বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

জ্বালানি–যুদ্ধে কৃষিতে বড় প্রভাব

বিশ্বে খাদ্য সংকটের শঙ্কা, সতর্ক এফএও

বিশ্বে খাদ্য সংকটের শঙ্কা, সতর্ক এফএও
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বজুড়ে তীব্র খাদ্য সংকটের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)। সংস্থাটি বলছে, হরমুজ প্রণালি-তে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থার কারণে কৃষি উপকরণের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।

এই পরিস্থিতির পেছনে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রইসরায়েল-এর সামরিক উত্তেজনাকে বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে বিঘ্ন ঘটলে সারের দাম বেড়ে যেতে পারে এবং এর ফলে বৈশ্বিক কৃষি উৎপাদন প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। এতে সরাসরি প্রভাব পড়বে খাদ্যপণ্যের দামে।

আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এফএও’র প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো তোরিও বলেন, পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যাচ্ছে এবং ফসল রোপণ ও কাটার সময়সূচির ওপর চাপ বাড়ছে।

তিনি জানান, এশিয়ার কিছু দেশে ইতোমধ্যে বীজ বপনের সময় পেরিয়ে গেছে। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রব্রাজিল-এর মতো বড় রপ্তানিকারক দেশগুলো বিকল্প ফসল চাষে ঝুঁকতে পারে, যেমন সয়াবিন।

এদিকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় অনেক কৃষক জৈব জ্বালানি উৎপাদনের দিকেও ঝুঁকছেন। এর ফলে খাদ্যপণ্যের সরবরাহ আরও কমে যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গম ও সয়াবিনের দাম ইতোমধ্যেই বাড়তে শুরু করেছে এবং বছরের দ্বিতীয়ার্ধে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। আগামী বছরে বৈশ্বিক খাদ্য মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এফএও সতর্ক করে বলেছে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই সংকট আরও তীব্র হতে পারে, তাই এখনই সমন্বিত বৈশ্বিক পদক্ষেপ জরুরি।

#খাদ্য_সংকট #বিশ্ব_অর্থনীতি #এফএও

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬


বিশ্বে খাদ্য সংকটের শঙ্কা, সতর্ক এফএও

প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬

featured Image

বিশ্বজুড়ে তীব্র খাদ্য সংকটের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)। সংস্থাটি বলছে, হরমুজ প্রণালি-তে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থার কারণে কৃষি উপকরণের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।

এই পরিস্থিতির পেছনে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রইসরায়েল-এর সামরিক উত্তেজনাকে বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে বিঘ্ন ঘটলে সারের দাম বেড়ে যেতে পারে এবং এর ফলে বৈশ্বিক কৃষি উৎপাদন প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। এতে সরাসরি প্রভাব পড়বে খাদ্যপণ্যের দামে।

আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এফএও’র প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো তোরিও বলেন, পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যাচ্ছে এবং ফসল রোপণ ও কাটার সময়সূচির ওপর চাপ বাড়ছে।

তিনি জানান, এশিয়ার কিছু দেশে ইতোমধ্যে বীজ বপনের সময় পেরিয়ে গেছে। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রব্রাজিল-এর মতো বড় রপ্তানিকারক দেশগুলো বিকল্প ফসল চাষে ঝুঁকতে পারে, যেমন সয়াবিন।

এদিকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় অনেক কৃষক জৈব জ্বালানি উৎপাদনের দিকেও ঝুঁকছেন। এর ফলে খাদ্যপণ্যের সরবরাহ আরও কমে যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গম ও সয়াবিনের দাম ইতোমধ্যেই বাড়তে শুরু করেছে এবং বছরের দ্বিতীয়ার্ধে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। আগামী বছরে বৈশ্বিক খাদ্য মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এফএও সতর্ক করে বলেছে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই সংকট আরও তীব্র হতে পারে, তাই এখনই সমন্বিত বৈশ্বিক পদক্ষেপ জরুরি।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত