শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

স্বাস্থ্য

তবে সতর্কতা জরুরি

ফ্যাটি লিভারের চর্বি কমাতে পারে যে খাবার?

ফ্যাটি লিভারের চর্বি কমাতে পারে যে খাবার?
অনেকের ক্ষেত্রে শুরুতে ফ্যাটি লিভারের কোনো স্পষ্ট উপসর্গ থাকে না। ছবি : ক্যবোট হেল্থ

ভাতের সঙ্গে সালাদ, তরকারি, স্যুপ কিংবা সস বিভিন্নভাবে খাবারে ব্যবহৃত হয় টমেটো। স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি টমেটোর পুষ্টিগুণের কথাও অনেকের জানা। এবার নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে, নিয়মিত টমেটো খাওয়ার সঙ্গে লিভারে জমে থাকা অতিরিক্ত চর্বি কমার সম্ভাব্য সম্পর্ক রয়েছে।

গবেষণাটি করা হয়েছে মেটাবলিক ডিসফাংশন অ্যাসোসিয়েটেড স্টিয়াটোটিক লিভার ডিজিজ (এমএএসএলডি) আক্রান্ত ব্যক্তিদের ওপর। গবেষণায় দেখা গেছে, ছয় সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন কাঁচা টমেটো ও টমেটোর সস খাওয়া ব্যক্তিদের লিভারে চর্বি নিয়ন্ত্রণ দলের তুলনায় বেশি কমেছে।

তবে গবেষকেরা সতর্ক করে বলেছেন, টমেটো খেলেই ফ্যাটি লিভার পুরোপুরি ভালো হয়ে যাবে এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। কারণ গবেষণাটি ছিল ছোট পরিসরের এবং স্বল্পমেয়াদি।

কীভাবে হয়েছে গবেষণা?

ইতালির গবেষকেরা এমএএসএলডিতে আক্রান্ত ৭৯ জন প্রাপ্তবয়স্ককে নিয়ে গবেষণা করেন। অংশগ্রহণকারীদের দুই ভাগে ভাগ করা হয়।

একটি দল প্রতিদিন ২০০ গ্রাম কাঁচা টমেটো এবং ৫০ গ্রাম টমেটোর সস খায়। অন্য দল টমেটোবিহীন খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করে। গবেষণাটি চলে ছয় সপ্তাহ।

গবেষকেরা লিভারে চর্বির পরিমাণ নির্ণয়ে ফাইব্রোস্ক্যানের নিয়ন্ত্রিত অ্যাটেনুয়েশন প্যারামিটার (সিএপি) ব্যবহার করেন।

গবেষণার শেষে দেখা যায়, দুই দলের লিভারেই চর্বি কিছুটা কমেছে। তবে টমেটো খাওয়া দলের কমার হার ছিল বেশি। টমেটো খাওয়া দলের সিএপি মানের পরিবর্তন ছিল গড়ে মাইনাস ৩৫ ডেসিবেল প্রতি মিটার, যেখানে নিয়ন্ত্রণ দলের পরিবর্তন ছিল মাইনাস ১৮ ডেসিবেল প্রতি মিটার।

ওজন না কমলেও কমেছে লিভারের চর্বি

গবেষণার উল্লেখযোগ্য দিক হলো, টমেটো খাওয়া দলের লিভারে চর্বি কমলেও শরীরের ওজন বা বিএমআইতে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।

গবেষকেরা ওজন, কোমরের মাপ, শরীরের মোট চর্বি ও পেটের ভেতরের চর্বির মতো বিষয় পর্যবেক্ষণ করেন। এসব ক্ষেত্রে দুই দলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া যায়নি।

এতে ধারণা করা হচ্ছে, টমেটোর কিছু উপাদান সরাসরি লিভারের চর্বি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এর পেছনের নির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত নয়।

টমেটোর কোন উপাদান উপকারী?

টমেটোতে থাকা লাইকোপিন একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এ ছাড়া এতে বিটা ক্যারোটিন ও বিভিন্ন পলিফেনল রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এসব উপাদান শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস ও প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে এবং লিভারে চর্বি জমার প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে কোন উপাদান মূল ভূমিকা রাখছে, তা নিশ্চিত করতে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

কাঁচা টমেটো নাকি সস?

