নওগাঁর ধামইরহাটে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে মোসা. নাজমা বেগম (৪৫) নামে এক গৃহবধূকে মারধর, শ্লীলতাহানি এবং রোপণ করা আমন ধানের চারা উপড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
গত ৩ আগস্ট বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ১ নম্বর ধামইরহাট ইউনিয়নের রামরামপুর তেলিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নাজমা বেগম ধামইরহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রামরামপুর তেলিপাড়া গ্রামের মৃত এনামুল হকের দ্বিতীয় স্ত্রী নাজমা বেগম। স্বামীর রেখে যাওয়া সম্পত্তির সূত্রে পাওয়া রামরামপুর মৌজার ৮ শতক জমিতে প্রায় ১৫ দিন আগে তিনি আমন ধানের চারা রোপণ করেন।
অভিযোগে বলা হয়, ঘটনার দিন সকালে মৃত এনামুল হকের প্রথম স্ত্রীর ছেলে মো. সুজাউল ইসলাম (২৮) ও প্রথম স্ত্রী মোসা. সেলিনা বেগম (৫০) ওই জমিতে প্রবেশ করে রোপণ করা ধানের চারা উপড়ে ফেলতে থাকেন।
এ সময় নাজমা বেগম বাধা দিলে সুজাউল ইসলাম তার পরনের কাপড় ধরে টানাটানি করে শ্লীলতাহানি করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে তাকে জমিতে ফেলে বাঁশের লাঠি দিয়ে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
তার চিৎকার শুনে স্থানীয় মো. আনোয়ার হোসেন (৫০), মোসা. মর্জিনা বেগম (৫০)সহ এলাকাবাসী এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী জানান, চিকিৎসাধীন থাকায় ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে থানায় অভিযোগ করতে কিছুটা দেরি হয়েছে।
এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
নওগাঁর ধামইরহাটে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে মোসা. নাজমা বেগম (৪৫) নামে এক গৃহবধূকে মারধর, শ্লীলতাহানি এবং রোপণ করা আমন ধানের চারা উপড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
গত ৩ আগস্ট বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ১ নম্বর ধামইরহাট ইউনিয়নের রামরামপুর তেলিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নাজমা বেগম ধামইরহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রামরামপুর তেলিপাড়া গ্রামের মৃত এনামুল হকের দ্বিতীয় স্ত্রী নাজমা বেগম। স্বামীর রেখে যাওয়া সম্পত্তির সূত্রে পাওয়া রামরামপুর মৌজার ৮ শতক জমিতে প্রায় ১৫ দিন আগে তিনি আমন ধানের চারা রোপণ করেন।
অভিযোগে বলা হয়, ঘটনার দিন সকালে মৃত এনামুল হকের প্রথম স্ত্রীর ছেলে মো. সুজাউল ইসলাম (২৮) ও প্রথম স্ত্রী মোসা. সেলিনা বেগম (৫০) ওই জমিতে প্রবেশ করে রোপণ করা ধানের চারা উপড়ে ফেলতে থাকেন।
এ সময় নাজমা বেগম বাধা দিলে সুজাউল ইসলাম তার পরনের কাপড় ধরে টানাটানি করে শ্লীলতাহানি করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে তাকে জমিতে ফেলে বাঁশের লাঠি দিয়ে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
তার চিৎকার শুনে স্থানীয় মো. আনোয়ার হোসেন (৫০), মোসা. মর্জিনা বেগম (৫০)সহ এলাকাবাসী এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী জানান, চিকিৎসাধীন থাকায় ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে থানায় অভিযোগ করতে কিছুটা দেরি হয়েছে।
এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
