মাদকদ্রব্য সহ আটক খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ( খুবি) গণসংযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের তিন শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক অধ্যাপক ড. মো: সালাউদ্দিন সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সাময়িক বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন, গণসংযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের দ্ধিতীয় বর্ষের কাজী রিয়াজুস ছলেহীন, এস এম তৌফিক আলম ও মোঃ মুসফিক উল ইসলাম। বিজ্ঞপ্তিতে ও সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানাগেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক পরিচালক দপ্তরের নিয়মিত টহল কার্যক্রমের সময় ৪ নম্বর একাডেমিক ভবনে ঔই তিন শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। পরে তল্লাশী করে মাদকদ্রব্য গাজা পাওয়া যায় বলে ছাত্র বিষয়ক পরিচালক দপ্তরের সদস্যরা দাবি করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে। অধ্যাদেশ ৬ (খ) ও ২৪ ধারা অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ও শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এবিষয়ে সহকারী ছাত্র বিষয়ক পরিচালক এহসান মজিদ মোস্তফাকে আহবায়ক করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন চেয়েছে কতৃপক্ষ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ সালাউদ্দিন বলেন, নিয়মিত টহল কার্যক্রমের সময় তিন শিক্ষার্থীকে আটক করে তাদের সাথে মাদকদ্রব্য পাওয়া গেছে। আমরা তদন্ত কমিটি গঠন করেছি পুর্নাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পরে শৃঙ্খলা কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মানুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
মাদকদ্রব্য সহ আটক খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ( খুবি) গণসংযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের তিন শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক অধ্যাপক ড. মো: সালাউদ্দিন সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সাময়িক বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন, গণসংযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের দ্ধিতীয় বর্ষের কাজী রিয়াজুস ছলেহীন, এস এম তৌফিক আলম ও মোঃ মুসফিক উল ইসলাম। বিজ্ঞপ্তিতে ও সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানাগেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক পরিচালক দপ্তরের নিয়মিত টহল কার্যক্রমের সময় ৪ নম্বর একাডেমিক ভবনে ঔই তিন শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। পরে তল্লাশী করে মাদকদ্রব্য গাজা পাওয়া যায় বলে ছাত্র বিষয়ক পরিচালক দপ্তরের সদস্যরা দাবি করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে। অধ্যাদেশ ৬ (খ) ও ২৪ ধারা অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ও শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এবিষয়ে সহকারী ছাত্র বিষয়ক পরিচালক এহসান মজিদ মোস্তফাকে আহবায়ক করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন চেয়েছে কতৃপক্ষ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ সালাউদ্দিন বলেন, নিয়মিত টহল কার্যক্রমের সময় তিন শিক্ষার্থীকে আটক করে তাদের সাথে মাদকদ্রব্য পাওয়া গেছে। আমরা তদন্ত কমিটি গঠন করেছি পুর্নাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পরে শৃঙ্খলা কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মানুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
