মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

ফেঁপে উঠেছে, প্লাবনের শঙ্কা

তিস্তা বিপদসীমার ওপরে, খুলে দেওয়া হলো ৪৪টি গেট

তিস্তা বিপদসীমার ওপরে, খুলে দেওয়া হলো ৪৪টি গেট
ছবি : চেকপোস্ট

ভারত থেকে আসা উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। পানির চাপ সামাল দিতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেল ৩টায় ডালিয়া পয়েন্টে পানির প্রবাহ বিপদসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপরে রেকর্ড করা হয়।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, বিকেল ৩টায় পানির উচ্চতা ছিল ৫২ দশমিক ১৬ সেন্টিমিটার, যা বিপদসীমা অতিক্রম করে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে সকাল ৬টায় পানি বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচে থাকলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তা দ্রুত বাড়তে থাকে।

সকাল ৯টায় পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ০৫ সেন্টিমিটার এবং দুপুর ১২টায় তা ৫২ দশমিক ০১ সেন্টিমিটারে ওঠে। এরপর বিকেলে তা বিপদসীমা অতিক্রম করে প্রবাহিত হতে থাকে।

পানি বৃদ্ধির কারণে তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার একাধিক ইউনিয়নে প্লাবনের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিসা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্কে রয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, পানি আরও বাড়লে বসতবাড়ি ও ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নদী তীরবর্তী এলাকায় ইতোমধ্যে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, “পানি প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।”

তিস্তার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

#তিস্তা #তিস্তা_নদী #বন্যা_ঝুঁকি

চেকপোস্ট

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬


তিস্তা বিপদসীমার ওপরে, খুলে দেওয়া হলো ৪৪টি গেট

প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬

featured Image

ভারত থেকে আসা উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। পানির চাপ সামাল দিতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেল ৩টায় ডালিয়া পয়েন্টে পানির প্রবাহ বিপদসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপরে রেকর্ড করা হয়।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, বিকেল ৩টায় পানির উচ্চতা ছিল ৫২ দশমিক ১৬ সেন্টিমিটার, যা বিপদসীমা অতিক্রম করে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে সকাল ৬টায় পানি বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচে থাকলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তা দ্রুত বাড়তে থাকে।

সকাল ৯টায় পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ০৫ সেন্টিমিটার এবং দুপুর ১২টায় তা ৫২ দশমিক ০১ সেন্টিমিটারে ওঠে। এরপর বিকেলে তা বিপদসীমা অতিক্রম করে প্রবাহিত হতে থাকে।

পানি বৃদ্ধির কারণে তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার একাধিক ইউনিয়নে প্লাবনের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিসা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্কে রয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, পানি আরও বাড়লে বসতবাড়ি ও ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নদী তীরবর্তী এলাকায় ইতোমধ্যে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, “পানি প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।”

তিস্তার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত