সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ নিবন্ধ ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নবম-দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে ১৯৭১ সালের তাঁর একটি ডায়েরির ছবিও বইয়ে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির (এনসিসিসি) গত ২৪ আগস্টের সভায় নিবন্ধটি পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্তির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। এনসিটিবি জানিয়েছে, নতুন শিক্ষাবর্ষে নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ বইয়ে এটি নতুন গদ্য হিসেবে স্থান পাবে।
পাঠ্যবইয়ের প্রস্তাবিত অংশে চট্টগ্রামে পাকিস্তানি বাহিনীর গতিবিধি, ২৫-২৬ মার্চের পরিস্থিতি, ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিরোধ এবং ২৬ মার্চ রাতে যুদ্ধের প্রস্তুতির কথা বর্ণনা করা হয়েছে। পাশাপাশি ২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রের ঘটনাও রয়েছে।
প্রবন্ধের আগে দেওয়া ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা কোনো একক ব্যক্তি বা দলের কৃতিত্ব নয়। সেখানে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে সোহরাওয়ার্দী, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, মওলানা ভাসানী, শেখ মুজিবুর রহমান, জিয়াউর রহমান ও তাজউদ্দীন আহমদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে পাঠ্যবইয়ের বর্ণনাতেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পরিবর্তন এসেছে। ২০২৫ সালের বইয়ে ২৬ মার্চ জিয়াউর রহমানের ঘোষণা এবং ২৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে তাঁর ঘোষণা পাঠের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। এ বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক বিতর্কও রয়েছে।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ নিবন্ধ ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নবম-দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে ১৯৭১ সালের তাঁর একটি ডায়েরির ছবিও বইয়ে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির (এনসিসিসি) গত ২৪ আগস্টের সভায় নিবন্ধটি পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্তির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। এনসিটিবি জানিয়েছে, নতুন শিক্ষাবর্ষে নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ বইয়ে এটি নতুন গদ্য হিসেবে স্থান পাবে।
পাঠ্যবইয়ের প্রস্তাবিত অংশে চট্টগ্রামে পাকিস্তানি বাহিনীর গতিবিধি, ২৫-২৬ মার্চের পরিস্থিতি, ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিরোধ এবং ২৬ মার্চ রাতে যুদ্ধের প্রস্তুতির কথা বর্ণনা করা হয়েছে। পাশাপাশি ২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রের ঘটনাও রয়েছে।
প্রবন্ধের আগে দেওয়া ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা কোনো একক ব্যক্তি বা দলের কৃতিত্ব নয়। সেখানে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে সোহরাওয়ার্দী, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, মওলানা ভাসানী, শেখ মুজিবুর রহমান, জিয়াউর রহমান ও তাজউদ্দীন আহমদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে পাঠ্যবইয়ের বর্ণনাতেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পরিবর্তন এসেছে। ২০২৫ সালের বইয়ে ২৬ মার্চ জিয়াউর রহমানের ঘোষণা এবং ২৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে তাঁর ঘোষণা পাঠের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। এ বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক বিতর্কও রয়েছে।
