বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

পুলিশকে হুঁশিয়ারি

চতুর্থ দফায় বাধা ‘আমরা হবিগঞ্জে যাবই: হাসানাত আব্দুল্লাহ

চতুর্থ দফায় বাধা ‘আমরা হবিগঞ্জে যাবই: হাসানাত আব্দুল্লাহ
সাতগাঁও এলাকায় বাধার মুখে এনসিপির গাড়িবহর। ছবি : সংগৃহীত

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পুলিশের বাধার মুখে পড়েও হবিগঞ্জ যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা।

বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলার সাতগাঁও এলাকায় ‘চা-কন্যা’ ভাস্কর্যের সামনে ঢাকা–সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে এনসিপির গাড়িবহর আটকে দেয় পুলিশ। এটি ছিল চতুর্থ দফার বাধা।

পুলিশের বাধার পর এনসিপি নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “আমরা সেখানে যাবই। আপনারা আমাদের পয়েন্ট অব নো রিটার্নে ঠেলে দিচ্ছেন।”

তিনি অভিযোগ করেন, হবিগঞ্জে হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার না করে তাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, কয়েকজন আইনপ্রণেতা এখানে আছেন। আপনারা তাদের গায়ে হাত দিয়েছেন। আপনারা যদি বিএনপি করতে চান, তাহলে পুলিশের পোশাক খুলে বিএনপি করেন।

এ সময় তিনি পুলিশের উদ্দেশে স্লোগান দেন, বাহ পুলিশ চমৎকার, সন্ত্রাসের পাহারাদার।

তিনি আরও বলেন, হবিগঞ্জ পৌরসভায় ১৪৪ ধারা জারি করা হলেও শ্রীমঙ্গলে তাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। পাঁচজন ব্যক্তি মামলা করতে যাচ্ছেন, কিন্তু তাদের আটকে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

পরে শ্রীমঙ্গলের ব্যারিকেড অতিক্রম করে এনসিপির গাড়িবহর হবিগঞ্জের দিকে রওনা হলে মিরপুর এলাকার আগেই আবারও পুলিশ পথরোধ করে। এ সময় এনসিপি নেতারা গাড়ি থেকে নেমে সড়কে বসে অবস্থান নেন।

মৌলভীবাজারের সহকারী পুলিশ সুপার (শ্রীমঙ্গল সার্কেল) মো. ওয়াহিদুজ্জামান রাজু জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণেই এনসিপির নেতাদের আটকে দেওয়া হয়েছে।

#হবিগঞ্জ #এনসিপি #হাসনাত_আবদুল্লাহ

চেকপোস্ট

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬


চতুর্থ দফায় বাধা ‘আমরা হবিগঞ্জে যাবই: হাসানাত আব্দুল্লাহ

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পুলিশের বাধার মুখে পড়েও হবিগঞ্জ যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা।

বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলার সাতগাঁও এলাকায় ‘চা-কন্যা’ ভাস্কর্যের সামনে ঢাকা–সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে এনসিপির গাড়িবহর আটকে দেয় পুলিশ। এটি ছিল চতুর্থ দফার বাধা।

পুলিশের বাধার পর এনসিপি নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “আমরা সেখানে যাবই। আপনারা আমাদের পয়েন্ট অব নো রিটার্নে ঠেলে দিচ্ছেন।”

তিনি অভিযোগ করেন, হবিগঞ্জে হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার না করে তাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, কয়েকজন আইনপ্রণেতা এখানে আছেন। আপনারা তাদের গায়ে হাত দিয়েছেন। আপনারা যদি বিএনপি করতে চান, তাহলে পুলিশের পোশাক খুলে বিএনপি করেন।

এ সময় তিনি পুলিশের উদ্দেশে স্লোগান দেন, বাহ পুলিশ চমৎকার, সন্ত্রাসের পাহারাদার।

তিনি আরও বলেন, হবিগঞ্জ পৌরসভায় ১৪৪ ধারা জারি করা হলেও শ্রীমঙ্গলে তাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। পাঁচজন ব্যক্তি মামলা করতে যাচ্ছেন, কিন্তু তাদের আটকে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

পরে শ্রীমঙ্গলের ব্যারিকেড অতিক্রম করে এনসিপির গাড়িবহর হবিগঞ্জের দিকে রওনা হলে মিরপুর এলাকার আগেই আবারও পুলিশ পথরোধ করে। এ সময় এনসিপি নেতারা গাড়ি থেকে নেমে সড়কে বসে অবস্থান নেন।

মৌলভীবাজারের সহকারী পুলিশ সুপার (শ্রীমঙ্গল সার্কেল) মো. ওয়াহিদুজ্জামান রাজু জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণেই এনসিপির নেতাদের আটকে দেওয়া হয়েছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত