বাংলাদেশের প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তে জিয়া পরিবারের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে মন্তব্য করেছেন সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ।
তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বিভিন্ন সংকটময় সময়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তারেক রহমান ইতিমধ্যে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় সুনামগঞ্জের পুরাতন বাসস্টেশন এলাকায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জেলা বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কয়ছর আহমেদ বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের গণহত্যার পর ২৬ মার্চ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং নিজে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। শুধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েই তিনি দায়িত্ব শেষ করেননি, সশরীরে যুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশ স্বাধীন করতে ভূমিকা রেখেছেন। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে তাঁকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করা হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বেগম খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে তিনি আপসহীন ভূমিকা পালন করেছেন। একইভাবে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামে তারেক রহমানের নেতৃত্বে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটেছে। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার দেশত্যাগের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা পালিয়ে গেছে, তারা আর বাংলাদেশে ফিরে আসতে পারবে না।
নির্বাচন প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য কয়ছর আহমেদ বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দেশের মানুষ বিএনপি ও তারেক রহমানের প্রতি তাদের ম্যান্ডেট দিয়েছেন। বর্তমান সরকার একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক সরকার। তারেক রহমানের ‘সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ বক্তব্যের কথাও তিনি তুলে ধরেন।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলনের সভাপতিত্বে সভায় সঞ্চালনা করেন সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নুরুল।
এ সময় বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতা ও সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক মিজানুর রহমান চৌধুরীসহ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্যরা।
আলোচনা সভা শেষে পুরাতন বাসস্টেশন এলাকা থেকে একটি বিশাল র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় পুরাতন বাসস্টেশন এলাকায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এতে জেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশের প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তে জিয়া পরিবারের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে মন্তব্য করেছেন সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ।
তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বিভিন্ন সংকটময় সময়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তারেক রহমান ইতিমধ্যে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় সুনামগঞ্জের পুরাতন বাসস্টেশন এলাকায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জেলা বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কয়ছর আহমেদ বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের গণহত্যার পর ২৬ মার্চ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং নিজে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। শুধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েই তিনি দায়িত্ব শেষ করেননি, সশরীরে যুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশ স্বাধীন করতে ভূমিকা রেখেছেন। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে তাঁকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করা হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বেগম খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে তিনি আপসহীন ভূমিকা পালন করেছেন। একইভাবে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামে তারেক রহমানের নেতৃত্বে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটেছে। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার দেশত্যাগের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা পালিয়ে গেছে, তারা আর বাংলাদেশে ফিরে আসতে পারবে না।
নির্বাচন প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য কয়ছর আহমেদ বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দেশের মানুষ বিএনপি ও তারেক রহমানের প্রতি তাদের ম্যান্ডেট দিয়েছেন। বর্তমান সরকার একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক সরকার। তারেক রহমানের ‘সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ বক্তব্যের কথাও তিনি তুলে ধরেন।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলনের সভাপতিত্বে সভায় সঞ্চালনা করেন সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নুরুল।
এ সময় বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতা ও সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক মিজানুর রহমান চৌধুরীসহ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্যরা।
আলোচনা সভা শেষে পুরাতন বাসস্টেশন এলাকা থেকে একটি বিশাল র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় পুরাতন বাসস্টেশন এলাকায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এতে জেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
