ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) সেক্রেটারি আন্দা ফিলিপ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন জানান, বৈঠকে বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্র, নির্বাচিত জাতীয় সংসদের কার্যক্রম ও নারীর ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন আইপিইউ সেক্রেটারি।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন আন্দা ফিলিপ। তিনি বলেন, সংসদ নেতা হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অংশ নেওয়ায় সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি তার দৃঢ় অঙ্গীকারের শক্তিশালী বার্তা পাওয়া যাচ্ছে।
উপপ্রেস সচিব জানান, দীর্ঘ গণতান্ত্রিক সংগ্রাম, বিএনপির নেতাকর্মীদের গুম-হত্যা, মামলা ও নিপীড়নের প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ সংগ্রামের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশে গণতান্ত্রিক ধারাকে সুগম করা সম্ভব হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনেনি, সংসদীয় গণতন্ত্রও তাদের দলের হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গণতন্ত্র নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। একটি কার্যকর ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই দেশের টেকসই অগ্রগতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং জনগণের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।
বৈঠকে আইপিইউ সেক্রেটারি জানান, তিনি বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার পড়েছেন। এতে শিক্ষা খাতে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ এবং কমিউনিটিভিত্তিক কর্মসূচির প্রশংসা করেন তিনি।
আন্দা ফিলিপ বলেন, সংসদীয় গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত থাকলে জনগণের মধ্যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি আস্থা আরও শক্তিশালী হবে।
তিনি জানান, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতা আরও জোরদার করতে আগ্রহী আইপিইউ।
তানজানিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য আইপিইউর ১৫৩তম সম্মেলনে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকারের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আইপিইউর সঙ্গে বাংলাদেশের সংসদের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
গণতন্ত্রকে আরও কার্যকর ও টেকসই করতে নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন আইপিইউ সেক্রেটারি।
বৈঠকে নারীর ক্ষমতায়ন নিয়েও আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন তার সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।
নারীদের অনার্স পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা, নারী শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি চালু এবং ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নারীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির এবং প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) সেক্রেটারি আন্দা ফিলিপ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন জানান, বৈঠকে বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্র, নির্বাচিত জাতীয় সংসদের কার্যক্রম ও নারীর ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন আইপিইউ সেক্রেটারি।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন আন্দা ফিলিপ। তিনি বলেন, সংসদ নেতা হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অংশ নেওয়ায় সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি তার দৃঢ় অঙ্গীকারের শক্তিশালী বার্তা পাওয়া যাচ্ছে।
উপপ্রেস সচিব জানান, দীর্ঘ গণতান্ত্রিক সংগ্রাম, বিএনপির নেতাকর্মীদের গুম-হত্যা, মামলা ও নিপীড়নের প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ সংগ্রামের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশে গণতান্ত্রিক ধারাকে সুগম করা সম্ভব হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনেনি, সংসদীয় গণতন্ত্রও তাদের দলের হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গণতন্ত্র নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। একটি কার্যকর ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই দেশের টেকসই অগ্রগতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং জনগণের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।
বৈঠকে আইপিইউ সেক্রেটারি জানান, তিনি বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার পড়েছেন। এতে শিক্ষা খাতে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ এবং কমিউনিটিভিত্তিক কর্মসূচির প্রশংসা করেন তিনি।
আন্দা ফিলিপ বলেন, সংসদীয় গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত থাকলে জনগণের মধ্যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি আস্থা আরও শক্তিশালী হবে।
তিনি জানান, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতা আরও জোরদার করতে আগ্রহী আইপিইউ।
তানজানিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য আইপিইউর ১৫৩তম সম্মেলনে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকারের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আইপিইউর সঙ্গে বাংলাদেশের সংসদের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
গণতন্ত্রকে আরও কার্যকর ও টেকসই করতে নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন আইপিইউ সেক্রেটারি।
বৈঠকে নারীর ক্ষমতায়ন নিয়েও আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন তার সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।
নারীদের অনার্স পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা, নারী শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি চালু এবং ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নারীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির এবং প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ উপস্থিত ছিলেন।
