মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

একাধিক যুবকের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ

বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ সাবেক ইউপি মেম্বার লিটন মিয়ার বিরুদ্ধে

বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ সাবেক ইউপি মেম্বার লিটন মিয়ার বিরুদ্ধে
ছবি: আওয়ামী লীগ নেতা লিটন মিয়ার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ভলাকুট ইউনিয়নের ভলাকুট কান্দি এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা লিটন মিয়ার বিরুদ্ধে বিদেশে কফি শপে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে একাধিক যুবকের কাছ থেকে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগকারী পূর্বভাগ গ্রামের মো. আলাল উদ্দিনের ছেলে মো. বদর উদ্দিন জানান, প্রায় এক বছর আগে লিটন মিয়া তাকে বিদেশে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন। ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তার পরিবার প্রয়োজনীয় টাকা প্রদান করে।

বদর উদ্দিনের অভিযোগ অনুযায়ী, বিদেশে পৌঁছানোর পরও প্রতিশ্রুত চাকরি না দিয়ে বিভিন্নভাবে আর্থিক লেনদেন করা হয়। পরে তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং তখন থেকে ভুক্তভোগীরা প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পারেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ও লিটন মিয়া চাকরি দেওয়ার নামে একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে সমালোচিত ছিলেন। পরে তিনি বিদেশে চলে যান বলেও জানা যায়।

গোপন সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম–কক্সবাজার এলাকায় অবস্থান করছেন। তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া নিয়ে স্থানীয়ভাবে অসহায়ত্বের অভিযোগ রয়েছে।

অভিযুক্ত লিটন মিয়ার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভুক্তভোগীরা এ ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার দাবি করেছেন।

#নাসিরনগর #প্রতারণা #বিদেশচাকরি

চেকপোস্ট

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬


বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ সাবেক ইউপি মেম্বার লিটন মিয়ার বিরুদ্ধে

প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬

featured Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ভলাকুট ইউনিয়নের ভলাকুট কান্দি এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা লিটন মিয়ার বিরুদ্ধে বিদেশে কফি শপে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে একাধিক যুবকের কাছ থেকে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগকারী পূর্বভাগ গ্রামের মো. আলাল উদ্দিনের ছেলে মো. বদর উদ্দিন জানান, প্রায় এক বছর আগে লিটন মিয়া তাকে বিদেশে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন। ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তার পরিবার প্রয়োজনীয় টাকা প্রদান করে।

বদর উদ্দিনের অভিযোগ অনুযায়ী, বিদেশে পৌঁছানোর পরও প্রতিশ্রুত চাকরি না দিয়ে বিভিন্নভাবে আর্থিক লেনদেন করা হয়। পরে তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং তখন থেকে ভুক্তভোগীরা প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পারেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ও লিটন মিয়া চাকরি দেওয়ার নামে একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে সমালোচিত ছিলেন। পরে তিনি বিদেশে চলে যান বলেও জানা যায়।

গোপন সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম–কক্সবাজার এলাকায় অবস্থান করছেন। তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া নিয়ে স্থানীয়ভাবে অসহায়ত্বের অভিযোগ রয়েছে।

অভিযুক্ত লিটন মিয়ার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভুক্তভোগীরা এ ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার দাবি করেছেন।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত