ঝালকাঠি সদর উপজেলার কীর্তিপাশা এলাকায় ১৪ বছরের এক কিশোরকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. রফিকুল ইসলাম সোহেল নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে কীর্তিপাশা বাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
অভিযোগকারী কিশোরের মায়ের দাবি, পড়াশোনা না করায় তার ১৪ বছরের ছেলেকে একটি দোকানে কাজে দেওয়া হয়েছিল। গত ১৯ আগস্ট বিকেলে দোকানে যাওয়ার পথে গোবিন্দ ধবল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে ডেকে নিয়ে তাকে জোরপূর্বক বলাৎকার করা হয়।
পরবর্তীতে অসুস্থ হয়ে পড়লে ২১ আগস্ট সকালে শিশুটিকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অভিযোগে শিশুটির শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে গুরুতর আঘাতের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন রয়েছে। অভিযোগ অস্বীকার করে আটক সোহেল দাবি করেছেন, এলাকায় নির্বাচন করার প্রস্তুতি নেওয়ায় তাকে ষড়যন্ত্র করে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কার্যক্রম চলছে। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত তথ্য ও আইনগত ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
এ ঘটনায় শিশুটির নিরাপত্তা, চিকিৎসা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো আইনগতভাবে সমীচীন নয়।

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
ঝালকাঠি সদর উপজেলার কীর্তিপাশা এলাকায় ১৪ বছরের এক কিশোরকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. রফিকুল ইসলাম সোহেল নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে কীর্তিপাশা বাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
অভিযোগকারী কিশোরের মায়ের দাবি, পড়াশোনা না করায় তার ১৪ বছরের ছেলেকে একটি দোকানে কাজে দেওয়া হয়েছিল। গত ১৯ আগস্ট বিকেলে দোকানে যাওয়ার পথে গোবিন্দ ধবল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে ডেকে নিয়ে তাকে জোরপূর্বক বলাৎকার করা হয়।
পরবর্তীতে অসুস্থ হয়ে পড়লে ২১ আগস্ট সকালে শিশুটিকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অভিযোগে শিশুটির শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে গুরুতর আঘাতের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন রয়েছে। অভিযোগ অস্বীকার করে আটক সোহেল দাবি করেছেন, এলাকায় নির্বাচন করার প্রস্তুতি নেওয়ায় তাকে ষড়যন্ত্র করে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কার্যক্রম চলছে। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত তথ্য ও আইনগত ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
এ ঘটনায় শিশুটির নিরাপত্তা, চিকিৎসা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো আইনগতভাবে সমীচীন নয়।
