ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে শাশুড়ির সঙ্গে পারিবারিক কলহের জেরে ইঁদুর মারার বিষ পান করে সুজিনা আক্তার (২৫) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। এর আগে বুধবার রাতে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
নিহত সুজিনা আক্তার উপজেলার ফান্দাউক ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের মধ্যপাড়া এলাকার টাইলস মিস্ত্রি ছানাউল মিয়ার স্ত্রী। তিনি কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার বাটশালা গ্রামের মন্নর আলীর মেয়ে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় আট বছর আগে পারিবারিকভাবে সুজিনার সঙ্গে ছানাউল মিয়ার বিয়ে হয়। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
নিহতের স্বামী জানান, বুধবার সন্ধ্যায় সন্তানদের বিষয় নিয়ে সুজিনার সঙ্গে তার মা আছিয়া বেগমের কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে অভিমান করে সুজিনা ইঁদুর মারার কীটনাশক পান করেন।
পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। চিকিৎসকরা তার পাকস্থলী পরিষ্কার (স্টমাক ওয়াশ) করলেও অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তার মৃত্যু হয়।
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনুল ইসলাম জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছিল। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে শাশুড়ির সঙ্গে পারিবারিক কলহের জেরে ইঁদুর মারার বিষ পান করে সুজিনা আক্তার (২৫) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। এর আগে বুধবার রাতে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
নিহত সুজিনা আক্তার উপজেলার ফান্দাউক ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের মধ্যপাড়া এলাকার টাইলস মিস্ত্রি ছানাউল মিয়ার স্ত্রী। তিনি কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার বাটশালা গ্রামের মন্নর আলীর মেয়ে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় আট বছর আগে পারিবারিকভাবে সুজিনার সঙ্গে ছানাউল মিয়ার বিয়ে হয়। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
নিহতের স্বামী জানান, বুধবার সন্ধ্যায় সন্তানদের বিষয় নিয়ে সুজিনার সঙ্গে তার মা আছিয়া বেগমের কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে অভিমান করে সুজিনা ইঁদুর মারার কীটনাশক পান করেন।
পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। চিকিৎসকরা তার পাকস্থলী পরিষ্কার (স্টমাক ওয়াশ) করলেও অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তার মৃত্যু হয়।
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনুল ইসলাম জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছিল। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
