বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

সেন্সর প্রযুক্তিতে তাক লাগালো শিক্ষার্থীরা

গোপালগঞ্জে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে প্রথম বর্ণি উচ্চ বিদ্যালয়

গোপালগঞ্জে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে প্রথম বর্ণি উচ্চ বিদ্যালয়
ছবি: চেকপোস্ট

১০ম বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের প্রজেক্ট প্রদর্শনীতে গোপালগঞ্জ জেলার মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে টুঙ্গিপাড়ার বর্ণি উচ্চ বিদ্যালয়। শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবিত সেন্সরভিত্তিক প্রযুক্তি দর্শনার্থী ও বিচারকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

প্রকল্পটির মূল উদ্ভাবক শিক্ষার্থী নয়ন খান ও সাইম গাজী। তাদের সঙ্গে আরও দুই শিক্ষার্থী গবেষণায় অংশ নিয়ে যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেন।

উদ্ভাবিত প্রযুক্তির বিশেষত্ব হলো, সেন্সরের মাধ্যমে ১ মিটারের মধ্যে আসা মিসাইল বা অনুরূপ বস্তুকে শনাক্ত করা যায়। শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কম্পিউটারভিত্তিক সিস্টেম সক্রিয় হয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সক্ষম হয়।

শিক্ষার্থীরা জানায়, ভবিষ্যতে প্রযুক্তিটি আরও উন্নত করে বৃহৎ পরিসরে ব্যবহার উপযোগী করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের বিচারকরা বলেন, এত কম বয়সে শিক্ষার্থীদের এমন বাস্তবধর্মী ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবন অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এ ধরনের উদ্যোগ দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, শিক্ষার্থীদের এই অর্জন পুরো প্রতিষ্ঠানের জন্য গর্বের। ভবিষ্যতেও নতুন নতুন উদ্ভাবনে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দেওয়া হবে।

স্থানীয় শিক্ষামহলের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ তরুণদের বিজ্ঞানমনস্ক করে তুলবে এবং দেশের প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

#গোপালগঞ্জ_সংবাদ #বিজ্ঞান_অলিম্পিয়াড #বর্ণি_উচ্চ_বিদ্যালয়

চেকপোস্ট

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬


গোপালগঞ্জে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে প্রথম বর্ণি উচ্চ বিদ্যালয়

প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

১০ম বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের প্রজেক্ট প্রদর্শনীতে গোপালগঞ্জ জেলার মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে টুঙ্গিপাড়ার বর্ণি উচ্চ বিদ্যালয়। শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবিত সেন্সরভিত্তিক প্রযুক্তি দর্শনার্থী ও বিচারকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

প্রকল্পটির মূল উদ্ভাবক শিক্ষার্থী নয়ন খান ও সাইম গাজী। তাদের সঙ্গে আরও দুই শিক্ষার্থী গবেষণায় অংশ নিয়ে যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেন।

উদ্ভাবিত প্রযুক্তির বিশেষত্ব হলো, সেন্সরের মাধ্যমে ১ মিটারের মধ্যে আসা মিসাইল বা অনুরূপ বস্তুকে শনাক্ত করা যায়। শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কম্পিউটারভিত্তিক সিস্টেম সক্রিয় হয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সক্ষম হয়।

শিক্ষার্থীরা জানায়, ভবিষ্যতে প্রযুক্তিটি আরও উন্নত করে বৃহৎ পরিসরে ব্যবহার উপযোগী করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের বিচারকরা বলেন, এত কম বয়সে শিক্ষার্থীদের এমন বাস্তবধর্মী ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবন অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এ ধরনের উদ্যোগ দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, শিক্ষার্থীদের এই অর্জন পুরো প্রতিষ্ঠানের জন্য গর্বের। ভবিষ্যতেও নতুন নতুন উদ্ভাবনে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দেওয়া হবে।

স্থানীয় শিক্ষামহলের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ তরুণদের বিজ্ঞানমনস্ক করে তুলবে এবং দেশের প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত