গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, স্বামী তাকে পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করে পালিয়ে গেছেন। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের তানপুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মিলি বেগম (২৮) তানপুরা গ্রামের মিজান শেখের মেয়ে। তার স্বামী আলামিন (৩০)।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, দুপুরে মিলি ও আলামিন বাড়ির পাশের একটি পুকুরে গোসল করতে যান। কিছুক্ষণ পর আলামিন একাই শ্বশুরবাড়িতে ফিরে এসে নিজের মোবাইল ফোন ও কিছু টাকা নিয়ে দ্রুত সেখান থেকে চলে যান। পরিবারের সদস্যরা মিলির খোঁজ জানতে চাইলে তিনি জানান, মিলি পরে বাড়ি ফিরবেন।
দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও মিলি বাড়িতে না ফেরায় স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে মিলির মা পুকুরে তার মরদেহ ভাসতে দেখে চিৎকার করলে স্থানীয়রা ছুটে আসেন। পরে খবর পেয়ে কাশিয়ানী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনার পর থেকেই আলামিন পলাতক রয়েছেন। পরিবারের দাবি, পারিবারিক বিরোধের জেরে তিনি এ ঘটনা ঘটিয়েছেন।
কাশিয়ানী-মুকসুদপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাফিছুর রহমান জানান, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে পারিবারিক বিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ড হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, স্বামী তাকে পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করে পালিয়ে গেছেন। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের তানপুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মিলি বেগম (২৮) তানপুরা গ্রামের মিজান শেখের মেয়ে। তার স্বামী আলামিন (৩০)।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, দুপুরে মিলি ও আলামিন বাড়ির পাশের একটি পুকুরে গোসল করতে যান। কিছুক্ষণ পর আলামিন একাই শ্বশুরবাড়িতে ফিরে এসে নিজের মোবাইল ফোন ও কিছু টাকা নিয়ে দ্রুত সেখান থেকে চলে যান। পরিবারের সদস্যরা মিলির খোঁজ জানতে চাইলে তিনি জানান, মিলি পরে বাড়ি ফিরবেন।
দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও মিলি বাড়িতে না ফেরায় স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে মিলির মা পুকুরে তার মরদেহ ভাসতে দেখে চিৎকার করলে স্থানীয়রা ছুটে আসেন। পরে খবর পেয়ে কাশিয়ানী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনার পর থেকেই আলামিন পলাতক রয়েছেন। পরিবারের দাবি, পারিবারিক বিরোধের জেরে তিনি এ ঘটনা ঘটিয়েছেন।
কাশিয়ানী-মুকসুদপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাফিছুর রহমান জানান, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে পারিবারিক বিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ড হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
