শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

ডেটিং অ্যাপ’ চালু করল সিঙ্গাপুর

জন্মহার বাড়াতে সরকারি কর্মীদের জন্য ডেটিং অ্যাপ সিঙ্গাপুরে

জন্মহার বাড়াতে সরকারি কর্মীদের জন্য ডেটিং অ্যাপ সিঙ্গাপুরে
সিঙ্গাপুরে ২১ থেকে ৩৫ বছর বয়সী সরকারি কর্মীদের জন্য চালু হয়েছে ‘ফার্স্টডেট’। ছবি : সংগৃহীত

ক্রমহ্রাসমান জন্মহার ও প্রজনন হারের কারণে সিঙ্গাপুরে সরকারি কর্মীদের জন্য চালু করা হয়েছে নতুন ডেটিং অ্যাপ ‘ফার্স্টডেট’। কর্মীদের মধ্যে পরিচিতি ও সম্পর্ক তৈরিতে উৎসাহ দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে পরিবার গঠনে আগ্রহ বাড়ানোই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে চালু হওয়া অ্যাপটি বর্তমানে শুধু সিঙ্গাপুরের সরকারি কর্মীদের জন্য উন্মুক্ত। ২১ থেকে ৩৫ বছর বয়সী অবিবাহিত কর্মীরা এতে অংশ নিতে পারবেন।

অ্যাপটিতে ব্যবহারকারীদের আগ্রহ, মূল্যবোধ ও পছন্দ-অপছন্দ নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে অ্যালগরিদম একবারে একজন সম্ভাব্য সঙ্গীর সঙ্গে ডেটের জন্য জুটি তৈরি করে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যাপটির লক্ষ্য হলো প্রচলিত ডেটিং অ্যাপের ‘সোয়াইপ’ সংস্কৃতির পরিবর্তে ব্যবহারকারীদের তুলনামূলকভাবে চিন্তাশীল সম্পর্ক তৈরিতে সহায়তা করা। জুটি নির্ধারণের পর ডেটটি গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের জন্য তিন দিন সময় দেওয়া হয়।

আলাপ শুরু করার জন্য অ্যাপটিতে বিভিন্ন ধরনের পরামর্শও দেওয়া হয়, যেগুলোকে ‘ডেট কোয়েস্ট’ বলা হচ্ছে।

সিঙ্গাপুরের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২৯ বছর বয়সী কর্মী এলিজাবেথ বিবিসিকে বলেন, বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে পরিচিত হওয়ার অভিজ্ঞতা খুব বেশি আলাদা নয়। তবে সরকারি কর্মীদের জন্য হওয়ায় সম্ভাব্য সঙ্গীর পরিচয় সম্পর্কে কিছুটা নিশ্চয়তা পাওয়া যায় বলে তিনি মনে করেন।

সিঙ্গাপুরে সরকারি উদ্যোগে ঘটকালির এটি অবশ্য প্রথম ঘটনা নয়। এর আগে ১৯৮৪ সালে অবিবাহিত বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতকদের মধ্যে পরিচয় ও সম্পর্ক তৈরিতে সহায়তার জন্য সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ইউনিট চালু করা হয়েছিল।

দেশটিতে জন্মহার কমে যাওয়ার প্রবণতা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আরও স্পষ্ট হয়েছে। ২০২৫ সালে সিঙ্গাপুরে ৩০ হাজারেরও কম শিশুর জন্ম হয়, যা প্রায় ছয় দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন। একই বছরে দেশটির মোট প্রজনন হার (টিএফআর) নেমে দাঁড়ায় নারীপ্রতি ০.৮৭ শিশুতে জনসংখ্যা স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজনীয় ২.১ হারের তুলনায় যা উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

অন্যদিকে, দেশটিতে মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়েছে। ২০২৫ সালে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ২৬ হাজার ৫০০-তে পৌঁছায়। ফলে জনসংখ্যার ভারসাম্য নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্বেগ আরও বাড়ছে।

#সিঙ্গাপুর #ডেটিংঅ্যাপ #জন্মহার

চেকপোস্ট

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬


জন্মহার বাড়াতে সরকারি কর্মীদের জন্য ডেটিং অ্যাপ সিঙ্গাপুরে

প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ক্রমহ্রাসমান জন্মহার ও প্রজনন হারের কারণে সিঙ্গাপুরে সরকারি কর্মীদের জন্য চালু করা হয়েছে নতুন ডেটিং অ্যাপ ‘ফার্স্টডেট’। কর্মীদের মধ্যে পরিচিতি ও সম্পর্ক তৈরিতে উৎসাহ দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে পরিবার গঠনে আগ্রহ বাড়ানোই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে চালু হওয়া অ্যাপটি বর্তমানে শুধু সিঙ্গাপুরের সরকারি কর্মীদের জন্য উন্মুক্ত। ২১ থেকে ৩৫ বছর বয়সী অবিবাহিত কর্মীরা এতে অংশ নিতে পারবেন।

অ্যাপটিতে ব্যবহারকারীদের আগ্রহ, মূল্যবোধ ও পছন্দ-অপছন্দ নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে অ্যালগরিদম একবারে একজন সম্ভাব্য সঙ্গীর সঙ্গে ডেটের জন্য জুটি তৈরি করে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যাপটির লক্ষ্য হলো প্রচলিত ডেটিং অ্যাপের ‘সোয়াইপ’ সংস্কৃতির পরিবর্তে ব্যবহারকারীদের তুলনামূলকভাবে চিন্তাশীল সম্পর্ক তৈরিতে সহায়তা করা। জুটি নির্ধারণের পর ডেটটি গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের জন্য তিন দিন সময় দেওয়া হয়।

আলাপ শুরু করার জন্য অ্যাপটিতে বিভিন্ন ধরনের পরামর্শও দেওয়া হয়, যেগুলোকে ‘ডেট কোয়েস্ট’ বলা হচ্ছে।

সিঙ্গাপুরের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২৯ বছর বয়সী কর্মী এলিজাবেথ বিবিসিকে বলেন, বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে পরিচিত হওয়ার অভিজ্ঞতা খুব বেশি আলাদা নয়। তবে সরকারি কর্মীদের জন্য হওয়ায় সম্ভাব্য সঙ্গীর পরিচয় সম্পর্কে কিছুটা নিশ্চয়তা পাওয়া যায় বলে তিনি মনে করেন।

সিঙ্গাপুরে সরকারি উদ্যোগে ঘটকালির এটি অবশ্য প্রথম ঘটনা নয়। এর আগে ১৯৮৪ সালে অবিবাহিত বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতকদের মধ্যে পরিচয় ও সম্পর্ক তৈরিতে সহায়তার জন্য সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ইউনিট চালু করা হয়েছিল।

দেশটিতে জন্মহার কমে যাওয়ার প্রবণতা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আরও স্পষ্ট হয়েছে। ২০২৫ সালে সিঙ্গাপুরে ৩০ হাজারেরও কম শিশুর জন্ম হয়, যা প্রায় ছয় দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন। একই বছরে দেশটির মোট প্রজনন হার (টিএফআর) নেমে দাঁড়ায় নারীপ্রতি ০.৮৭ শিশুতে জনসংখ্যা স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজনীয় ২.১ হারের তুলনায় যা উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

অন্যদিকে, দেশটিতে মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়েছে। ২০২৫ সালে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ২৬ হাজার ৫০০-তে পৌঁছায়। ফলে জনসংখ্যার ভারসাম্য নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্বেগ আরও বাড়ছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত