সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে এক গাড়ি চালকের বিরুদ্ধে সরকারি কম্পিউটার ব্যবহারের অভিযোগে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, ওই চালক ইজাজুল নিয়মিত অফিসের কম্পিউটারে কাজ করছেন এবং দাপ্তরিক কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার করছেন। স্থানীয়দের দাবি, তিনি পূর্বে উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা ফজলুর রহমান-এর ঘনিষ্ঠ ছিলেন।
জানা গেছে, বর্তমানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ মোজাহিদুল ইসলাম-এর স্থায়ী চালক না থাকায় ইজাজুল দৈনিক ভিত্তিতে গাড়ি চালকের দায়িত্ব পালন করছেন। এই সুযোগে তিনি অফিসে অবস্থান করে বিভিন্ন কাজে যুক্ত হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সূত্র জানায়, এসিল্যান্ড কার্যালয়ের একটি কক্ষে থাকা সরকারি কম্পিউটারে গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক নথি টাইপিং ও ই-মেইল আদান-প্রদান করা হয়। সেখানে অন্য স্টাফদের অনুপস্থিতিতেও ইজাজুলকে কাজ করতে দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
গত ৩ মে এক ব্যক্তি গোপনে তার কম্পিউটার ব্যবহারের ভিডিও ধারণ করেন, যা পরবর্তীতে গণমাধ্যমকর্মীদের হাতে পৌঁছায়। এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে, বিষয়টি নিয়ে কোনো তদন্ত কমিটি গঠন না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের আশঙ্কা, অননুমোদিত ব্যক্তির মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি তথ্য ফাঁসের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বলেন, কম্পিউটারটি যে কেউ ব্যবহার করতে পারে এবং এতে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নেই। তার এই বক্তব্যকে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা প্রশ্নবিদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন।
অন্যদিকে, ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা অরুপ সিং জানান, গাড়ি চালকের কাজ গাড়ি চালানো, কম্পিউটার পরিচালনা নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে এক গাড়ি চালকের বিরুদ্ধে সরকারি কম্পিউটার ব্যবহারের অভিযোগে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, ওই চালক ইজাজুল নিয়মিত অফিসের কম্পিউটারে কাজ করছেন এবং দাপ্তরিক কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার করছেন। স্থানীয়দের দাবি, তিনি পূর্বে উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা ফজলুর রহমান-এর ঘনিষ্ঠ ছিলেন।
জানা গেছে, বর্তমানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ মোজাহিদুল ইসলাম-এর স্থায়ী চালক না থাকায় ইজাজুল দৈনিক ভিত্তিতে গাড়ি চালকের দায়িত্ব পালন করছেন। এই সুযোগে তিনি অফিসে অবস্থান করে বিভিন্ন কাজে যুক্ত হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সূত্র জানায়, এসিল্যান্ড কার্যালয়ের একটি কক্ষে থাকা সরকারি কম্পিউটারে গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক নথি টাইপিং ও ই-মেইল আদান-প্রদান করা হয়। সেখানে অন্য স্টাফদের অনুপস্থিতিতেও ইজাজুলকে কাজ করতে দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
গত ৩ মে এক ব্যক্তি গোপনে তার কম্পিউটার ব্যবহারের ভিডিও ধারণ করেন, যা পরবর্তীতে গণমাধ্যমকর্মীদের হাতে পৌঁছায়। এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে, বিষয়টি নিয়ে কোনো তদন্ত কমিটি গঠন না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের আশঙ্কা, অননুমোদিত ব্যক্তির মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি তথ্য ফাঁসের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বলেন, কম্পিউটারটি যে কেউ ব্যবহার করতে পারে এবং এতে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নেই। তার এই বক্তব্যকে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা প্রশ্নবিদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন।
অন্যদিকে, ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা অরুপ সিং জানান, গাড়ি চালকের কাজ গাড়ি চালানো, কম্পিউটার পরিচালনা নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
