গোপালগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন। অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
শনিবার (৭ নভেম্বর) গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. আরিফ উজ জামান। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শরীফ রাফিকুজ্জামান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের উপপরিচালক জীবিতেষ বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তারেক সুলতান এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৌশিক আহমেদ।
এ ছাড়া জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আহ্বায়ক ফিরোজ আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক এবং স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরেন। তাঁরা দিবসটির ইতিহাস ও চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে এক বিশেষ আবহের সৃষ্টি হয়।
আলোচনা সভা শেষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।
আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে গোপালগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আয়োজন সম্পন্ন হয়।

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
গোপালগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন। অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
শনিবার (৭ নভেম্বর) গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. আরিফ উজ জামান। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শরীফ রাফিকুজ্জামান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের উপপরিচালক জীবিতেষ বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তারেক সুলতান এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৌশিক আহমেদ।
এ ছাড়া জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আহ্বায়ক ফিরোজ আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক এবং স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরেন। তাঁরা দিবসটির ইতিহাস ও চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে এক বিশেষ আবহের সৃষ্টি হয়।
আলোচনা সভা শেষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।
আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে গোপালগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আয়োজন সম্পন্ন হয়।
