। প্রাকৃতিক খাদ্য যেমন ঘাস, খড় ও ভুষি খাইয়ে, কোনো ধরনের ক্ষতিকর হরমোন ছাড়াই গরুগুলো লালন-পালন করা হচ্ছে।

তবে সফলতার মাঝেও ক্ষোভ রয়েছে নাজিমের। তার অভিযোগ, এত বড় খামার গড়ে তুললেও উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে কোনো ধরনের সহযোগিতা বা পরামর্শ পাননি। সরকারি সহায়তা পেলে খামারটি আরও বড় করার পরিকল্পনা রয়েছে তার।

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে গরুগুলো বিক্রির প্রস্তুতি নিয়েছেন তিনি। তার আশা, ভালো দাম পেলে এবার প্রায় ১০ লাখ টাকা লাভ করতে পারবেন।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা প্রকাশ বিশ্বাসের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত