সময় টেলিভিশনের লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি মাজহারুল আনোয়ার টিপুর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অপপ্রচার এবং টেলিভিশন কর্তৃপক্ষের কাছে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক মাজহারুল আনোয়ার টিপু। তবে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত চিত্র সাংবাদিক আহাদুল আকাশ।
মাজহারুল আনোয়ার টিপুর অভিযোগ, সময় টেলিভিশনের লক্ষ্মীপুরের চিত্র সাংবাদিক আহাদুল আকাশ দীর্ঘদিন ধরে পেশাগত দায়িত্ব পালনে অবহেলা করে আসছিলেন। নিয়মিত দায়িত্ব পালনের জন্য তাঁকে বলা হলে তিনি বিভিন্ন অজুহাত দেখাতেন। এর জের ধরে সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
টিপুর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে সময় টেলিভিশনের প্রধান কার্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে অসত্য তথ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। এমনকি তাঁকে মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলেও অভিযোগ করা হচ্ছে। এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে তিনি বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো প্রমাণ থাকলে তা প্রকাশ করা হোক। অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেলে তিনি সাংবাদিকতা ছেড়ে দেবেন বলেও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন।
টিপু আরও অভিযোগ করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ও কর্তৃপক্ষের কাছে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ার কারণে তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে থানায় একটি মিথ্যা অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এসব ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে সংশ্লিষ্ট অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান এই সাংবাদিক।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চিত্র সাংবাদিক আহাদুল আকাশ। তাঁর দাবি, মাজহারুল আনোয়ার টিপুর বিরুদ্ধে তিনি কোনো মিথ্যা অপপ্রচার চালাননি। টিপুর বিরুদ্ধে সময় টেলিভিশন কর্তৃপক্ষই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।
এদিকে, দুই সাংবাদিকের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের বিষয়ে লক্ষ্মীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, উভয় পক্ষের কাছ থেকেই লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দুই সাংবাদিকের পাল্টাপাল্টি অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সংবাদকর্মীরা।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
সময় টেলিভিশনের লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি মাজহারুল আনোয়ার টিপুর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অপপ্রচার এবং টেলিভিশন কর্তৃপক্ষের কাছে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক মাজহারুল আনোয়ার টিপু। তবে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত চিত্র সাংবাদিক আহাদুল আকাশ।
মাজহারুল আনোয়ার টিপুর অভিযোগ, সময় টেলিভিশনের লক্ষ্মীপুরের চিত্র সাংবাদিক আহাদুল আকাশ দীর্ঘদিন ধরে পেশাগত দায়িত্ব পালনে অবহেলা করে আসছিলেন। নিয়মিত দায়িত্ব পালনের জন্য তাঁকে বলা হলে তিনি বিভিন্ন অজুহাত দেখাতেন। এর জের ধরে সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
টিপুর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে সময় টেলিভিশনের প্রধান কার্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে অসত্য তথ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। এমনকি তাঁকে মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলেও অভিযোগ করা হচ্ছে। এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে তিনি বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো প্রমাণ থাকলে তা প্রকাশ করা হোক। অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেলে তিনি সাংবাদিকতা ছেড়ে দেবেন বলেও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন।
টিপু আরও অভিযোগ করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ও কর্তৃপক্ষের কাছে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ার কারণে তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে থানায় একটি মিথ্যা অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এসব ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে সংশ্লিষ্ট অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান এই সাংবাদিক।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চিত্র সাংবাদিক আহাদুল আকাশ। তাঁর দাবি, মাজহারুল আনোয়ার টিপুর বিরুদ্ধে তিনি কোনো মিথ্যা অপপ্রচার চালাননি। টিপুর বিরুদ্ধে সময় টেলিভিশন কর্তৃপক্ষই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।
এদিকে, দুই সাংবাদিকের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের বিষয়ে লক্ষ্মীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, উভয় পক্ষের কাছ থেকেই লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দুই সাংবাদিকের পাল্টাপাল্টি অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সংবাদকর্মীরা।
