শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

বৃষ্টিতেও লম্বা লাইন, ছাড়ছেন না সিরিয়াল

তেলের সংকটে ময়দানদিঘীতে মোটরসাইকেল চালকদের চরম দুর্ভোগ

তেলের সংকটে ময়দানদিঘীতে মোটরসাইকেল চালকদের চরম দুর্ভোগ
ছবি: চেকপোস্ট

টানা বৃষ্টি আর জ্বালানি তেলের সংকটে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার ময়দানদিঘী ইউনিয়নে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালকরা। বৃষ্টির মধ্যেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নেওয়ার অপেক্ষায় থাকতে দেখা গেছে শত শত মানুষকে।

ময়দানদিঘী ইউনিয়নের এলিট ফিলিং স্টেশন-এ গিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকেই তেল নিতে ভিড় জমিয়েছেন মোটরসাইকেল চালক ও স্থানীয়রা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বৃষ্টির তীব্রতা বাড়লেও কেউ লাইন ছাড়ছেন না। অনেকেই রেইনকোট বা প্লাস্টিক মাথায় দিয়ে নিজ নিজ মোটরসাইকেল ধরে দাঁড়িয়ে আছেন।

সিরিয়াল হারানোর ভয়ে অনেক চালক তাদের মোটরসাইকেল লাইনে রেখে পাশের দোকানের ছাউনিতে আশ্রয় নিয়েছেন। দীর্ঘ এই লাইন ফিলিং স্টেশন ছাড়িয়ে প্রধান সড়ক পর্যন্ত পৌঁছে গেছে।

তেল নিতে আসা এক চালক বলেন, “প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে বৃষ্টিতে ভিজছি। মোটরসাইকেল লাইনে রেখে দাঁড়িয়ে আছি, শুধু সিরিয়াল যেন না হারাই। তেলের জন্য এমন কষ্ট সত্যিই কল্পনাতীত।”

আরেকজন চালক জানান, “বৃষ্টির মধ্যে বাইক চালানোই কঠিন, তার ওপর পাম্পে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হলে দৈনন্দিন কাজ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে।” অনেককে বোতল হাতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেলেও পাম্প কর্তৃপক্ষ মোটরসাইকেল ছাড়া তেল দিতে অনীহা দেখানোয় অসন্তোষ বাড়ছে।

ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চাহিদার তুলনায় জ্বালানি তেলের সরবরাহ কম থাকায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তারা শৃঙ্খলা বজায় রেখে তেল সরবরাহের চেষ্টা করছেন, তবে বৃষ্টির কারণে কাজ কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে।

প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বৃষ্টি অব্যাহত থাকলেও লাইনের দৈর্ঘ্য কমেনি। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত জ্বালানি সংকট নিরসন না হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে।

#পঞ্চগড়_সংবাদ #তেলসংকট #দুর্ভোগ

চেকপোস্ট

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬


তেলের সংকটে ময়দানদিঘীতে মোটরসাইকেল চালকদের চরম দুর্ভোগ

প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬

featured Image

টানা বৃষ্টি আর জ্বালানি তেলের সংকটে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার ময়দানদিঘী ইউনিয়নে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালকরা। বৃষ্টির মধ্যেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নেওয়ার অপেক্ষায় থাকতে দেখা গেছে শত শত মানুষকে।

ময়দানদিঘী ইউনিয়নের এলিট ফিলিং স্টেশন-এ গিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকেই তেল নিতে ভিড় জমিয়েছেন মোটরসাইকেল চালক ও স্থানীয়রা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বৃষ্টির তীব্রতা বাড়লেও কেউ লাইন ছাড়ছেন না। অনেকেই রেইনকোট বা প্লাস্টিক মাথায় দিয়ে নিজ নিজ মোটরসাইকেল ধরে দাঁড়িয়ে আছেন।

সিরিয়াল হারানোর ভয়ে অনেক চালক তাদের মোটরসাইকেল লাইনে রেখে পাশের দোকানের ছাউনিতে আশ্রয় নিয়েছেন। দীর্ঘ এই লাইন ফিলিং স্টেশন ছাড়িয়ে প্রধান সড়ক পর্যন্ত পৌঁছে গেছে।

তেল নিতে আসা এক চালক বলেন, “প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে বৃষ্টিতে ভিজছি। মোটরসাইকেল লাইনে রেখে দাঁড়িয়ে আছি, শুধু সিরিয়াল যেন না হারাই। তেলের জন্য এমন কষ্ট সত্যিই কল্পনাতীত।”

আরেকজন চালক জানান, “বৃষ্টির মধ্যে বাইক চালানোই কঠিন, তার ওপর পাম্পে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হলে দৈনন্দিন কাজ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে।” অনেককে বোতল হাতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেলেও পাম্প কর্তৃপক্ষ মোটরসাইকেল ছাড়া তেল দিতে অনীহা দেখানোয় অসন্তোষ বাড়ছে।

ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চাহিদার তুলনায় জ্বালানি তেলের সরবরাহ কম থাকায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তারা শৃঙ্খলা বজায় রেখে তেল সরবরাহের চেষ্টা করছেন, তবে বৃষ্টির কারণে কাজ কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে।

প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বৃষ্টি অব্যাহত থাকলেও লাইনের দৈর্ঘ্য কমেনি। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত জ্বালানি সংকট নিরসন না হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত