ময়মনসিংহের ত্রিশালে একটি ফিলিং স্টেশনের ব্যবসায়িক লেনদেনকে কেন্দ্র করে প্রায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এবং পাওনা টাকা ও হিসাব চাইতে গেলে এক ব্যবসায়ীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে ত্রিশাল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ব্যবসায়ী মো. বদরুদ্দোজা হায়দার।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, অভিযুক্ত সোহেল রানা, আলাল ও লিখন মিয়ার সঙ্গে তার প্রায় ১৫ বছরের ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে। তাদের যৌথ উদ্যোগে ত্রিশালের বাগান এলাকায় একটি ফিলিং স্টেশন পরিচালিত হয়ে আসছে। অভিযোগকারীর দাবি, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানের হিসাব না দিয়ে প্রায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। পাশাপাশি তাকে ফিলিং স্টেশনে প্রবেশ করতেও বাধা দেওয়া হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২ জুলাই সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পাওনা টাকা ও ব্যবসায়িক হিসাব চাইতে গেলে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধ হয়ে ধারালো রামদা, লোহার রডসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালান। এতে তার মাথা, হাত-পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার সময় তার বাম পায়েও কোপ দেওয়া হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনার ভিডিও ধারণ করা হয়েছে, যা তদন্তে সহায়ক হতে পারে। অভিযোগকারী নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত সোহেল রানা বলেন, অভিযোগকারী প্রতিষ্ঠানের মালিক নন এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন। তিনি দাবি করেন, ঘটনার বিষয়ে তিনিও থানায় পাল্টা অভিযোগ করেছেন। এছাড়া ফিলিং স্টেশনসংক্রান্ত বিষয়ে অভিযোগকারী এর আগেও বিভিন্ন দপ্তরে একাধিক অভিযোগ করেছিলেন বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর আহমেদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
ময়মনসিংহের ত্রিশালে একটি ফিলিং স্টেশনের ব্যবসায়িক লেনদেনকে কেন্দ্র করে প্রায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এবং পাওনা টাকা ও হিসাব চাইতে গেলে এক ব্যবসায়ীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে ত্রিশাল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ব্যবসায়ী মো. বদরুদ্দোজা হায়দার।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, অভিযুক্ত সোহেল রানা, আলাল ও লিখন মিয়ার সঙ্গে তার প্রায় ১৫ বছরের ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে। তাদের যৌথ উদ্যোগে ত্রিশালের বাগান এলাকায় একটি ফিলিং স্টেশন পরিচালিত হয়ে আসছে। অভিযোগকারীর দাবি, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানের হিসাব না দিয়ে প্রায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। পাশাপাশি তাকে ফিলিং স্টেশনে প্রবেশ করতেও বাধা দেওয়া হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২ জুলাই সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পাওনা টাকা ও ব্যবসায়িক হিসাব চাইতে গেলে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধ হয়ে ধারালো রামদা, লোহার রডসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালান। এতে তার মাথা, হাত-পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার সময় তার বাম পায়েও কোপ দেওয়া হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনার ভিডিও ধারণ করা হয়েছে, যা তদন্তে সহায়ক হতে পারে। অভিযোগকারী নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত সোহেল রানা বলেন, অভিযোগকারী প্রতিষ্ঠানের মালিক নন এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন। তিনি দাবি করেন, ঘটনার বিষয়ে তিনিও থানায় পাল্টা অভিযোগ করেছেন। এছাড়া ফিলিং স্টেশনসংক্রান্ত বিষয়ে অভিযোগকারী এর আগেও বিভিন্ন দপ্তরে একাধিক অভিযোগ করেছিলেন বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর আহমেদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