গবেষণায় কাঁচা টমেটো ও টমেটোর সস—দুটিই ব্যবহার করা হয়েছে। তাই শুধু কাঁচা টমেটো বা শুধু বাজারের সস খেলেই একই ফল পাওয়া যাবে, এমন প্রমাণ নেই।

বিশেষ করে বাজারের বোতলজাত সসে অনেক সময় অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও তেল থাকতে পারে। তাই তাজা টমেটো বা কম লবণ-চিনি দিয়ে তৈরি ঘরোয়া টমেটোর খাবার বেশি উপযোগী হতে পারে।

ফ্যাটি লিভার কী?

লিভারে স্বাভাবিকভাবেই কিছু চর্বি থাকে। কিন্তু অতিরিক্ত চর্বি জমলে তাকে ফ্যাটি লিভার বলা হয়।

এমএএসএলডি সাধারণত অতিরিক্ত ওজন, ইনসুলিন প্রতিরোধ, টাইপ-২ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও রক্তে চর্বির ভারসাম্যহীনতার সঙ্গে সম্পর্কিত।

অনেকের ক্ষেত্রে শুরুতে কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। তবে দীর্ঘদিন অবহেলা করলে লিভারে প্রদাহ ও ক্ষতি তৈরি হতে পারে।

টমেটো খেলেই কি ফ্যাটি লিভার ভালো হবে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, না। টমেটোকে ফ্যাটি লিভারের চিকিৎসা হিসেবে দেখা যাবে না।

গবেষণায় লিভারের চর্বি কমার প্রমাণ পাওয়া গেলেও লিভারের অন্যান্য সূচক যেমন এনজাইম, রক্তে শর্করা, কোলেস্টেরল বা দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির বিষয়ে বড় পরিবর্তন দেখা যায়নি।

তাই ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে শুধু টমেটোর ওপর নির্ভর না করে পুরো জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা জরুরি।

ফ্যাটি লিভারে টমেটো কীভাবে খাবেন?

স্বাভাবিক খাবারের অংশ হিসেবে টমেটো খাওয়া যেতে পারে। যেমন

  • সালাদে কাঁচা টমেটো

  • মাছ বা সবজির তরকারিতে টমেটো

  • কম লবণ ও কম চিনি দেওয়া টমেটোর স্যুপ

  • ঘরে তৈরি স্বাস্থ্যকর টমেটোর সস

এর পাশাপাশি অতিরিক্ত চিনি, কোমল পানীয়, ভাজাপোড়া ও অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার কমাতে হবে।

নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ওজন নিয়ন্ত্রণও ফ্যাটি লিভার কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সবার জন্য কি টমেটো উপকারী?

টমেটো সাধারণত স্বাস্থ্যকর খাবার হলেও কিছু মানুষের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি করতে পারে।

যাদের অ্যাসিডিটি বা বুকজ্বালার সমস্যা রয়েছে, তাদের বেশি টমেটো খেলে অস্বস্তি বাড়তে পারে। আবার কিডনির গুরুতর সমস্যায় পটাশিয়াম নিয়ন্ত্রণ করতে হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

গবেষণার সীমাবদ্ধতা

গবেষণাটির কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। এতে অংশ নিয়েছেন মাত্র ৭৯ জন এবং সময়কাল ছিল মাত্র ছয় সপ্তাহ।

তাই দীর্ঘমেয়াদে টমেটো খাওয়ার প্রভাব সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে আরও বড় গবেষণা প্রয়োজন।

শেষ কথা

নতুন গবেষণা বলছে, নিয়মিত টমেটো খাওয়ার সঙ্গে ফ্যাটি লিভারের চর্বি কমার সম্ভাব্য সম্পর্ক থাকতে পারে। তবে টমেটো কোনো ওষুধ নয়।

সুষম খাদ্য, নিয়মিত ব্যায়াম, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং চিকিৎসকের পরামর্শ এসবের সমন্বয়েই ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া সম্ভব।

#স্বাস্থ্য_পরামর্শ #ফ্যাটি_লিভার #টমেটোর_উপকারিতা

চেকপোস্ট

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


ফ্যাটি লিভারের চর্বি কমাতে পারে যে খাবার?

