প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামাম আল-হামামি ওমানি নাগরিক। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে জন্মগ্রহণ করেন; তার বাবা ওমানি এবং মা সিরীয়। তবে তার পরিচয় ও অতীত নিয়ে পাওয়া তথ্যের বড় একটি অংশ তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এসেছে। তার বিরুদ্ধে কোনো উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হয়নি।
তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কী ধরনের মতাদর্শ বা উপকরণের কারণে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল এবং সেই তথ্য পরবর্তীতে অন্য এয়ারলাইনকে জানানো হয়েছিল কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
তার ফ্লাইদুবাইয়ে কাজের সময়কাল ছিল তুলনামূলকভাবে কম প্রতিবেদনগুলোতে প্রায় আট মাসের কথা বলা হয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের অ্যাটর্নি জেনারেলের ভাষ্য অনুযায়ী, কো-পাইলট ককপিটে থাকা জরুরি ব্যবহারের কুঠার দিয়ে ক্যাপ্টেনকে আক্রমণ করে এবং বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেন।
আহত অবস্থাতেও ক্যাপ্টেন ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন। এরপর যাত্রী ও ক্রুরা হস্তক্ষেপ করেন এবং বিমানে থাকা দুই অফ-ডিউটি পাইলটও নিয়ন্ত্রণ নিতে সহায়তা করেন। শেষ পর্যন্ত বিমানটি নিরাপদে সৌদি আরবে অবতরণ করে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ঘটনাটিকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং হামামের সম্ভাব্য উগ্রবাদী প্রভাব নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তবে তদন্তকারীরা এখনো হামলার পূর্ণ উদ্দেশ্য ও সম্ভাব্য সহযোগীদের বিষয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছাননি।
ঘটনার পর ফ্লাইদুবাইয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, পাইলট যাচাই এবং আন্তর্জাতিক রুটে কর্মীদের ব্যাকগ্রাউন্ড চেক নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হামলার উদ্দেশ্য বা সম্ভাব্য যোগসূত্র সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামাম আল-হামামি ওমানি নাগরিক। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে জন্মগ্রহণ করেন; তার বাবা ওমানি এবং মা সিরীয়। তবে তার পরিচয় ও অতীত নিয়ে পাওয়া তথ্যের বড় একটি অংশ তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এসেছে। তার বিরুদ্ধে কোনো উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হয়নি।
তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কী ধরনের মতাদর্শ বা উপকরণের কারণে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল এবং সেই তথ্য পরবর্তীতে অন্য এয়ারলাইনকে জানানো হয়েছিল কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
তার ফ্লাইদুবাইয়ে কাজের সময়কাল ছিল তুলনামূলকভাবে কম প্রতিবেদনগুলোতে প্রায় আট মাসের কথা বলা হয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের অ্যাটর্নি জেনারেলের ভাষ্য অনুযায়ী, কো-পাইলট ককপিটে থাকা জরুরি ব্যবহারের কুঠার দিয়ে ক্যাপ্টেনকে আক্রমণ করে এবং বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেন।
আহত অবস্থাতেও ক্যাপ্টেন ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন। এরপর যাত্রী ও ক্রুরা হস্তক্ষেপ করেন এবং বিমানে থাকা দুই অফ-ডিউটি পাইলটও নিয়ন্ত্রণ নিতে সহায়তা করেন। শেষ পর্যন্ত বিমানটি নিরাপদে সৌদি আরবে অবতরণ করে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ঘটনাটিকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং হামামের সম্ভাব্য উগ্রবাদী প্রভাব নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তবে তদন্তকারীরা এখনো হামলার পূর্ণ উদ্দেশ্য ও সম্ভাব্য সহযোগীদের বিষয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছাননি।
ঘটনার পর ফ্লাইদুবাইয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, পাইলট যাচাই এবং আন্তর্জাতিক রুটে কর্মীদের ব্যাকগ্রাউন্ড চেক নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হামলার উদ্দেশ্য বা সম্ভাব্য যোগসূত্র সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
