শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)-এ প্রথমবারের মতো স্নাতকোত্তর পর্যায়ের থিসিস শিক্ষার্থীদের গবেষণার জন্য বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। চলতি অর্থবছরে ১৮৪ শিক্ষার্থীকে এককালীন ২৫ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ১০ জন করে শিক্ষার্থীকে বাছাই করা হয়েছে। এর মধ্যে নৃবিজ্ঞান, লোকপ্রশাসন, অর্থনীতি, পলিটিক্যাল স্টাডিজ, সমাজবিজ্ঞান, সমাজকর্ম, পদার্থবিজ্ঞান, ভূগোল ও পরিবেশ, বন ও পরিবেশবিজ্ঞান, সমুদ্রবিজ্ঞান, পুর ও পরিবেশ কৌশল, জৈব রসায়ন ও আণবিক জীববিদ্যা (বিএমবি), জৈবপ্রযুক্তি ও জিন প্রকৌশল, রসায়ন এবং তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগ থেকে ১০ জন করে শিক্ষার্থী এই অনুদান পাচ্ছেন।
এ ছাড়া বাংলা বিভাগের ৮ জন, ব্যবসায় প্রশাসনের ৫ জন, ইংরেজির ৪ জন, খাদ্য প্রকৌশল ও চা প্রযুক্তির ৬ জন, গণিতের ৮ জন এবং পরিসংখ্যান বিভাগের ৭ জন শিক্ষার্থীকে নির্বাচিত করা হয়েছে।
গবেষণাকেন্দ্রের এক কর্মকর্তা জানান, নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ডের ভিত্তিতে এই অনুদান দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের অবশ্যই ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের নিয়মিত স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী হতে হবে এবং স্নাতকে ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.৫০ থাকতে হবে। বিভাগগুলোর সুপারিশের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত তালিকা করা হয়েছে।
ইতোমধ্যে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা ও ব্যাংক তথ্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জমা পড়েছে। শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে অনুদান বিতরণ করা হবে বলে জানা গেছে।
এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন শিক্ষার্থীরা। সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী নাইমুর রহমান বলেন, “গবেষণায় আগ্রহ বাড়াতে এটি খুবই ভালো উদ্যোগ। এতে আমরা আরও মনোযোগ দিয়ে কাজ করতে পারব এবং আর্থিক চাপ কিছুটা কমবে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, শিক্ষার্থীদের গবেষণায় উৎসাহ দিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরে এ খাতে মোট ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যার মধ্যে ৪৬ লাখ টাকা অনুদান হিসেবে দেওয়া হচ্ছে। বাকি অর্থ দিয়ে থিসিস শেষে একটি গবেষণা সম্মেলনের আয়োজন করা হবে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের কাজ উপস্থাপন করবেন।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)-এ প্রথমবারের মতো স্নাতকোত্তর পর্যায়ের থিসিস শিক্ষার্থীদের গবেষণার জন্য বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। চলতি অর্থবছরে ১৮৪ শিক্ষার্থীকে এককালীন ২৫ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ১০ জন করে শিক্ষার্থীকে বাছাই করা হয়েছে। এর মধ্যে নৃবিজ্ঞান, লোকপ্রশাসন, অর্থনীতি, পলিটিক্যাল স্টাডিজ, সমাজবিজ্ঞান, সমাজকর্ম, পদার্থবিজ্ঞান, ভূগোল ও পরিবেশ, বন ও পরিবেশবিজ্ঞান, সমুদ্রবিজ্ঞান, পুর ও পরিবেশ কৌশল, জৈব রসায়ন ও আণবিক জীববিদ্যা (বিএমবি), জৈবপ্রযুক্তি ও জিন প্রকৌশল, রসায়ন এবং তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগ থেকে ১০ জন করে শিক্ষার্থী এই অনুদান পাচ্ছেন।
এ ছাড়া বাংলা বিভাগের ৮ জন, ব্যবসায় প্রশাসনের ৫ জন, ইংরেজির ৪ জন, খাদ্য প্রকৌশল ও চা প্রযুক্তির ৬ জন, গণিতের ৮ জন এবং পরিসংখ্যান বিভাগের ৭ জন শিক্ষার্থীকে নির্বাচিত করা হয়েছে।
গবেষণাকেন্দ্রের এক কর্মকর্তা জানান, নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ডের ভিত্তিতে এই অনুদান দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের অবশ্যই ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের নিয়মিত স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী হতে হবে এবং স্নাতকে ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.৫০ থাকতে হবে। বিভাগগুলোর সুপারিশের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত তালিকা করা হয়েছে।
ইতোমধ্যে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা ও ব্যাংক তথ্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জমা পড়েছে। শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে অনুদান বিতরণ করা হবে বলে জানা গেছে।
এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন শিক্ষার্থীরা। সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী নাইমুর রহমান বলেন, “গবেষণায় আগ্রহ বাড়াতে এটি খুবই ভালো উদ্যোগ। এতে আমরা আরও মনোযোগ দিয়ে কাজ করতে পারব এবং আর্থিক চাপ কিছুটা কমবে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, শিক্ষার্থীদের গবেষণায় উৎসাহ দিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরে এ খাতে মোট ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যার মধ্যে ৪৬ লাখ টাকা অনুদান হিসেবে দেওয়া হচ্ছে। বাকি অর্থ দিয়ে থিসিস শেষে একটি গবেষণা সম্মেলনের আয়োজন করা হবে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের কাজ উপস্থাপন করবেন।