প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ভাতের সঙ্গে সালাদ, তরকারি, স্যুপ কিংবা সস বিভিন্নভাবে খাবারে ব্যবহৃত হয় টমেটো। স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি টমেটোর পুষ্টিগুণের কথাও অনেকের জানা। এবার নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে, নিয়মিত টমেটো খাওয়ার সঙ্গে লিভারে জমে থাকা অতিরিক্ত চর্বি কমার সম্ভাব্য সম্পর্ক রয়েছে।

গবেষণাটি করা হয়েছে মেটাবলিক ডিসফাংশন অ্যাসোসিয়েটেড স্টিয়াটোটিক লিভার ডিজিজ (এমএএসএলডি) আক্রান্ত ব্যক্তিদের ওপর। গবেষণায় দেখা গেছে, ছয় সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন কাঁচা টমেটো ও টমেটোর সস খাওয়া ব্যক্তিদের লিভারে চর্বি নিয়ন্ত্রণ দলের তুলনায় বেশি কমেছে।

তবে গবেষকেরা সতর্ক করে বলেছেন, টমেটো খেলেই ফ্যাটি লিভার পুরোপুরি ভালো হয়ে যাবে এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। কারণ গবেষণাটি ছিল ছোট পরিসরের এবং স্বল্পমেয়াদি।

কীভাবে হয়েছে গবেষণা?

ইতালির গবেষকেরা এমএএসএলডিতে আক্রান্ত ৭৯ জন প্রাপ্তবয়স্ককে নিয়ে গবেষণা করেন। অংশগ্রহণকারীদের দুই ভাগে ভাগ করা হয়।

একটি দল প্রতিদিন ২০০ গ্রাম কাঁচা টমেটো এবং ৫০ গ্রাম টমেটোর সস খায়। অন্য দল টমেটোবিহীন খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করে। গবেষণাটি চলে ছয় সপ্তাহ।

গবেষকেরা লিভারে চর্বির পরিমাণ নির্ণয়ে ফাইব্রোস্ক্যানের নিয়ন্ত্রিত অ্যাটেনুয়েশন প্যারামিটার (সিএপি) ব্যবহার করেন।

গবেষণার শেষে দেখা যায়, দুই দলের লিভারেই চর্বি কিছুটা কমেছে। তবে টমেটো খাওয়া দলের কমার হার ছিল বেশি। টমেটো খাওয়া দলের সিএপি মানের পরিবর্তন ছিল গড়ে মাইনাস ৩৫ ডেসিবেল প্রতি মিটার, যেখানে নিয়ন্ত্রণ দলের পরিবর্তন ছিল মাইনাস ১৮ ডেসিবেল প্রতি মিটার।

ওজন না কমলেও কমেছে লিভারের চর্বি

গবেষণার উল্লেখযোগ্য দিক হলো, টমেটো খাওয়া দলের লিভারে চর্বি কমলেও শরীরের ওজন বা বিএমআইতে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।

গবেষকেরা ওজন, কোমরের মাপ, শরীরের মোট চর্বি ও পেটের ভেতরের চর্বির মতো বিষয় পর্যবেক্ষণ করেন। এসব ক্ষেত্রে দুই দলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া যায়নি।

এতে ধারণা করা হচ্ছে, টমেটোর কিছু উপাদান সরাসরি লিভারের চর্বি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এর পেছনের নির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত নয়।

টমেটোর কোন উপাদান উপকারী?

টমেটোতে থাকা লাইকোপিন একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এ ছাড়া এতে বিটা ক্যারোটিন ও বিভিন্ন পলিফেনল রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এসব উপাদান শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস ও প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে এবং লিভারে চর্বি জমার প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে কোন উপাদান মূল ভূমিকা রাখছে, তা নিশ্চিত করতে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

কাঁচা টমেটো নাকি সস?

