সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিন সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার অনন্তপুর উত্তর হাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন ফরহাদ আহমেদ শাহ, তার বাবা নুরুল আমিন এবং মা ফাতেমা বেগম।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে বিদ্যুতের মূল লাইনের একটি তার ছিঁড়ে ফরহাদের দোকানঘরের টিনের ছাউনির ওপর পড়ে। বিষয়টি বুঝতে না পেরে ফরহাদ টিনের ঘরে হাত দিলে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তাকে বাঁচাতে এগিয়ে যান তার বাবা নুরুল আমিন। পরে তাদের উদ্ধার করতে গিয়ে মা ফাতেমা বেগমও বিদ্যুতের সংস্পর্শে এসে গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা দ্রুত তিনজনকে উদ্ধার করে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে হাসপাতাল ও গ্রামজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে হৃদয়বিদারক পরিবেশ।
বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মিয়া বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ফরহাদ বিদ্যুতের সংস্পর্শে আসার পর তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে তার বাবা-মাও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তবে ঘটনাটির প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তিনি আরও জানান, ঘটনাটি তদন্তে পুলিশ ঘটনাস্থলে কাজ করছে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত ও অপমৃত্যু মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিন সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার অনন্তপুর উত্তর হাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন ফরহাদ আহমেদ শাহ, তার বাবা নুরুল আমিন এবং মা ফাতেমা বেগম।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে বিদ্যুতের মূল লাইনের একটি তার ছিঁড়ে ফরহাদের দোকানঘরের টিনের ছাউনির ওপর পড়ে। বিষয়টি বুঝতে না পেরে ফরহাদ টিনের ঘরে হাত দিলে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তাকে বাঁচাতে এগিয়ে যান তার বাবা নুরুল আমিন। পরে তাদের উদ্ধার করতে গিয়ে মা ফাতেমা বেগমও বিদ্যুতের সংস্পর্শে এসে গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা দ্রুত তিনজনকে উদ্ধার করে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে হাসপাতাল ও গ্রামজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে হৃদয়বিদারক পরিবেশ।
বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মিয়া বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ফরহাদ বিদ্যুতের সংস্পর্শে আসার পর তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে তার বাবা-মাও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তবে ঘটনাটির প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তিনি আরও জানান, ঘটনাটি তদন্তে পুলিশ ঘটনাস্থলে কাজ করছে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত ও অপমৃত্যু মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
