ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে পুকুরের জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে দুই পক্ষের ভয়াবহ সংঘর্ষে নাজিমউদ্দীন (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নারীসহ উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজের পর উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের বুড়িশ্বর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত নাজিমউদ্দীন ওই গ্রামের আব্দুল আউয়ালের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুড়িশ্বর গ্রামের নয়া বাড়ির ফজলুল হক ও ডাইলা বাড়ির আব্দুল আউয়াল গোষ্ঠীর মধ্যে পুকুরের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে গত মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আদালতে একটি মামলাও করা হয়।
শুক্রবার পুকুরের মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে শ্রীঘর বাজারের পাশে সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই আঞ্চলিক মহাসড়কে দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় টেটার আঘাতে নাজিমউদ্দীন গুরুতর আহত হন। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে প্রথমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও নাজিমউদ্দীনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর আবারও দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। থেমে থেমে চলা সংঘর্ষে নারীসহ অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হন।
আহতদের উদ্ধার করে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ পার্শ্ববর্তী হবিগঞ্জের লাখাই ও মাধবপুর উপজেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিনুল ইসলাম বলেন, সংঘর্ষের এলাকার পরিবেশ বর্তমানে শান্ত রয়েছে। সংঘাত এড়াতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে পুকুরের জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে দুই পক্ষের ভয়াবহ সংঘর্ষে নাজিমউদ্দীন (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নারীসহ উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজের পর উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের বুড়িশ্বর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত নাজিমউদ্দীন ওই গ্রামের আব্দুল আউয়ালের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুড়িশ্বর গ্রামের নয়া বাড়ির ফজলুল হক ও ডাইলা বাড়ির আব্দুল আউয়াল গোষ্ঠীর মধ্যে পুকুরের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে গত মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আদালতে একটি মামলাও করা হয়।
শুক্রবার পুকুরের মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে শ্রীঘর বাজারের পাশে সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই আঞ্চলিক মহাসড়কে দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় টেটার আঘাতে নাজিমউদ্দীন গুরুতর আহত হন। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে প্রথমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও নাজিমউদ্দীনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর আবারও দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। থেমে থেমে চলা সংঘর্ষে নারীসহ অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হন।
আহতদের উদ্ধার করে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ পার্শ্ববর্তী হবিগঞ্জের লাখাই ও মাধবপুর উপজেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিনুল ইসলাম বলেন, সংঘর্ষের এলাকার পরিবেশ বর্তমানে শান্ত রয়েছে। সংঘাত এড়াতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
