গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় ধর্মীয় পরিচয়, ঐক্য ও মূল্যবোধের বার্তা ছড়িয়ে দিতে কালিমাখচিত পতাকা বহন করে একটি ব্যতিক্রমী মোটরসাইকেল র্যালি ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে উপজেলার পৌর মার্কেট এলাকা থেকে র্যালিটি শুরু হয়। এতে বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেল আরোহী অংশগ্রহণ করেন। র্যালিটি উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।
আয়োজকরা জানান, আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, বিশেষ করে ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে বিদেশি দেশের পতাকা ব্যবহারের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় মুসলিমদের ধর্মীয় পরিচয় ও আদর্শ সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে সচেতন করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রাজিয়া খাতুন কওমি মহিলা মাদ্রাসার মুহতামিম ক্বারী বশির বিন সামসুদ্দিন বলেন, এই কর্মসূচির সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য জড়িত নয়। মুসলিম সমাজে ঐক্য, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরাই ছিল এর মূল লক্ষ্য।
র্যালি চলাকালে সড়কের বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষকে কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ করতে দেখা যায়। অংশগ্রহণকারী ও স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের আয়োজন ধর্মীয় মূল্যবোধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। একইসঙ্গে তারা সমাজে সম্প্রীতি, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত মুসল্লি, মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা কর্মসূচিতে অংশ নেন।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় ধর্মীয় পরিচয়, ঐক্য ও মূল্যবোধের বার্তা ছড়িয়ে দিতে কালিমাখচিত পতাকা বহন করে একটি ব্যতিক্রমী মোটরসাইকেল র্যালি ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে উপজেলার পৌর মার্কেট এলাকা থেকে র্যালিটি শুরু হয়। এতে বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেল আরোহী অংশগ্রহণ করেন। র্যালিটি উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।
আয়োজকরা জানান, আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, বিশেষ করে ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে বিদেশি দেশের পতাকা ব্যবহারের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় মুসলিমদের ধর্মীয় পরিচয় ও আদর্শ সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে সচেতন করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রাজিয়া খাতুন কওমি মহিলা মাদ্রাসার মুহতামিম ক্বারী বশির বিন সামসুদ্দিন বলেন, এই কর্মসূচির সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য জড়িত নয়। মুসলিম সমাজে ঐক্য, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরাই ছিল এর মূল লক্ষ্য।
র্যালি চলাকালে সড়কের বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষকে কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ করতে দেখা যায়। অংশগ্রহণকারী ও স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের আয়োজন ধর্মীয় মূল্যবোধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। একইসঙ্গে তারা সমাজে সম্প্রীতি, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত মুসল্লি, মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা কর্মসূচিতে অংশ নেন।
