গোপালগঞ্জ শহরের মিয়াপাড়া এলাকার লিটন সড়কের একটি ফ্ল্যাট থেকে আল-আমিন (৩৫) নামে এক রিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় গ্যারেজ মালিক কামরুল ও তার স্বজনদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তরা আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
বুধবার (২১ মে) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে শহরের মিয়াপাড়া লিটন সড়ক এলাকার একটি বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আল-আমিন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের খাটিয়াগড় এলাকার ফায়েক শেখের ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে অভিযুক্ত গ্যারেজ মালিক কামরুলের মামাসহ তিনজন ব্যক্তি আল-আমিনকে একটি রিকশায় করে ওই বাসায় নিয়ে আসেন। পরে সেখান থেকেই তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আল-আমিনকে নিয়ে আসা ব্যক্তিরাই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। ঘটনার পর থেকেই গ্যারেজ মালিক কামরুল, তার বোন এবং তার ভাগনেসহ সংশ্লিষ্টদের এলাকায় দেখা যায়নি। এতে তাদের বিরুদ্ধে সন্দেহ আরও জোরালো হয়েছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ও গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি নেয় এবং ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু করে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
গোপালগঞ্জ শহরের মিয়াপাড়া এলাকার লিটন সড়কের একটি ফ্ল্যাট থেকে আল-আমিন (৩৫) নামে এক রিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় গ্যারেজ মালিক কামরুল ও তার স্বজনদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তরা আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
বুধবার (২১ মে) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে শহরের মিয়াপাড়া লিটন সড়ক এলাকার একটি বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আল-আমিন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের খাটিয়াগড় এলাকার ফায়েক শেখের ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে অভিযুক্ত গ্যারেজ মালিক কামরুলের মামাসহ তিনজন ব্যক্তি আল-আমিনকে একটি রিকশায় করে ওই বাসায় নিয়ে আসেন। পরে সেখান থেকেই তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আল-আমিনকে নিয়ে আসা ব্যক্তিরাই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। ঘটনার পর থেকেই গ্যারেজ মালিক কামরুল, তার বোন এবং তার ভাগনেসহ সংশ্লিষ্টদের এলাকায় দেখা যায়নি। এতে তাদের বিরুদ্ধে সন্দেহ আরও জোরালো হয়েছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ও গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি নেয় এবং ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু করে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
