নওগাঁর ধামইরহাটে পূর্ব শত্রুতা ও করলা খেতে ছাগল যাওয়াকে কেন্দ্র করে মারামারিতে আবুল কাশেম নামের এক কৃষক নিহতের ঘটনায় পুলিশ রাতভর অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় প্রধান আসামিসহ ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে। উদ্ধার করা হয়েছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো চাকু।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার জাহানপুর ইউনিয়নের বড়শিবপুর (মাষ্টারপাড়া) গ্রামে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, খেতের করলা গাছ ছাগলে খাওয়া নিয়ে বিরোধের জের ধরে রনি ও আবুল কাশেমের পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে।
এতে আবুল কাশেমসহ তার পক্ষের মোট ৫ জন গুরুতর জখম হন। আহতদের উদ্ধার করে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবুল কাশেম মারা যান। তার স্ত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। অন্যান্য আহতরা জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনায় নিহতের ছেলে আবু সাঈদ হোসেন বাদী হয়ে ধামইরহাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।মামলা রুজুর পরপরই নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার স্যারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় এবং ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) নেতৃত্বে একটি চৌকস আভিযানিক দল জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার বিভিন্ন এলাকায় রাতভর অভিযান পরিচালনা করে।
মামলা দায়েরের এক রাতের মধ্যেই এজাহারনামীয় ৭ আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।গ্রেফতারকৃতরা হলেন—১. মূল আসামি মো. রাকিবুল ইসলাম রনি (২৮), ২. মো. আ. হাকিম (৬০), ৩. মো. কফিল উদ্দিন (৬৫), ৪. মোসা. আকলিমা বেগম (৩৫), ৫. মোসা. হামিদা বেগম (৩৮), ৬. মোসা. ফরিদা বেগম (৫০) এবং ৭. মোসা. জিয়াসমিন বেগম (২১)। তারা সকলেই বড়শিবপুর (মাষ্টারপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা।
ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, পুলিশ অত্যন্ত তৎপরতার সাথে অভিযান চালিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আসামিদের গ্রেফতার এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকুটি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
নওগাঁর ধামইরহাটে পূর্ব শত্রুতা ও করলা খেতে ছাগল যাওয়াকে কেন্দ্র করে মারামারিতে আবুল কাশেম নামের এক কৃষক নিহতের ঘটনায় পুলিশ রাতভর অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় প্রধান আসামিসহ ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে। উদ্ধার করা হয়েছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো চাকু।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার জাহানপুর ইউনিয়নের বড়শিবপুর (মাষ্টারপাড়া) গ্রামে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, খেতের করলা গাছ ছাগলে খাওয়া নিয়ে বিরোধের জের ধরে রনি ও আবুল কাশেমের পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে।
এতে আবুল কাশেমসহ তার পক্ষের মোট ৫ জন গুরুতর জখম হন। আহতদের উদ্ধার করে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবুল কাশেম মারা যান। তার স্ত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। অন্যান্য আহতরা জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনায় নিহতের ছেলে আবু সাঈদ হোসেন বাদী হয়ে ধামইরহাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।মামলা রুজুর পরপরই নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার স্যারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় এবং ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) নেতৃত্বে একটি চৌকস আভিযানিক দল জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার বিভিন্ন এলাকায় রাতভর অভিযান পরিচালনা করে।
মামলা দায়েরের এক রাতের মধ্যেই এজাহারনামীয় ৭ আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।গ্রেফতারকৃতরা হলেন—১. মূল আসামি মো. রাকিবুল ইসলাম রনি (২৮), ২. মো. আ. হাকিম (৬০), ৩. মো. কফিল উদ্দিন (৬৫), ৪. মোসা. আকলিমা বেগম (৩৫), ৫. মোসা. হামিদা বেগম (৩৮), ৬. মোসা. ফরিদা বেগম (৫০) এবং ৭. মোসা. জিয়াসমিন বেগম (২১)। তারা সকলেই বড়শিবপুর (মাষ্টারপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা।
ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, পুলিশ অত্যন্ত তৎপরতার সাথে অভিযান চালিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আসামিদের গ্রেফতার এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকুটি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে
