নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ভিসা প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। সোমবার (২২ জুন) রাতে উপজেলার নিতাই ইউনিয়নের ডাঙ্গারবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন নিতাই ইউনিয়নের ডাঙ্গারবাড়ি এলাকার আনিছুল ইসলামের ছেলে সাইফুল ইসলাম (২৫) এবং মুশরুত পানিয়ালপুকুর এলাকার সোহাব ইসলামের ছেলে নাঈম ইসলাম নায়েব (২১)।
জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) মো. মতলুবর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে তাদের কাছ থেকে একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও একটি ল্যাপটপ জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, জব্দকৃত ডিভাইস পরীক্ষা করে ভিসা প্রতারণা সংক্রান্ত জালিয়াতির উদ্দেশ্যে তৈরি ও এডিট করা বিভিন্ন কাগজপত্র, ভুয়া বিদেশি নম্বর ব্যবহার করে খোলা হোয়াটসঅ্যাপ ও ইমো অ্যাকাউন্ট, এবং অনলাইন ক্যাসিনো জুয়ার অ্যাপসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়।
ডিবি পুলিশের দাবি অনুযায়ী, চক্রটি বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে আসছিল।
জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি মো. মতলুবর রহমান বলেন, অভিযুক্তরা মোবাইল ও ল্যাপটপের অ্যাপস ব্যবহার করে ভুয়া তথ্য ও পরিচয়ের মাধ্যমে প্রতারণা চালাত। প্রাথমিক তদন্তে তাদের প্রতারণার একাধিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় কিশোরগঞ্জ থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা (মামলা নং-২২, তারিখ-২২/০৬/২০২৬) দায়ের করা হয়েছে। পরে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ভিসা প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। সোমবার (২২ জুন) রাতে উপজেলার নিতাই ইউনিয়নের ডাঙ্গারবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন নিতাই ইউনিয়নের ডাঙ্গারবাড়ি এলাকার আনিছুল ইসলামের ছেলে সাইফুল ইসলাম (২৫) এবং মুশরুত পানিয়ালপুকুর এলাকার সোহাব ইসলামের ছেলে নাঈম ইসলাম নায়েব (২১)।
জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) মো. মতলুবর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে তাদের কাছ থেকে একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও একটি ল্যাপটপ জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, জব্দকৃত ডিভাইস পরীক্ষা করে ভিসা প্রতারণা সংক্রান্ত জালিয়াতির উদ্দেশ্যে তৈরি ও এডিট করা বিভিন্ন কাগজপত্র, ভুয়া বিদেশি নম্বর ব্যবহার করে খোলা হোয়াটসঅ্যাপ ও ইমো অ্যাকাউন্ট, এবং অনলাইন ক্যাসিনো জুয়ার অ্যাপসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়।
ডিবি পুলিশের দাবি অনুযায়ী, চক্রটি বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে আসছিল।
জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি মো. মতলুবর রহমান বলেন, অভিযুক্তরা মোবাইল ও ল্যাপটপের অ্যাপস ব্যবহার করে ভুয়া তথ্য ও পরিচয়ের মাধ্যমে প্রতারণা চালাত। প্রাথমিক তদন্তে তাদের প্রতারণার একাধিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় কিশোরগঞ্জ থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা (মামলা নং-২২, তারিখ-২২/০৬/২০২৬) দায়ের করা হয়েছে। পরে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।