গবেষণায় কাঁচা টমেটো ও টমেটোর সস—দুটিই ব্যবহার করা হয়েছে। তাই শুধু কাঁচা টমেটো বা শুধু বাজারের সস খেলেই একই ফল পাওয়া যাবে, এমন প্রমাণ নেই।

বিশেষ করে বাজারের বোতলজাত সসে অনেক সময় অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও তেল থাকতে পারে। তাই তাজা টমেটো বা কম লবণ-চিনি দিয়ে তৈরি ঘরোয়া টমেটোর খাবার বেশি উপযোগী হতে পারে।

ফ্যাটি লিভার কী?

লিভারে স্বাভাবিকভাবেই কিছু চর্বি থাকে। কিন্তু অতিরিক্ত চর্বি জমলে তাকে ফ্যাটি লিভার বলা হয়।

এমএএসএলডি সাধারণত অতিরিক্ত ওজন, ইনসুলিন প্রতিরোধ, টাইপ-২ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও রক্তে চর্বির ভারসাম্যহীনতার সঙ্গে সম্পর্কিত।

অনেকের ক্ষেত্রে শুরুতে কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। তবে দীর্ঘদিন অবহেলা করলে লিভারে প্রদাহ ও ক্ষতি তৈরি হতে পারে।

টমেটো খেলেই কি ফ্যাটি লিভার ভালো হবে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, না। টমেটোকে ফ্যাটি লিভারের চিকিৎসা হিসেবে দেখা যাবে না।

গবেষণায় লিভারের চর্বি কমার প্রমাণ পাওয়া গেলেও লিভারের অন্যান্য সূচক যেমন এনজাইম, রক্তে শর্করা, কোলেস্টেরল বা দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির বিষয়ে বড় পরিবর্তন দেখা যায়নি।

তাই ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে শুধু টমেটোর ওপর নির্ভর না করে পুরো জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা জরুরি।

ফ্যাটি লিভারে টমেটো কীভাবে খাবেন?

স্বাভাবিক খাবারের অংশ হিসেবে টমেটো খাওয়া যেতে পারে। যেমন

  • সালাদে কাঁচা টমেটো

  • মাছ বা সবজির তরকারিতে টমেটো

  • কম লবণ ও কম চিনি দেওয়া টমেটোর স্যুপ

  • ঘরে তৈরি স্বাস্থ্যকর টমেটোর সস

এর পাশাপাশি অতিরিক্ত চিনি, কোমল পানীয়, ভাজাপোড়া ও অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার কমাতে হবে।

নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ওজন নিয়ন্ত্রণও ফ্যাটি লিভার কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সবার জন্য কি টমেটো উপকারী?

টমেটো সাধারণত স্বাস্থ্যকর খাবার হলেও কিছু মানুষের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি করতে পারে।

যাদের অ্যাসিডিটি বা বুকজ্বালার সমস্যা রয়েছে, তাদের বেশি টমেটো খেলে অস্বস্তি বাড়তে পারে। আবার কিডনির গুরুতর সমস্যায় পটাশিয়াম নিয়ন্ত্রণ করতে হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

গবেষণার সীমাবদ্ধতা

গবেষণাটির কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। এতে অংশ নিয়েছেন মাত্র ৭৯ জন এবং সময়কাল ছিল মাত্র ছয় সপ্তাহ।

তাই দীর্ঘমেয়াদে টমেটো খাওয়ার প্রভাব সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে আরও বড় গবেষণা প্রয়োজন।

শেষ কথা

নতুন গবেষণা বলছে, নিয়মিত টমেটো খাওয়ার সঙ্গে ফ্যাটি লিভারের চর্বি কমার সম্ভাব্য সম্পর্ক থাকতে পারে। তবে টমেটো কোনো ওষুধ নয়।

সুষম খাদ্য, নিয়মিত ব্যায়াম, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং চিকিৎসকের পরামর্শ এসবের সমন্বয়েই ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া সম্ভব।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত