রংপুরের গংগাচড়া উপজেলার বাগপুর মাছুম আলী প্রামানিক উচ্চ বিদ্যালয়ের বরখাস্ত হওয়া প্রধান শিক্ষক রাহেনা খাতুনের বিরুদ্ধে বরখাস্ত অবস্থাতেও মাসের পর মাস বেতন উত্তোলনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গত বছরের নভেম্বরে তাকে ছয় মাসের জন্য বরখাস্ত করা হয়। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, বরখাস্তকালীন সময়েও তিনি চার মাস পূর্ণ বেতন এবং দুই মাস অর্ধেক বেতন উত্তোলন করেছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বরখাস্ত থাকা সত্ত্বেও তিনি নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থেকেও শুধু স্বাক্ষর করে চলে যেতেন।
এ ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে-বরখাস্ত অবস্থায় কীভাবে নিয়মিত বেতন উত্তোলন সম্ভব হলো।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাসুরা পারভীন জানান, বেতন সংক্রান্ত সফটওয়্যারের পাসওয়ার্ড তার কাছে না থাকায় দীর্ঘদিন নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেননি। পরে চলতি বছরের মে মাসে নতুন পাসওয়ার্ড পাওয়া যায়। তিনি আরও জানান, আগের পাসওয়ার্ড দিয়েই বেতন উত্তোলনের বিষয়টি সম্ভব হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের জন্য আবেদন প্রয়োজন হয় এবং সম্প্রতি এ বিষয়ে আবেদন করে নতুন পাসওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগের তদন্ত ও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
গংগাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হবে এবং দুর্নীতির ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
রংপুরের গংগাচড়া উপজেলার বাগপুর মাছুম আলী প্রামানিক উচ্চ বিদ্যালয়ের বরখাস্ত হওয়া প্রধান শিক্ষক রাহেনা খাতুনের বিরুদ্ধে বরখাস্ত অবস্থাতেও মাসের পর মাস বেতন উত্তোলনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গত বছরের নভেম্বরে তাকে ছয় মাসের জন্য বরখাস্ত করা হয়। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, বরখাস্তকালীন সময়েও তিনি চার মাস পূর্ণ বেতন এবং দুই মাস অর্ধেক বেতন উত্তোলন করেছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বরখাস্ত থাকা সত্ত্বেও তিনি নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থেকেও শুধু স্বাক্ষর করে চলে যেতেন।
এ ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে-বরখাস্ত অবস্থায় কীভাবে নিয়মিত বেতন উত্তোলন সম্ভব হলো।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাসুরা পারভীন জানান, বেতন সংক্রান্ত সফটওয়্যারের পাসওয়ার্ড তার কাছে না থাকায় দীর্ঘদিন নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেননি। পরে চলতি বছরের মে মাসে নতুন পাসওয়ার্ড পাওয়া যায়। তিনি আরও জানান, আগের পাসওয়ার্ড দিয়েই বেতন উত্তোলনের বিষয়টি সম্ভব হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের জন্য আবেদন প্রয়োজন হয় এবং সম্প্রতি এ বিষয়ে আবেদন করে নতুন পাসওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগের তদন্ত ও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
গংগাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হবে এবং দুর্নীতির ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
